1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
সাপে কাটে গ্রামে, চিকিৎসা হয় শহরে : পথেই প্রাণ হারায় বরিশালের রোগীরা - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কুয়াকাটা সৈকতে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচ্ছন্নতা অভিযান উজিরপুরে নারী কেলেঙ্কারির পর এখন হিন্দুদের নির্যাতনের অভিযোগ, শ্রীঘরে ছাত্রদল নেতা সুজন! আজকের শিক্ষার্থীরাই এ দেশের নেতৃত্ব দেবে,তাই নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে-এমপি সান্টু  বরিশাল বন্দর থানার নবনিযুক্ত ওসি সনজিত চন্দ্র নাথকে কমিউনিটি পুলিশের ফুলেল শুভেচ্ছা বরিশাল মহানগরীর উন্নয়নে ৭৩০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে ঝালকাঠি  বিএনপির প্রস্তুতি সভা লালমোহনে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা ও মাসিক সমন্বয় সভা কাঠালিয়ায় অবৈধ ইটভাটার চিমনি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন, ধ্বংস ২৫ কয়লার চুল্লি ভাণ্ডারিয়ায় নকল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি, দশ হাজার টাকা জরিমানা সরকারি অফিসে রান্নার সরঞ্জাম, বিছানা-খাবার টেবিল!

সাপে কাটে গ্রামে, চিকিৎসা হয় শহরে : পথেই প্রাণ হারায় বরিশালের রোগীরা

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের বেশির ভাগ সাপে কাটার ঘটনা গ্রামাঞ্চলে ঘটলেও উপজেলা পর্যায়ে নেই কোন চিকিৎসা সেবা। যে কারনে সাপে কাটা অধিকাংশ রোগীকে বরিশাল জেলা শহরে নেওয়ার পথে মৃত্যু হচ্ছে। যুগের পর যুগ ধরে এই অব্যবস্থাপনা চলে আসলেও কোন সরকারের আমলেই অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছেনা।
সূত্রমতে, প্রতিদিনই বরিশাল বিভাগের কোন না কোন গ্রামাঞ্চলে বিষধর সাপে কাটার ঘটনা ঘটছে। গ্রামে সাপে কাটার কোন ঘটনা ঘটলেই প্রথমেই ডাক পরে গ্রাম্য ওঝাদের। ওঝার তন্ত্রমন্ত্রে যখন কাজ হয়না তখনই ছুটে যান উপজেলা হাসপাতালে, সেখানে গিয়ে কোন চিকিৎসা না পেয়ে যেতে হয় জেলা শহরের হাসপাতালে।
আর জেলা শহরে যাওয়ার আগেই ঝড়ে যাচ্ছে সাপে কাটার রোগীর প্রাণ। আর এভাবে গত কয়েক বছরের ব্যবধানে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় কয়েকশ’ সাপে কাটা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে শুধু গৌরনদী উপজেলায়ই চিকিৎসা না পেয়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০২৩ সালে গৌরনদী উপজেলার চন্দ্রহার গ্রামের রাজু সরদারকে বিষধর সাপে কামড় দেওয়ার পর উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও সেখানে চিকিৎসা না পেয়ে জেলা হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাদের মৃত্যু হয়েছে।
২০২০ সালের মে মাসে পৌরসভার দিয়াশুর গ্রামের শাওন চৌকিদার (২১) নামের এক কলেজ ছাত্রকে বিষধর সাপে কামড় দেয়। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা ব্যবস্থা না থাকায় চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মারা যায় শাওন।
একই বছরে বার্থী ইউনিয়নের তাঁরাকুপি গ্রামের ফারুক দেওয়ান, সরিকল ইউনিয়নের সাহাজিরা গ্রামের সাপুড়ে রেজাউল করিম, ২০১৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর গৌরনদী পৌরসভার বানিয়াশুরি গ্রামের মাজেদা বেগমকে (৫০) সর্পদংশনের পর উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। উপজেলা হাসপাতালে সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসা ব্যবস্থা না থাকায় জেলা শহরে নেওয়ার পথে তাদের মৃত্যু হয়েছে।
মৃত ব্যক্তিদের স্বজনদের দাবী, উপজেলা হাসপাতালে বিষধর সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসা ব্যবস্থা চালু থাকলে বিনাচিকিৎসায় সাপে কাটা রোগীর মৃত্যু হতোনা। স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা জানিয়েছেন, আসছে বর্ষা মৌসুমে সাপে কাটা রোগির সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে পারে। এক্ষেত্রে উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসা সেবা চালুর পাশাপাশি এন্টিভেনম সরবরাহ করা হলে রক্ষা পেতে পারে সাপে কাটা রোগির প্রাণ।
এ ব্যাপারে গৌরনদী উপজেলা হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. তৌকির আহমেদ জানিয়েছেন, ২০২০ সাল থেকে চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত মোট ৬০ জন সাপে কাটা রোগীকে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এরমধ্যে শুধুমাত্র বিষধর সাপে কাটা রোগীদের জেলা হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।রিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, বিষধর সাপে কাটা রোগীদের চিকিৎসা যাতে উপজেলা হাসপাতালেগুলোতে হয় সেই নির্দেশনা আগে থেকেই দেওয়া হয়েছে। তবে এন্টিভেনম সংকট রয়েছে। এন্টিভেনম যাতে উপজেলা হাসপাতালগুলোতে সরবরাহ করা হয় সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে।

 

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network