1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ : বরিশাল রুটে যাত্রীচাপ ও ভোগান্তি তুঙ্গে - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কুয়াকাটা সৈকতে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচ্ছন্নতা অভিযান উজিরপুরে নারী কেলেঙ্কারির পর এখন হিন্দুদের নির্যাতনের অভিযোগ, শ্রীঘরে ছাত্রদল নেতা সুজন! আজকের শিক্ষার্থীরাই এ দেশের নেতৃত্ব দেবে,তাই নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে-এমপি সান্টু  বরিশাল বন্দর থানার নবনিযুক্ত ওসি সনজিত চন্দ্র নাথকে কমিউনিটি পুলিশের ফুলেল শুভেচ্ছা বরিশাল মহানগরীর উন্নয়নে ৭৩০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে ঝালকাঠি  বিএনপির প্রস্তুতি সভা লালমোহনে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা ও মাসিক সমন্বয় সভা কাঠালিয়ায় অবৈধ ইটভাটার চিমনি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন, ধ্বংস ২৫ কয়লার চুল্লি ভাণ্ডারিয়ায় নকল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি, দশ হাজার টাকা জরিমানা সরকারি অফিসে রান্নার সরঞ্জাম, বিছানা-খাবার টেবিল!

কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ : বরিশাল রুটে যাত্রীচাপ ও ভোগান্তি তুঙ্গে

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : কর্মস্থলমুখী জনস্রোতে পা ফেলার ঠাঁই নেই দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বরিশাল নদী বন্দরসহ দক্ষিণের সব নৌ ও বাস টার্মিনালগুলোতে। বরিশাল নদী বন্দরের মূল টার্মিনাল থেকে রুট পারমিটের দ্বিগুণ নৌযান ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেলেও ধারণক্ষমতার দ্বিগুণের বেশি যাত্রী নিয়েও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বৃহস্পতিবার রাতে বড় মাপের ৮টি নৌযান ৪০ হাজারেরও বেশি যাত্রী নিয়ে বরিশাল বন্দর ত্যাগ করার পরেও আরও অন্তত ৫ হাজার কোনো নৌযানে উঠতে পারেননি। জেলা প্রশাসন ও বিআইডব্লিউটিএ ঝুঁকি এড়াতে যাত্রীবোঝাই নৌযানগুলোকে নির্ধারিত সময়ের আগেই টার্মিনাল ত্যাগে বাধ্য করে। নৌকা দিয়েও কোনো যাত্রীকে নৌযানে উঠতে দেওয়া হয়নি।

 

 

তবে এসব কিছুর পরেও রাষ্ট্রীয় নৌ বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের জন্য কোনো নিরাপদ স্টিমার সার্ভিসের ব্যবস্থা করতে পারেনি। অথচ প্রতিষ্ঠানটির বহরে সদ্যযোগ দেওয়া দুটি অত্যাধুনিক যাত্রীবাহী নৌযান ছাড়াও আরও ২টি স্ক্রু-হুইল ও ১টি প্যাডেল হুইল নৌযান রয়েছে। কিন্তু বরিশাল-ঢাকা রুটের কথা বলে সরকারি কোষাগারের জনগণের অর্থে সংগ্রহ করা এসব নৌযানই ব্যক্তি স্বার্থে অন্য রুটের জন্য ইজারা প্রদান করা হয়েছে। ফলে দুর্ভোগ বাড়ছে দক্ষিণ জনপদের মানুষের।

 

 

 

বরিশালের মতো এ অঞ্চলের অন্য দুটি নদী বন্দরেরও একই চিত্র। এমনকি ইতিপূর্বে ঝালকাঠীসহ ভাটি এলাকার যেসব নৌযান বরিশাল নদী বন্দর থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকায় যেত, গত দুদিন তাও বন্ধ মাত্রাতিরিক্ত বোঝাইয়ের কারণে।

 

 

ঈদের টানা ৭ দিনের ছুটি শেষে সোমবার থেকে সরকারি-বেসরকারি দপ্তর খুললেও বৃহস্পতিবার থেকে আরও ৩ দিনের ছুটির কারণে বেশিরভাগ শ্রমজীবী মানুষই ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন কিছুটা বিলম্ব করে। সরকারি-বেসরকারি দপ্তরে কর্মরতদের অনেকেই ২৪ ও ২৫ মার্চ ঐচ্ছিক ছুটি গ্রহণের কারণে বৃহস্পতিবার থেকেই কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন। ফলে কোনো যানবাহনেই তিল ধরার ঠাঁই নেই। ঈদ পরবর্তী বিমানের কোনো ফ্লাইটেও একটি টিকিট মিলছে না।

 

 

আর বেশিরভাগ শ্রমজীবী মানুষই পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ঈদের দিনের মতো ঈদের পরের দিনও ঘরে ফিরেছেন। ফলে পুরো সপ্তাহজুড়েই কর্মজীবী ও শ্রমজীবী মানুষের কর্মস্থলমুখী স্রোত অব্যাহত রয়েছে। পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের দাবি শনিবার পর্যন্ত কর্মস্থলমুখী মূল জনস্রোত অব্যাহত থাকার পাশাপাশি আগামী সপ্তাহজুড়েই পরিবহন সেক্টরে যাত্রীচাপ থাকবে।

 

 

তবে বাড়তি যানবাহনেও কর্মস্থলমুখী শ্রমজীবী ও কর্মজীবী মানুষের ভিড় সামাল দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এমনকি কোনো নৌযানের ডেকে পা রাখার মতো পরিস্থিতিও নেই গত দুদিন। বৃহস্পতিবার রাতে ১০টি নৌযান ধারণক্ষমতার দ্বিগুণের বেশি যাত্রী নিয়ে ঢাকায় যাওয়ার পরে শুক্রবার বিকেলের মধ্যে তার বেশিরভাগই বরিশাল বন্দরে ফিরে এসে রাতে পুনরায় ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে।

 

 

গত রোববার থেকে বরিশাল নৌ টার্মিনাল থেকে ১০টি করে বড় মাপের নৌযান ঢাকায় গেলেও জনস্রোত সামাল দিতে পারছে না। এমনকি এসব নৌযানের সব কেবিন ও সোফার টিকিটও বহু আগে বিক্রি হয়ে যাওয়ায় একটি টিকিটের জন্য যাত্রীরা নৌযানগুলোর এক অফিস থেকে অন্য অফিসে হন্যে হয়ে ঘুরেও নিরাশ হচ্ছেন।

 

 

অনুরূপ চিত্র বরিশাল কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ এ অঞ্চলের সব বাস টার্মিনালগুলোতেও। প্রতিদিন শুধু বরিশাল বাস টার্মিনাল থেকেই প্রায় ৩শ যাত্রীবাহী বাস ঢাকায় গেলেও কোনো কাউন্টারেই টিকিট নেই। কিছু দালালচক্র অতিরিক্ত দামে টিকিট বিক্রি করছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া রুট পারমিটবিহীন কিছু বাসও স্থানীয় দালালচক্রের মাধ্যমে টিকিট বিক্রি করে লক্কড়-ঝক্কড় মার্কা লোকাল বাসে যাত্রীদের তুলে দিয়ে দুর্ভোগে ফেলছে। বরিশাল থেকে উত্তরবঙ্গমুখী অন্যান্য রুটের বাসেও টিকিট বিক্রি শেষ হয়ে গেছে অনেক আগে। শুধুমাত্র বিআরটিসির বরিশাল-ঢাকা সহ অন্য রুটগুলোর কাউন্টারে দিনের টিকিট মিললেও সেখানে খোলা আকাশের নিচে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে নারী-পুরুষ ও শিশু যাত্রীদের বেহাল দশা।

 

 

বরিশালের রূপাতলী মিনিবাস টার্মিনাল থেকে দক্ষিণের অন্যান্য জেলা ও খুলনা বিভাগের জেলাসমূহের রুটেও একই চিত্র। সাধারণ সময়ের তিনগুণ বাস চলাচল করলেও জনস্রোতের শেষ নেই। আর এ সুযোগে সব রুটেই ভাড়া বাড়ছে। পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা যে যার মতো করেই ভাড়া আদায় করলেও কোনো প্রতিকার নেই।

 

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network