1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
বরিশালে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দর্জিপাড়ায় বেড়েছে কারিগরদের ব্যস্ততা - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বরিশালে হামলা-লুটের অভিযোগে বিএনপির দলীয় ব্যবস্থা ভোলায় সাংবাদিকের ওপর হামলা: গ্রেফতার ১ বানারীপাড়ায় কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় ইতালী প্রবাসী শাহিন ভাণ্ডারিয়ায় মাদক ব্যবসায়ী দুলাল খান গ্রেফতার ভাণ্ডারিয়ায় গণহত্যা দিবস ও স্বাধীনতা দিবস পালনে প্রস্তুতি সভা উজিরপুর–বানারীপাড়া আসনের এমপি সান্টুর ব্যক্তিগত সহকারী হলেন ফাইজুল হক সুমন কলাপাড়ায় জমি নিয়ে বিরোধ : মামলা করে হুমকির মুখে প্রাক্তন শিক্ষক বরিশালে রাতভর অভিযান : ৩০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ, ১৪ জেলে আটক বরিশালে পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে স্ত্রীকে হত্যা চেষ্টার মামলা চরফ্যাশনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত

বরিশালে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দর্জিপাড়ায় বেড়েছে কারিগরদের ব্যস্ততা

  • আপডেট সময় : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঈদকে সামনে রেখে কর্ম ব্যস্ততা বেড়েছে বরিশালের দর্জির দোকানগুলোতে। তৈরি পোশাকের দৌরাত্ম্যের মাঝে দর্জিবাড়ির জৌলুস কমলেও পছন্দমত ডিজাইন আর পারফেক্ট ফিটিংস পেতে ঈদের আগে দর্জি দোকানিদের ওপরই ভরসা রাখছেন ক্রেতারা। ভিড় এড়াতে আগেভাগেই পছন্দের কাপড় সঙ্গে নিয়ে ক্রেতারা যাচ্ছেন দর্জির দোকানগুলোতে। ঈদকে ঘিরে বেড়েছে মজুরিও। আর আশানুরূপ কাজ হওয়ায় খুশি দোকানিরাও।

 

বরিশাল নগরীর কাটপট্টি এলাকার গজ কাপড় ও লুচ থ্রিপিচের দোকানগুলোতে নারী ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়।

 

নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী কাপড় ও থ্রিপিস কিনে নিয়ে যাচ্ছেন দর্জির দেকানে। সেখানেই বিভিন্ন ডিজাইন আর সঠিক মাপ দিয়ে তৈরি করতে দিচ্ছেন পছন্দের ঈদ পোশাকটি।

 

ক্রেতার কাছ থেকে কাপড় ও মাপঝাপ বুঝে নিয়ে কাজ শুরু করে দিচ্ছেন কারিগররা। পোশাকের মাপ আর ডিজাইন ঠিকঠাক তুলে এরপরই সুঁই সুতা নিয়ে সেলাই মেশিনে বসে কাজ শুরু করেন তারা।

সামনের ২৫ রোজা পর্যন্ত ক্রেতাদের অর্ডার নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন কারিগররা। এখনই প্রচুর কাজের চাপ রয়েছে। তাই ঈদকে ঘিরে দর্জিপারায় ব্যাস্ততার যেন শেষ নেই।

 

নগরীর কাটপট্টি রোডের ঝুমুর টেইলার্সের শুব্রত বলেন, রোজার শুরু থেকেই লুস থ্রি পিস ও গজ কাপড় নিয়ে আমাদের কাছে আসছেন ক্রেতারা। এখন মোটামুটি কাজের চাপ রয়েছে। সামনে কাজের চাপ আরো বাড়বে। বিশেষ করে ঈদ কেন্দ্রিক কাজ হচ্ছে এখন।

 

গীতা রানি নামে আর এক দর্জি বলেন, আমরা এখন ভালোই কাজ পাচ্ছি। তবে ২৫ রোজা পর্যন্ত আমরা অর্ডার নিতে পারব। ঈদকে ঘিরে মজুরি কিছুটা বাড়ে, তাই আমরা কিছুটা বাড়িয়ে নিচ্ছি। যারা জামা বানাতে আসছেন তারাও বিষয়টি মেনে নিয়েছেন।

 

আরিফুল ইসলাম নামে আরেক দর্জি বলেন, বিভিন্ন ধরনের থ্রি পিস ও গজ কাপড় নিয়ে নিজেদের পছন্দমত ঈদের জামা তৈরি করতে আমাদের কাছে আসছেন। আমরা কাস্টমারের ইচ্ছা অনুযায়ী সুন্দরভাবে তাদের পছন্দের পোশাক তৈরি করে দিচ্ছি।

 

বরিশাল নগরীর সব দর্জির দোকানে এখন কাপড় কাটাকুটি আর সেলাই মেশিনে নানা ডিজাইনের কাজ চলছে বেশ জোরেশোরেই। রেডিমেড কাপড়ের কদর বেড়ে যাওয়ার পরও সঠিক মাপ দিয়ে নিজের পছন্দের পোশাক তৈরি করতেই দর্জির দোকানে ভিড় করছেন অনেকে। যারা দর্জির দোকানে আসছেন তাদের দাবি বানানো জামা পড়েই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন তারা। ভালো ফিটিংস এবং পছন্দের পোশাক বানাতে কেউ কেউ ক্যাটালগ নিয়ে হাজির হচ্ছেন দর্জির কাছে। আর ঈদকে ঘিরে মজুরি একটু বেশি হলেও নিজের চাহিদা অনুযায়ী পোশাক বানাতে পাড়ায় খুশি ক্রেতারাও।

 

জামা তৈরি করতে আসা সানদিয়া আক্তার বলেন, ঈদ মানে আনন্দ, তাই ঈদের পোশাক তৈরি করতে নিজের পছন্দমত থ্রি পিস কিনেছি। এখন সেটি ভালোভাবে বানানোর জন্য দর্জির কাছে এসেছি। এখানে তারা ভালোভাবে পোশাকটি বানিয়ে দিতে পারে। আমার খুব আনন্দ লাগছে।

 

জেরিন জাহান বলেন, রেডিমেড জামাকাপড়ের অভাব নেই, কিন্তু রেডিমেড কিনতে গেলে লম্বা কিংবা সাইজে হয় না, তাই লুস থ্রি পিস কিনে দর্জির কাছে এসেছি সঠিকভাবে মাপ ঝোপ দিয়ে পোশাকটি তৈরি করা হবে।

 

আদিবা রহমান বলেন, আমি আমার পছন্দমত পোশাক বানাতে দর্জির কাছে এসেছি। ঈদের আনন্দে আমার নতুন পোশাক অনেক সুন্দর হবে।

 

ঈদকে ঘিরে বরিশাল নগরীর কাটপট্টি এলাকায় প্রায় অর্ধশত টেইলার্স রয়েছে। এছাড়াও বরিশাল নগরীর বিভিন্ন এলাকায় আরো শতাধিক টেইলার্স রয়েছে। প্রত্যেকটি টেইলারই বেশ ভালো অর্ডার পাচ্ছেন। সামনে আরো অর্ডার বাড়বে এমনটা প্রত্যাশা দর্জি মালিকদের।

 

এদিকে ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে বরিশালের বিপণী বিতান থেকে শুরু করে প্রত্যেকটি মার্কেটে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

চকবাজার মালিক সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে ঈদকে ঘিরে প্রত্যেকটি দোকানেই বেচা বিক্রি বেড়েছে। মানুষ যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে কেনাকাটা করতে পারে তার জন্য পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।

 

চকবাজার ব্যাবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি মিনাল কান্তি সাহা বলেন, ঈদকে সামনে রেখে আমাদের বেচা বিক্রি ভালো জমেছে। সবাই কমবেশি বেচা বিক্রি করছে। সামনে আরো ক্রেতার সংখ্যা বাড়বে। সবাই যাতে স্বাচ্ছন্দে কেনাকাটা করতে পারে সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রয়েছে।

 

বরিশাল নগরীতে দর্জি দোকানের সংখ্যা পাঁচ শতাধিক। এছাড়া বরিশাল চকবাজার ও কাটপট্টি এলাকায় রেডিমেড থ্রী পিস, ওড়না, থান কাপড় ও শাড়ির অনান্য দোকান রয়েছে প্রায় ৫ শতাধিক।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network