1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
সাতলায় ৩ কিলোমিটার জুড়ে একতা বাজার–কান্দী খাল ভূমিদস্যুদের কবলে, কৃষকদের দাবি পুনঃখনন  - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কুয়াকাটা সৈকতে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচ্ছন্নতা অভিযান উজিরপুরে নারী কেলেঙ্কারির পর এখন হিন্দুদের নির্যাতনের অভিযোগ, শ্রীঘরে ছাত্রদল নেতা সুজন! আজকের শিক্ষার্থীরাই এ দেশের নেতৃত্ব দেবে,তাই নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে-এমপি সান্টু  বরিশাল বন্দর থানার নবনিযুক্ত ওসি সনজিত চন্দ্র নাথকে কমিউনিটি পুলিশের ফুলেল শুভেচ্ছা বরিশাল মহানগরীর উন্নয়নে ৭৩০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে ঝালকাঠি  বিএনপির প্রস্তুতি সভা লালমোহনে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা ও মাসিক সমন্বয় সভা কাঠালিয়ায় অবৈধ ইটভাটার চিমনি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন, ধ্বংস ২৫ কয়লার চুল্লি ভাণ্ডারিয়ায় নকল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি, দশ হাজার টাকা জরিমানা সরকারি অফিসে রান্নার সরঞ্জাম, বিছানা-খাবার টেবিল!

সাতলায় ৩ কিলোমিটার জুড়ে একতা বাজার–কান্দী খাল ভূমিদস্যুদের কবলে, কৃষকদের দাবি পুনঃখনন 

  • আপডেট সময় : বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬
উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা একতা বাজার-কান্দী পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার জুড়ে সরকারি গুরুত্বপূর্ণ খালটি ভূমিদস্যুদের কবলে পড়ে অস্তিত্ব সংকটে। স্থানীয় হাজারো ইরি ধান চাষি ও সাধারণ মানুষের অভিযোগ মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে খালটির উপর ১৫ থেকে ২০টিরও বেশি অবৈধ বাঁধ নির্মাণ, ভরাট করে বসতবাড়ি ও দোকানপাট গড়ে তোলার মাধ্যমে খালটির স্বাভাবিক প্রবাহ কার্যত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে  দেখা যায়,একসময় ওই খালটি ছিলো সাতলার কচা নদীর পশ্চিম তীর ঘেষে  মেহেরের বাড়ির উত্তর পাশ দিয়ে কান্দী হয়ে ধারা বাশাইল ও তাড়াইল পর্যন্ত বিস্তৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌ-যোগাযোগ পথ। স্থানীয়দের চলাচল, কৃষি সেচ ও পণ্য পরিবহনের জন্য এটি ছিল একমাত্র নির্ভরযোগ্য জলপথ।
দখলের সূচনা ও বিস্তার স্থানীয়রা আরো জানান, অবদা সড়কের পশ্চিম পাশে খালের উপর প্রথমে দুটি সড়কের মাঝখানে বাঁধ নির্মাণ করে একটি পুকুর তৈরির মাধ্যমে দখল প্রক্রিয়া শুরু হয়। এরপর ধীরে ধীরে প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় খালের বিভিন্ন অংশ ভরাট করে ব্যক্তিগত মালিকানায় নেওয়া হয়।পানি চলাচল স্বাভাবিক রাখতে একতা বাজারের উত্তর পাশে একটি ব্যক্তিমালিকানাধীন নালাকে খাল হিসেবে ব্যবহার করা হলেও, সেটিও পর্যাপ্ত নয় বলে দাবি এলাকাবাসীর।
সড়ক নির্মাণে খালের সংকট আরও তীব্রতায় রুপ নেয়।
পরবর্তীতে বরিশাল-খুলনা মহাসড়কের সাতলা নদীর উপর ৫৬০ মিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণ এবং সংযোগ সড়ক তৈরি হওয়ার ফলে খালটির অবস্থান বিভিন্ন স্থানে সড়কের দুই পাশে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এতে খালটির ধারাবাহিকতা নষ্ট হয় এবং সুযোগ নিয়ে দখলদাররা খালের অংশ নিজেদের জমির সাথে সংযুক্ত করে ফেলে।বর্তমানে একতা বাজার থেকে রিন্টুর বাড়ি পর্যন্ত খালটি সড়কের ডান পাশে, এরপর ঠেডা বা হুশির বাড়ি পর্যন্ত বাম পাশে এবং পুনরায় পশ্চিম সাতলা এলাকায় ডান পাশে অবস্থান করছে।
সরকারি খাল দখলের সাথে জড়িত  ব্যবসায়ী ও এলাকার প্রভাবশালীরা। খাল দখলে অভিযুক্তরা হলেন মোঃ জাহিদ হোসেন হাওলাদার আবুল কাসেম হাওলাদার, মোঃ শহিদ হাওলাদার, হুশি, এছাহাক বাহাদুরসহ অর্ধ শতাধিক অসাধু। তারা খালের মধ্যে ১০-১৫ ফুট প্রস্থের বালুর বাঁধ তৈরি করে পুকুর করে মাছ চাষ এবং সবজি চাষ করে আসছেন।
স্থানীয় ব্লক চাষিদের আশঙ্কা—খালটি পুনরুদ্ধার না করা হলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে সেচের পানির তীব্র সংকট দেখা দেবে, যা কৃষি উৎপাদনে মারাত্মক প্রভাব ফেলবে। কৃষকদের দাবি  এই খালটি ছিলো আমাদের বোরো ধানের পানির প্রধান উৎস। এখন খাল না থাকলে আমরা কীভাবে ধান চাষ করবো?
এলাকাবাসী জানান, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বপ্ন ছিল পরিত্যক্ত খাল পুনঃখননের মাধ্যমে কৃষিতে সেচব্যবস্থা নিশ্চিত করা। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারও দেশব্যাপী খাল পুনঃখনন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
তাই সাতলা ইউনিয়নের জনগণের দাবি—
সাতলা একতা বাজার থেকে কান্দী পর্যন্ত এই ৩ কিলোমিটার খালটি জরুরি ভিত্তিতে পুনঃখনন করে দখলমুক্ত করা হোক। তাদের দাবি শুধু এই খাল নয়, সাতলা ইউনিয়নসহ আশেপাশের সব সরকারি খাল পুনরুদ্ধার ও দখলমুক্ত করা। অন্যথায় কৃষি, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ভাবে হুমকির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network