1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তার অভিযোগে ২ বিভাগের সংঘর্ষ-ভাঙচুর - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভরাডুবির পর আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারেন ট্রাম্প বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ৩ হাজার রোগীর খাবার বন্ধের শঙ্কা দীর্ঘ রাজনৈতিক ত্যাগের পরও অপপ্রচারের শিকার আলবার্ট রিপন বল্লভ এবার তালাক নোটিশ ও কথিত কাবিননামা প্রকাশ করলেন গোলাম মাওলা রনি পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে গোলাগুলি, সেনাসদস্য গুলিবিদ্ধ জামায়াতের সঙ্গে জোটে আপত্তি, এনসিপি ছাড়ছেন নেত্রীরা স্কুলে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি পোশাকশ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণে দ্বিতীয় বৈঠক সোমবার এইচএসসিতে শূন্য পাস, পাঁচ বছরের নথিসহ ২৬ অধ্যক্ষকে তলব বালু অপসারণের নামে কেটে নেওয়া হচ্ছে ফসলি জমি

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তার অভিযোগে ২ বিভাগের সংঘর্ষ-ভাঙচুর

  • আপডেট সময় : রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬

জিহাদ রানা: বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বাংলা ও রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পাশে থাকা এক নারীর দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে।

গতকাল শনিবার বেলা ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন নম্বর ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

 

এক পর্যায় ঘটনাস্থলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও প্রক্টর উপস্থিত হয়ে উভয় বিভাগের শিক্ষার্থীদেরকে শান্ত করেন। তারা তদন্ত করে ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দেন।

 

উভয় বিভাগের শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন আনন্দ বাজার রসায়ন বিভাগের ১৪তম ব্যাচের এক নারী শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে বাংলা বিভাগের ১১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সিফাতের বিরুদ্ধে। পরে তাকে আজ সকাল ১০টার দিকে রসায়ন বিভাগের ৪-৫ জন শিক্ষার্থী হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

 

যদিও হাতুড়ি দিয়ে পেটানোর বিষয়টি অস্বীকার করেন রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। ঘটনা সমাধানের জন্য উভয় বিভাগের শিক্ষার্থীরা মিলে বিকেল ৩টায় একসাথে বসলে একপর্যায়ে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

 

বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী সিফাত বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে রসায়ন বিভাগের ১৪ ব্যাচের এক নারী শিক্ষার্থীকে গতকাল রাত ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন আনন্দ বাজারে ধাক্কা দেওয়ার ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলা হচ্ছে। কিন্তু এমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি। এ বিষয়ে তাদের কাছে কোনো প্রমাণও নেই।’

এরপরও সকাল ১০টার দিকে রসায়ন বিভাগের ৪-৫ জন তাকে ডেকে নিয়ে শহীদ মিনারের পেছনে হাতুড়ি দিয়ে মাথায় ও পিঠে আঘাত করে অভিযোগ করে সিফাত বলেন, ‘কয়েকজন এসে আমাকে উদ্ধার করে। পরবর্তীতে সমাধানের জন্য বসলে ওরা আমাদের ওপরে হামলা করে। আমি আমার ও বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের ওপরে হওয়া হামলার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

 

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, বাংলা ও রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা নারী হেনস্তার একটি ঘটনা সমাধানের জন্য বসলে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্য কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে উভয় বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্য উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে ধাক্কাধাক্কি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পাশে থাকা একটি চায়ের দোকান ভেঙে লাঠি সোঠা দিয়ে একে অপরকে আঘাত করেন শিক্ষার্থীরা।

 

 

এতে দুই বিভাগেরই কিছু শিক্ষার্থী আঘাত পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। সংঘর্ষের সময় পাশে থাকা নাছিমা বেগম নামের এক নারীর দোকানে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। নাছিমা বেগম বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার রাতে আমার দোকানে চুরি হয়েছে। এর মধ্যে আজকে আমার দোকানটায় ভাঙচুর করা হলো। আমি অসহায় মানুষ, আমার দোকানটা যেন ঠিক করে দেয় সেই দাবি করছি সবার কাছে।

 

 

বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী সাজ্জাদ বলেন, রসায়ন বিভাগের ১৪ব্যাচের এক নারী শিক্ষার্থীকে হয়রানির অভিযোগ তুলে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী সিফাতকে মারধর করেছে রসায়ন বিভাগের কতিপয় শিক্ষার্থী। বিষয়টি সমাধানের জন্য বেলা ৩টার দিকে রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের সাথে আমরা বসি।

 

 

তিনি বলেন, ‘রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা আমাদের কে মারধর করার হুমকি-ধমকি দেয় এবং আমাদের ওপরে অতর্কিত হামলা করে। এ সময় দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্য সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

 

 

দোকান ভাঙচুরের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, ‘রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা দোকান ভাঙচুর করে লাঠি দিয়ে আমাদের ওপরে হামলা করেছে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আমরা বিচার চেয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।

 

 

 

রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিব আহমেদ বলেন, ‘আমরা বিষয়টিকে নিয়ে সমাধানের জন্য বসেছিলাম আজ। সমাধানের একপর্যায়ে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আমরা নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তা ও আজকের ঘটনার বিচারের দাবি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।

 

 

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রাহাত হোসাইন ফয়সাল বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে এসে দেখি উভয় বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাদানুবাদ চলছে। এর আগে সংঘর্ষ হয়েছে কিনা সেটা দেখিনি, আমরা উভয়ের কথা শুনেছি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নেব। আর এক নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তার যে অভিযোগ এসেছে, সেটাও তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

 

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছি। গুরুতর কেউ আহত হয়নি। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিচার করা হবে।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network