1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
বরিশাল বিভাগের আসনগুলোতে ফল নির্ধারক হতে পারে যেসব উপজেলা - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভরাডুবির পর আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারেন ট্রাম্প বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ৩ হাজার রোগীর খাবার বন্ধের শঙ্কা দীর্ঘ রাজনৈতিক ত্যাগের পরও অপপ্রচারের শিকার আলবার্ট রিপন বল্লভ এবার তালাক নোটিশ ও কথিত কাবিননামা প্রকাশ করলেন গোলাম মাওলা রনি পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে গোলাগুলি, সেনাসদস্য গুলিবিদ্ধ জামায়াতের সঙ্গে জোটে আপত্তি, এনসিপি ছাড়ছেন নেত্রীরা স্কুলে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি পোশাকশ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণে দ্বিতীয় বৈঠক সোমবার এইচএসসিতে শূন্য পাস, পাঁচ বছরের নথিসহ ২৬ অধ্যক্ষকে তলব বালু অপসারণের নামে কেটে নেওয়া হচ্ছে ফসলি জমি

বরিশাল বিভাগের আসনগুলোতে ফল নির্ধারক হতে পারে যেসব উপজেলা

  • আপডেট সময় : সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক : কেবল একটি উপজেলা নিয়ে গঠিত জাতীয় সংসদের আসনগুলোতে দলীয় প্রার্থীর জয়-পরাজয়ের নির্ধারক হতে পারেন স্বতন্ত্র বা বিদ্রোহীরা। দুই ও এর বেশি উপজেলা নিয়ে গঠিত আসনের ক্ষেত্রে ব্যবধান গড়ে দিতে পারে চারটি বিষয়। এগুলো হলো– নারী ভোটার, নতুন ভোটার, প্রার্থীর নিজ এলাকার বাইরের উপজেলায় তাঁর ভোটব্যাংক ও দলীয় প্রভাব।

দেশের আট বিভাগের ১৬৭টি আসন থেকে সমকালের প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে কোন আসনে কোন বিষয়গুলো ফলাফল নির্ধারণে প্রভাবক হতে পারে, তা বের করার চেষ্টা করেছে সমকাল। এ নিয়ে বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন: ১০১ আসনে প্রভাব ফেলতে পারে ১১৬ উপজেলার ভোট

বরিশাল বিভাগ: মোট আসন ২১টি
একাধিক উপজেলা বিশিষ্ট আসনগুলোর মধ্যে বরিশাল-১-এ আগৈলঝাড়া হতে পারে আসনের ভোটের প্রভাবক। এখানে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপনের বিপক্ষে লড়বেন কেন্দ্রের বহিষ্কৃত সদস্য আব্দুস সোবহান। জহির উদ্দিন গৌরনদীর স্থানীয়। এ উপজেলায় স্থানীয় প্রার্থী জামায়াতের কামরুল ইসলাম খান। স্বতন্ত্র বা বিদ্রোহী আব্দুস সোবহান আগৈলঝাড়ার স্থানীয়। স্থানীয় প্রার্থী কম থাকায় ১ লাখ ৪১ হাজার ৫০৫ ভোটারের আগৈলঝাড়া উপজেলা ভোটের হিসাবে প্রভাব ফেলতে পারে।

একইভাবে বরিশাল-২ এ উজিরপুরের বিপরীতে বানারীপাড়া, বরিশাল-৩ এ ভোটার সংখ্যা বিবেচনায় বাবুগঞ্জের বিপরীতে মুলাদী, বরিশাল-৪ এ মেহেন্দীগঞ্জের বিপরীতে হিজলা উপজেলা প্রভাবক হতে পারে।

ভোলা-২: দৌলতখান হতে পারে প্রভাবক। আসনটি দৌলতখানসহ বোরহানউদ্দিন উপজেলা নিয়ে গঠিত। বিএনপি, জামায়াত, এলডিপি ও জাতীয় পার্টির প্রার্থীর বাড়ি বোরহানউদ্দিনে। মোট ৩ লাখ ৯১ হাজার ৬৫১ ভোটারের মধ্যে ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৩ জন বোরহানউদ্দিনের বাসিন্দা। বাকি ১ লাখ ৬৪ হাজারের বেশি ভোটার দৌলতখানের। ফলে জয়-পরাজয় নির্ধারণ করতে পারে দৌলতখানের ভোটাররা।

ভোলা-৩: জয়ের নির্ধারক হতে পারে তজুমদ্দিন উপজেলার ভোটাররা। বিএনপি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি, ইসলামী আন্দোলন, জাতীয় পার্টিসহ মোট পাঁচ প্রার্থীর চারজনের বাড়িই লালমোহনে। মোট ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৯০৬ জনের মধ্যে ১ লাখ ৭ হাজার ৬৫৬ ভোটারের উল্লেখযোগ্য অংশ যে প্রার্থীর দিকে যাবে, তিনি জয়ের দৌড়ে এগিয়ে থাকতে পারেন।

ভোলা-৪: দলগুলোর প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে একই প্রবণতা দেখা গেছে। মোট ৬ জনের মধ্যে বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন ও জাতীয় পার্টির মনোনীতদের বাড়ি চরফ্যাসনে, যেখানে ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ২৭ হাজার ৬৬৬। আরেক দ্বীপ উপজেলা মনপুরায় ভোটার মাত্র সাড়ে ৬৬ হাজার। প্রার্থীর এলাকা ও দলীয় ভাবমূর্তির সূত্রে চরফ্যাসনের ভোটাররা যার দিকে ঝুঁকবে, তিনি এগিয়ে থাকবেন।

পিরোজপুর-১: তিনটি উপজেলার এ আসনে প্রার্থী মাত্র দুজন; বিএনপি ও জামায়াতের। বিএনপি প্রার্থী সদরে এবং জামায়াতের প্রার্থী ইন্দুরকানীর স্থানীয়। মোট ৩ লাখ ৯২ হাজার ভোটারের মধ্যে দেড় লাখের বেশি সদরের বাসিন্দা। ইন্দুরকানীতে ৭৫ হাজার এবং নাজিরপুরের ভোটার প্রায় ১ লাখ ৬৬ হাজার। ফলে নাজিরপুর প্রভাবক হতে পারে। আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী আলমগীর হোসেন জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। এ ছাড়া তিনি কেন্দ্রীয় কমিটিরও সদস্য। অপরদিকে জামায়াতের প্রার্থী দলটির কেন্দ্রীয় ব্যবসায়ী বিভাগের নেতা।

পিরোজপুর-২: মোট ৪ লাখ ৯ হাজারের বেশি ভোটারের মধ্যে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৪৭৩ জন নেছারাবাদের বাসিন্দা। কিন্তু এ উপজেলা থেকে বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় পার্টি ও ইসলামী আন্দোলনের কোনো প্রার্থী নেই। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোটার ভান্ডারিয়ার (১ লাখ ৪৩ হাজার ৪৩২)। এখানকার স্থানীয় হওয়ায় বিএনপির মনোনীত আহম্মদ সোহেল মনজুরের ভোটে ভাগ বসাতে পারেন স্বতন্ত্র বা বিদ্রোহী প্রার্থী মাহামুদ হোসেন। অপরদিকে জাতীয় পার্টির (জেপি) মাহিবুল হোসেনও ভান্ডারিয়ার স্থানীয় হওয়ায় নিজস্ব ভোট ব্যাংক আছে। আরেক উপজেলা কাউখালীতে ৬৬ হাজার ৩৮৯ ভোটারের বিপরীতে স্থানীয় প্রার্থী ইসলামী আন্দোলনের আবুল কালাম আজাদ। জামায়াতের শামীম সাঈদী এ আসনের কোনো উপজেলার স্থানীয় নন। দলটির কেন্দ্রীয় ওলামা বিভাগের এই নেতার বাড়ি পিরোজপুর-১ আসনের উপজেলা ইন্দুরকানীতে। ফলে নেছারাবাদ হতে পারে ভাগ্যনির্ধারণী উপজেলা।

ঝালকাঠি-১: প্রভাব ফেলতে পারেন কাঁঠালিয়ার ভোটাররা। আসনের মোট ২ লাখ ২৫ হাজার ৩৪২ ভোটারের মধ্যে ১ লাখ ২০ হাজার ২০০ জন কাঁঠালিয়ার। কিন্তু এ উপজেলায় স্থানীয় কোনো প্রার্থী নেই। মোট ১০ প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি, ইসলামী আন্দোলন, জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থীরা রাজাপুরের বাসিন্দা। এ উপজেলার ভোটার ১ লাখ ৫ হাজারের বেশি। আসনটিতে জামায়াতসহ বাকি ৬ প্রার্থী ভিন্ন জেলার বাসিন্দা। ফলে রাজাপুরের চেয়ে কাঁঠালিয়ার দিকে তাদের নজর থাকবে।

ঝালকাঠি-২: ভোটের সমীকরণে ‘ফ্যাক্টর’ হতে পারে সদর উপজেলা; ভোটার ১ লাখ ৮৮ হাজার ৫৩০। উল্লেখযোগ্য দলগুলোর প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপি কিংবা জামায়াতের কেউ এখানকার স্থানীয় নন। তবে গণঅধিকার পরিষদের মাহমুদুল ইসলাম ও দুজন স্বতন্ত্র প্রার্থী এ উপজেলার স্থানীয়। বিপরীতে নলছিটির ১ লাখ ৭৬ হাজার ৮৬৫ ভোটারের বিপরীতে জামায়াত, ইসলামী আন্দোলনসহ তিনটি দল স্থানীয় প্রার্থী দিয়েছে। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী ইসরাত সুলতানা ইলেনের ঠিকানা ঢাকার উত্তরায়।

বরগুনা-১: তিন উপজেলার এ আসনে বিএনপি, ইসলামী আন্দোলন ও খেলাফত মজলিসের প্রার্থীরা সদরের স্থানীয়। আসনের মোট ৫ লাখ ১৯ হাজার ৪৫৯ ভোটারের মধ্যে ২ লাখ ৬০ হাজার ৩৬১ জন সদরের বাসিন্দা। বিপরীতে আমতলী ও তালতলী উপজেলা মিলিয়ে ভোটার ২ লাখ ৭১ হাজার ৮৬৮। ফলে এ দুই উপজেলা প্রভাবক হতে পারে।

বরগুনা-২: এ আসনও তিন উপজেলা নিয়ে। সবচেয়ে বেশি ১ লাখ ৫০ হাজার ৮৫১ জন ভোটার পাথরঘাটার, যেখানকার স্থানীয় প্রার্থী বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম মণি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোটার বেতাগীতে; ১ লাখ ১৬ হাজার ৭৮৭ জন। জামায়াতের সুলতান আহমেদ এখানকার স্থানীয়। সবচেয়ে কম ভোটার বামনায় (৭০ হাজার ১০৬) স্থানীয় প্রার্থী জাতীয় পার্টির আব্দুল লতিফ ফরাজী। সর্বোচ্চ ভোটার এবং তুলনামূলক কম দলীয় প্রভাব বিবেচনায় পাথরঘাটা ও বামনা জয়ের নির্ধারক হতে পারে।

পটুয়াখালী-১: মির্জাগঞ্জ, দুমকীর বিপরীতে ভোটার সংখ্যা বেশি হওয়ায় সদর (৩ লাখ ৯ হাজার ৩৩১) উপজেলা প্রভাবক হতে পারে।

পটুয়াখালী-৩: বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী হিসেবে আছেন গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল হক নুর। তিনি গলাচিপার স্থানীয়, যেখানে ভোটার ২ লাখ ৫৪ হাজার ৩৩৮ জন। তবে বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র হিসেবে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির বহিষ্কৃত সদস্য হাসান মামুন। তিনি দশমিনার স্থানীয়, যেখানে ভোটার ১ লাখ ২১ হাজার ৫২৩ জন। নুরের উপজেলায় স্থানীয় প্রার্থীকে বেছে নিয়েছে জামায়াত। অপরদিকে মামুনের উপজেলা থেকে প্রার্থী দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন। গলাচিপার ভোট ভাগাভাগি হতে পারে নুর ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে। অপরদিকে দশমিনায় বিএনপির সমর্থকরা হাসান মামুনের দিকে ঝুঁকলে সমীকরণ পাল্টে যেতে পারে। বিএনপি কিংবা জামায়াতের জন্য দশমিনার ভোট অন্যতম লক্ষ্য হতে পারে।

পটুয়াখালী-৪: রাঙ্গাবালীর বিপরীতে ভোটার সংখ্যা বিবেচনায় কলাপাড়া (২ লাখ ১৬ হাজার ৪৯২) প্রভাবক হতে পারে।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network