1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
আজ ১৮ ডিসেম্বর মঠবাড়িয়া হানাদার মুক্ত দিবস - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বিভাগের হয়ে জাতীয় ক্রিকেটে খেলছেন আমতলীর তামান্না আমরা চলছিলাম মদিনার দিকে, কাফেলা চলে গেল আমেরিকার দিকে : ফয়জুল করীম ঝালকাঠিতে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণার এক দশক পার : জোড়াতালিতেই চলছে বেইলি সেতু ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল জেলার নতুন কমিটি ঘোষণা গৌরনদীতে স্কুলের টিফিনের রুটিতে ব্লেড কান্ডে তদন্ত কমিটি গঠন বাকেরগঞ্জে নারীকে মারধর, শ্লীলতাহানি ও স্বর্ণের চেইন ছিনতাইয়ের অভিযোগ আবারও ধসে পড়ল পায়রা বন্দরের আবাসিক এলাকার সীমানা দেয়াল ভাণ্ডারিয়ায় পূবালী ব্যাংকের উদ্যোগে ক্যাশলেস কাউন্টার উদ্বোধন লালমোহনে অগ্নিকাণ্ডে দুই বসতঘর পুড়ে ছাই উজিরপুরে অভিযানে অর্ধকোটি টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ

আজ ১৮ ডিসেম্বর মঠবাড়িয়া হানাদার মুক্ত দিবস

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হলেও পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া তখনও ছিল স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকারদের দখলে।  আজ ১৮ডিসেম্বর মঠবাড়িয়া অঞ্চল শত্রু মুক্ত হয়।

স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা জানান,১৯৭১ সালের ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত বীর মুক্তিযোদ্ধারা সুন্দরবনে অবস্থান করছিলেন। তবে ওই দিন দিনগত ভোররাতে সুন্দরবন অঞ্চলের সাবসেক্টরের কমান্ডিং ইয়াং অফিসার লেফটেন্যান্ট আলতাফ হোসেনের নেতৃত্বে চারশতাধিক বীর মুক্তিযোদ্ধা সুন্দরবন অঞ্চল হতে মঠবাড়িয়া শহর অভিমুখে রওনা দেন। সংগঠিত বীর মুক্তিযোদ্ধারা মঠবাড়িয়ায় স্বাধীনতা বিরোধীদের পরাস্ত করতে মঠবাড়িয়া শহর হতে পাঁচ কিলোমিটার দূরে কালিরহাট বাজারে অবস্থান নেন। অপর দিকে শরণখোলা থেকে ওই রাতে ১২০ জনের সশস্ত্র একটি বীর মুক্তিযোদ্ধার দল কালিরহাট বাজারে অবস্থান নেওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে যোগ দেন।

 

এতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের শক্তি আরো বৃদ্ধি পায়। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ওই সশস্ত্র অবস্থান টের পেয়ে স্থানীয় স্বাধীনতা বিরোধী চক্র ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। ওই রাতেই স্বাধীনতা বিরোধিরা রাজাকার বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে সমঝোতার চেষ্টা চালায়। মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে স্বাধীনতা বিরোধীদের আত্মসর্ম্পনের প্রস্তাব পাঠান। এর পর ১৮ ডিসেম্বর সকালে কালিরহাটে অবস্থান নেওয়া বীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় মিছিল নিয়ে মঠবাড়িয়া শহরে প্রবেশ করেন। ভীত সন্ত্রস্ত স্বাধীনতা বিরোধীরা বিনা রক্তপাতে আত্মসমর্পণ করলে মঠবাড়িয়া অঞ্চল শত্রু মুক্ত হয়। ওই দিন বীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয়ের শ্লোগানে মঠবাড়িয়া শহর মুখরিত করে তোলেন।

এভাবে কোন রক্তপাত ছাড়াই ১৮ ডিসেম্বর মঠবাড়িয়া শক্রু মুক্ত হয়। পরে ২০ ডিসেম্বর স্থানীয় শহীদ মোস্তফা খেলার মাঠে বীর মুক্তিযোদ্ধদের এক সংবর্ধনা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

শনিবার (১৮ডিসেম্বর) মঠবাড়িয়া মুক্ত দিবস উপলক্ষে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ বধ্যভূমিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মাখন লাল দাস মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করেছেন। এছাড়া সূর্যমণি বধ্যভূমি সুরক্ষা কমিটি ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা বধ্যভূমিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও শোক যাত্রার আয়োজন করেছেন।

 

উল্লেখ্য ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে মঠবাড়িয়ায় উপজেলায় মোট ৫১জন স্বাধীনতাকামী বাঙালী তাঁদের প্রাণ বিসর্জন দেন।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network