1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
বরগুনায় নিয়ন্ত্রণহীন অবৈধ করাতকল: পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সিঁদুর খেলতে গিয়ে অসুস্থ, প্রাণ গেল নববধূর ব্যাটারি পুড়িয়ে পরিবেশ দূষণ, অভিযোগের পরেও নীরব প্রশাসন! প্রধানমন্ত্রীর জীবনের হুমকির পেছনে বিরোধী দলের উসকানি রয়েছে : রাশেদ খাঁন নিজ বাসা থেকে সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার ভোলায় যুবকের মরদেহ উদ্ধার জরিমানার পরও সিএনজি ফিলিং স্টেশনে কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস বিক্রি বরিশালে ট্রলার মেরামতের সময় বিদ্যুতায়িত যুবকের মৃত্যু শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ দেশ ছাড়ার সময় ইমিগ্রেশনে আওয়ামী লীগ নেতা আটক এশিয়ার পথে সুপার টাইফুন ‘চাম্পি’, দুই শতাধিক ফ্লাইট বাতিল

বরগুনায় নিয়ন্ত্রণহীন অবৈধ করাতকল: পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : বরগুনা জেলাজুড়ে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে অবৈধ করাতকল (স’মিল) স্থাপনের প্রবণতা দিন দিন উদ্বেগজনক আকার ধারণ করছে। বন বিভাগের অনুমোদন ও পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়াই মহাসড়ক, আঞ্চলিক সড়ক, বাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও জনবসতির আশপাশে গড়ে উঠছে একের পর এক করাতকল। এতে বনজসম্পদ উজাড়ের পাশাপাশি মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য।

 

সরেজমিনে দেখা গেছে, সদর, পাথরঘাটা, আমতলী, বেতাগী, বামনা ও তালতলী উপজেলায় প্রকাশ্যেই পরিচালিত হচ্ছে বহু লাইসেন্সবিহীন করাতকল। অধিকাংশ মিল বসানো হয়েছে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায়। কাঠ ফাড়াইয়ের সময় সৃষ্ট প্রচণ্ড শব্দ ও বাতাসে ভাসমান কাঠের গুঁড়ায় পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। এতে শিশু, বয়স্ক ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত ব্যক্তিদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে।

 

বরগুনা সদর উপজেলার উত্তর বাঁশবুনিয়া গ্রামের জনবসতিপূর্ণ এলাকায় সম্প্রতি একটি প্রভাবশালী মহল কোনো ধরনের লাইসেন্স বা অনুমোদন ছাড়াই করাতকল স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এলাকাটিতে ৫০ গজের মধ্যেই একাধিক বসতবাড়ি রয়েছে। অথচ বিদ্যমান আইন ও বিধিমালার তোয়াক্কা না করেই নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এ বিষয়ে বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ ও ধর্ণা দিলেও এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে তারা দাবি করেছেন।

 

জেলায় ব্যবহৃত কাঠের একটি বড় অংশ আসছে সংরক্ষিত বন, সামাজিক বনায়ন এলাকা ও ব্যক্তিমালিকানাধীন গাছ কেটে। যথাযথ বৈধতা যাচাই ছাড়াই কাঠ সংগ্রহ ও চেরাই করায় দ্রুত কমে যাচ্ছে সবুজ আচ্ছাদন। করাতকল থেকে উৎপন্ন বর্জ্য খাল, ডোবা ও খোলা স্থানে ফেলে দেওয়ায় মাটি ও পানির দূষণ বাড়ছে, যা কৃষিজমির উর্বরতার ওপরও বিরূপ প্রভাব ফেলছে।

 

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বরগুনা জেলায় প্রায় সাড়ে তিনশ করাতকলের মধ্যে মাত্র ১৯৫টি বৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছে। বাকিগুলো লাইসেন্সবিহীন ও অবৈধ। নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও নদীতীরবর্তী সংরক্ষিত বনাঞ্চলের কাছাকাছি এবং শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত দূরত্ব লঙ্ঘন করেও করাতকল স্থাপনের চিত্র দেখা গেছে।

 

সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর পক্ষ থেকে বিধিমালা অনুযায়ী যাচাই-বাছাই ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগের কথা জানানো হলেও বাস্তব মাঠপর্যায়ে কার্যকর নজরদারির ঘাটতির অভিযোগ রয়েছে। পরিবেশবাদী ও সচেতন মহলের মতে, দ্রুত কঠোর আইন প্রয়োগ, নিয়মিত তদারকি এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা না নেওয়া হলে বরগুনার পরিবেশ ও বনজসম্পদ ভবিষ্যতে আরও বড় সংকটের মুখে পড়বে।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network