1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
হুমকিতে দক্ষিণাঞ্চলের নৌ-যোগাযোগ - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কুয়াকাটা সৈকতে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচ্ছন্নতা অভিযান উজিরপুরে নারী কেলেঙ্কারির পর এখন হিন্দুদের নির্যাতনের অভিযোগ, শ্রীঘরে ছাত্রদল নেতা সুজন! আজকের শিক্ষার্থীরাই এ দেশের নেতৃত্ব দেবে,তাই নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে-এমপি সান্টু  বরিশাল বন্দর থানার নবনিযুক্ত ওসি সনজিত চন্দ্র নাথকে কমিউনিটি পুলিশের ফুলেল শুভেচ্ছা বরিশাল মহানগরীর উন্নয়নে ৭৩০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে ঝালকাঠি  বিএনপির প্রস্তুতি সভা লালমোহনে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা ও মাসিক সমন্বয় সভা কাঠালিয়ায় অবৈধ ইটভাটার চিমনি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন, ধ্বংস ২৫ কয়লার চুল্লি ভাণ্ডারিয়ায় নকল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি, দশ হাজার টাকা জরিমানা সরকারি অফিসে রান্নার সরঞ্জাম, বিছানা-খাবার টেবিল!

হুমকিতে দক্ষিণাঞ্চলের নৌ-যোগাযোগ

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : নাব্যতা সংকটে হুমকির মুখে পরেছে বরিশালসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চলের নৌ-যোগাযোগ। গত তিন অর্থবছরে প্রায় ৯০ লাখ ঘণমিটার নদীখনন করা হলেও কোনো সুফল মিলছে না। ফলে একদিকে যেমন বেড়েছে জ্বালানি খরচ তেমনি সময়। তাই ড্রেজিংয়ের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সংশ্লিষ্টরা। ফলে নিরাপদ ঈদযাত্রা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

 

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে, কীর্তনখোলা নদীর চরবাড়িয়া অংশে জেগে উঠেছে এক বিশাল চর। ফলে বিকল্প হিসেবে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে নৌযানগুলোকে। শুধু চরবাড়িয়া অংশই নয় বামনী, মিয়ারচর ও লালুর চরের মতো গুরুত্বপূর্ণ ৮/১০টি স্থানে পানির গভীরতা এখন ৪ থেকে ৫ ফুটের নিচে। লঞ্চ মাস্টারদের অভিযোগ নামমাত্র ড্রেজিংয়ে কোনো সুফল মিলছে না বরং ভোগান্তির পাশাপাশি অপচয় হচ্ছে সময় ও জ্বালানীর।

 

ঢাকা-বরিশাল নৌরুটে চলাচল করা এমভি শুভরাজ-৯ লঞ্চের মাস্টার বেলাল হোসেন জানিয়েছেন, এ নৌরুটের শুধু বরিশাল জেলার নদী অতিক্রমকালে ৮ থেকে ১০ স্থানে নাব্যতা সংকটে পরতে হয়। এতে যেমন ভোগান্তিতে পড়তে হয়, তেমনি সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছানো হয়ে পরে কষ্টসাধ্য।

 

অভ্যন্তরীণ নৌরুটের চালকরা জানিয়েছেন, প্রতি বছরই নদীতে ড্রেজিং হয় কিন্তু তা কোনো কাজেই আসে না। আর ভোগান্তি নিত্যদিনের সঙ্গী। নাব্যতা সংকটের কারণে দুই ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে সময় লাগে তিন ঘণ্টারও বেশি। ফলে যাত্রীদের সাথে বাগবিতন্ডা লেগেই থাকে।

 

ড্রেজিং বিভাগের বরিশালের নথি সূত্রে জানা গেছে, গত তিন অর্থবছরে বরিশাল বিভাগে নদীখনন করা হয়েছে প্রায় ৯০ লাখ ঘণমিটার। যারমধ্যে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে খনন হয়েছে ৩১ লাখ ঘণমিটার, ২০২২-২৩ অর্থবছরে খনন হয়েছে ২৫ লাখ ঘণমিটার, আর ২০২৪-২৫ অর্থবছরে খনন করা হয়েছে ২৯ লাখ ঘণমিটার। এর পেছনে ব্যয় হয়েছে প্রায় অর্ধশত কোটি টাকা। কিন্তু তারপরেও মিলছে না প্রকৃত সুফল।

ড্রেজিং বিভাগ বরিশালের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মামুন উর রশিদ জানিয়েছেন, ড্রেজিং করা হয় পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের নির্দেশনায়। সে অনুযায়ী চাহিদা অনুযায়ী ড্রেজিং কার্যক্রম চলমান থাকে। নৌপথ স্বাভাবিক রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলমান রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন বরিশালের সমন্বয়কারী মো. রফিকুল আলম জানিয়েছেন, ক্যাপিটাল ও মেইনটেইনেন্স ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে সমন্বয় করে কাজ করলে সুফল পাওয়া যেতে পারে। তবে ড্রেজিং প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী কৌশলের কারণে অনেকক্ষেত্রে তা সম্ভব হয়ে ওঠেনা।

এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, বরিশাল বিভাগের ৪২টি নদ-নদীর ৬২৯ কিলোমিটার এলাকায় ডুবোচর সৃষ্টি হয়েছে; যা নদীগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহকে বাঁধাগ্রস্ত করছে।

 

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network