1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
নদীভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধান আনতে কাজ করছে সরকার : বরিশালে প্রতিমন্ত্রী - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কুয়াকাটা সৈকতে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচ্ছন্নতা অভিযান উজিরপুরে নারী কেলেঙ্কারির পর এখন হিন্দুদের নির্যাতনের অভিযোগ, শ্রীঘরে ছাত্রদল নেতা সুজন! আজকের শিক্ষার্থীরাই এ দেশের নেতৃত্ব দেবে,তাই নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে-এমপি সান্টু  বরিশাল বন্দর থানার নবনিযুক্ত ওসি সনজিত চন্দ্র নাথকে কমিউনিটি পুলিশের ফুলেল শুভেচ্ছা বরিশাল মহানগরীর উন্নয়নে ৭৩০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে ঝালকাঠি  বিএনপির প্রস্তুতি সভা লালমোহনে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা ও মাসিক সমন্বয় সভা কাঠালিয়ায় অবৈধ ইটভাটার চিমনি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন, ধ্বংস ২৫ কয়লার চুল্লি ভাণ্ডারিয়ায় নকল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি, দশ হাজার টাকা জরিমানা সরকারি অফিসে রান্নার সরঞ্জাম, বিছানা-খাবার টেবিল!

নদীভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধান আনতে কাজ করছে সরকার : বরিশালে প্রতিমন্ত্রী

  • আপডেট সময় : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : নদীভাঙনে মানুষ যখন ঘর হারায়, তখন শুধু একটা বাড়ি নয় একটা স্বপ্ন ভেঙে যায়। আমরা সেই কষ্ট বুঝি। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে মানুষের জীবনে স্বস্তি ফিরবে বলেন জানিয়েছেন সেতু ও নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান।

শনিবার (১১ এপ্রিল) বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নে ৭৩৯ কোটি টাকার নদী ভাঙন প্রতিরোধ প্রকল্পের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

 

তিনি বলেন,মাঠের পাশে দাঁড়িয়ে নদীর দিকে তাকালে এখনও দেখা যায় ভাঙনের ক্ষতচিহ্ন। কোথাও ভাঙা ঘরের ধ্বংসাবশেষ, কোথাও আবার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়া জমির স্মৃতি। বছরের পর বছর ধরে তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনে এই অঞ্চলের মানুষ হারিয়েছে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও জীবিকার শেষ সম্বল। সেই কষ্ট বুকে নিয়েই দিন পার করছেন হাজারো পরিবার।

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার উপকূলীয় এলাকার মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে কাজ করছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে শুধু নদীভাঙন রোধই নয়, মানুষের জীবন-জীবিকা সুরক্ষিত হবে এবং স্থায়ী সমাধানের পথ তৈরি হবে।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত প্রকল্পটির কাজ চলবে। প্রায় ৭৩৯ দশমিক ৮৮ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত এই প্রকল্পটি এলাকায় নদীভাঙন প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রকল্পটি ২০২৬ সালের ২৫ জানুয়ারি একনেক সভায় অনুমোদন পায়। এরপর ১৬ ফেব্রুয়ারি ডিপিপি চূড়ান্ত করা হয় এবং প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়। একই বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রশাসনিক অনুমোদন সম্পন্ন হয়।

প্রকল্পের আওতায় মোট ১১ দশমিক ৮০০ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ কাজ করা হবে। এই কাজ বাস্তবায়নের জন্য মোট ২৯টি প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে প্রায় ২৪ লাখ ২৪ হাজার ৬৭২টি জিও ব্যাগ এবং ৮ লাখ ৩৭ হাজার ৭৫২টি সিসি ব্লক ব্যবহার করা হবে।

ইউনিয়নভিত্তিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, চাঁনপুর ইউনিয়নে ৪ কিলোমিটার এলাকায় ১৫টি প্যাকেজে স্থায়ী প্রতিরক্ষা কাজ, মেহেন্দিগঞ্জ সদর ইউনিয়নে ২ কিলোমিটার এলাকায় ৮টি প্যাকেজে কাজ, দক্ষিণ উলানিয়া ইউনিয়নে ২ কিলোমিটার এলাকায় ৪টি প্যাকেজে কাজ এবং শ্রীপুর ইউনিয়নে ২ দশমিক ৮ কিলোমিটার এলাকায় ২টি প্যাকেজে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড পাউবো এবং এর তত্ত্বাবধানে থাকবে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়।

 

স্থানীয়দের আশা, দীর্ঘদিনের ভাঙনের ভয় থেকে এবার মুক্তি মিলবে। নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষগুলোর চোখে এখন নতুন করে স্বপ্ন জাগছে একটি নিরাপদ ঘর, টিকে থাকা জমি আর নিশ্চিন্ত ভবিষ্যতের।

 

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network