1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
আগৈলঝাড়ায় ৯৭টির মধ্যে ৩৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম

আগৈলঝাড়ায় ৯৭টির মধ্যে ৩৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: দীর্ঘদিন ধরে নতুন নিয়োগ ও পদোন্নতি বন্ধ থাকায় বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার ৩৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকসংকট দেখা দিয়েছে।

প্রধান শিক্ষক না থাকায় দাপ্তরিক কাজের পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের দ্বিগুণ চাপ সামলাতে হচ্ছে সহকারী শিক্ষকদের। জরুরি প্রয়োজনে জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসে যাতায়াত করতে গিয়ে শিশুদের লেখাপড়া ব্যাহত হচ্ছে। যার ফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দিনদিন লেখাপড়ার চরম বিপর্যয় ঘটছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় ৯৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৩টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। দীর্ঘদিন পদ গুলো শূন্য থাকায় এসকল প্রতিষ্ঠানে সহকারী শিক্ষকদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।

এর ফলে তাদের নিয়মিত পাঠদান বন্ধ রেখে দাপ্তরিক ও প্রশাসনিক কাজ সামলাতে হচ্ছে। প্রধান শিক্ষকের এই সংকটের কারণে একদিকে যেমন বিদ্যালয়গুলোর প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হচ্ছে, অন্যদিকে কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের পাঠদানও মারত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ না হওয়া এবং অবসরজনিত কারণে একের পর এক পদ শূন্য হওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। প্রধান শিক্ষক একটি বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করেন। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সমন্বয়, পাঠদান তদারকি, দাপ্তরিক কার্যক্রম, অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নসহ নানা দায়িত্ব পালন করতে হয় তাদের।

স্থানীয় অভিভাবকরা জানান, প্রধান শিক্ষক না থাকায় বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত মনিটরিং, শিক্ষকদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ব্যাহত হচ্ছে।

একজন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে একই সঙ্গে ক্লাস নেওয়া ও দাপ্তরিক কাজ সামলানোর দ্বৈত চাপে পড়তে হয়। এতে বিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষার মান দিন দিন নি¤œমুখি হচ্ছে। ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

উপজেলার উত্তর সেরাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান, নাগার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ, বারপাইকা হাই সংলগ্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিহার রঞ্জন বিশ্বাস ও তালতারমাঠ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুচিত্রা রানী বিশ্বাস জানান, দাপ্তরিক কাজে অফিসে যাতায়াত করার কারণে প্রায়ই আমাদের ক্লাস মিস হয় এবং অন্যান্য শিক্ষকদের অতিরিক্ত ক্লাস বাধ্য হয়ে নিতে হয়। প্রধান শিক্ষক না থাকায় একই কাজ আমাদের দ্বিগুণ করতে হয়।

এ বিষয়ে উপজেলার একাধিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকবিহীন বিদ্যালয়ের দায়িত্ব পালনকারী শিক্ষকরা জানান, দাপ্তরিক কাজ ও মিটিংয়ের পেছনেই অনেক সময় চলে যায় ফলে ঠিকমতো পাঠদান তদারকি করা সম্ভব হয়ে উঠেনা। এ ব্যাপারে অভিভাবকরা দ্রæত শূন্য পদগুলোতে প্রধান শিক্ষক সংকট নিরসন করতে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুল মন্নান মিয়া বলেন, উপজেলার ৩৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক না থাকায় প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রমের তদারকি ব্যাহত হচ্ছে।

শিক্ষক সংকটের কারণে পাঠদানে সৃষ্ট সমস্যার বিষয়টি তারা অবগত আছেন। শূন্য পদগুলো দ্রæত পূরণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত জানানো হচ্ছে এবং খুব দ্রæতই এ সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network