1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
কলাপাড়ায় আন্দারমানিক নদের বেরিবাঁধসহ ধসে পড়ল স্লুইস ,পানিবন্দি সাত গ্রামের মানুষ - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বরগুনা পৌরসভার ৪ প্রকল্পের কোটি কোটি টাকা পানিতে : চরম দুর্ভোগে নাগরিকরা কলাপাড়ায় আন্দারমানিক নদের বেরিবাঁধসহ ধসে পড়ল স্লুইস ,পানিবন্দি সাত গ্রামের মানুষ বরগুনায় ‘আলোকিত’ প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত বাবুগঞ্জে জুলাই শহীদ দিবস পালিত, শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া ভাণ্ডারিয়ায় ‘জুলাই শহিদ দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মেলা শেষ হলেও মালামাল আটকে বরিশালে ২ শতাধিক ব্যবসায়ীকে জিম্মি করার অভিযোগ আজ ‘জুলাই শহীদ দিবস’ : দুঃশাসনের বর্ণনা রাষ্ট্রপতির বাণীতে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা, ওসিসহ আহত ২ কলাপাড়ায় স্কুলের জমি দখল করে এনসিপি নেতা কাফির রাস্তা নির্মাণ বরিশালের ৮ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, উপকূলের নিচু এলাকা প্লাবিত

কলাপাড়ায় আন্দারমানিক নদের বেরিবাঁধসহ ধসে পড়ল স্লুইস ,পানিবন্দি সাত গ্রামের মানুষ

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আন্ধারমানিক নদীর পানির প্রবল স্রোতে সদরপুর স্লুইস ও বেড়িবাঁধ ভেঙে পড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। স্লুইসটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রায় ৭০০ একর ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে সাত গ্রামের প্রায় চার হাজার পরিবার।

সরেজমিনে জানা যায়, এ এলাকায় সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। এতে শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। হাজীপুর এলাকায় সোনাতলা ও আন্ধারমানিক নদীর সংযোগস্থল এবং সাগরমোহনা-সংলগ্ন জনপদের মানুষকে জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষায় হাজীপুর সেতু থেকে জালালপুর পর্যন্ত নির্মাণ করা হয় বেড়িবাঁধ। ওই বেড়িবাঁধের অভ্যন্তরের পানি নিষ্কাশনের জন্য নির্মাণ করা হয় সদরপুরের তিন ভেন্টবিশিষ্ট একটি স্লুইস। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় এবার পানির তীব্র চাপে স্লুইসটি বেড়িবাঁধসহ ভেঙে পড়ে।

.
স্থানীয়রা জানান, স্লুইসটি ভেঙে যাওয়ার পর পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে সোনাতলা নদীর জোয়ারের পানি ঢুকে আশপাশের সাতটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বসতঘর, রাস্তাঘাট, ফসলি জমি ও মাছের ঘের পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেকের পুকুর ও ঘেরের মাছ ভেসে গেছে। পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে পরিবারগুলো।

.
গ্রামবাসীর অভিযোগ, গত বছর থেকেই স্লুইসটিতে ভাঙনের লক্ষণ দেখা দিয়েছিল। তখন প্রয়োজনীয় মেরামত করা হলে বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। কয়েকদিন ধরে হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি থাকলেও স্লুইস দিয়ে পানি নিষ্কাশনের কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তাদের।

 

স্থানীয় সোনাতলা গ্রামের বাসিন্দা রহিম উদ্দিন বলেন, ‘স্লুইসটি ভেঙে যাওয়ার কারণে পানি নামতে পারছে না। ঘরবাড়িতে পানি উঠেছে, ছেলে-মেয়েদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে।’

 

সদরপুর গ্রামের বাসিন্দা পাভেল বলেন, ‘গত বছর থেকেই স্লুইসটি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। তখন সংস্কার করা হলে আজ আমাদের এমন সমস্যায় পড়তে হতো না।

 

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার অনেক স্লুইস ও জলকপাট দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সদরপুর স্লুইসসহ উপজেলার ১২৯টি স্লুইস নির্মাণ ও সংস্কারের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।

 

কলাপাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহ আলম বলেন, ‘ভেঙে যাওয়া স্লুইস ও জলকপাটগুলো পুনর্নির্মাণের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network