রাহাদ সুমন, বিশেষ প্রতিনিধি: বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার মাছরং গ্রামে অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুস সালেক মিয়ার বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতরা আলমারি ভেঙে কয়েক লাখ টাকার স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আশ্চর্যের বিষয় হলো, পরিবারের পাঁচ সদস্য বাড়িতে থাকা অবস্থায় দুটি আলমারি ভেঙে ৩ ভরি স্বর্নালংকার, ৪ভরি রূপার অলংকার নগদ ১ লাখ ২০ হাজার টাকাসহ বিভিন্ন মালপত্র লুট করে নিয়ে গেলেও তারা কেউ কিছু টের পাননি। পরিবারের সদস্যরা জানান, সোমবার (৮ জুন) রাতের খাবার শেষে আব্দুস সালেক মিয়া, তাঁর স্ত্রী শামসুন্নাহার এবং দুই ছেলে ও পুত্রবধূ নিজ নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। ভোরে ঘুম ভাঙলে...
রাহাদ সুমন, বিশেষ প্রতিনিধি: বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার মাছরং গ্রামে অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুস সালেক মিয়ার বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতরা আলমারি ভেঙে কয়েক লাখ টাকার স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আশ্চর্যের বিষয় হলো, পরিবারের পাঁচ সদস্য বাড়িতে থাকা অবস্থায় দুটি আলমারি ভেঙে ৩ ভরি স্বর্নালংকার, ৪ভরি রূপার অলংকার নগদ ১ লাখ ২০ হাজার টাকাসহ বিভিন্ন মালপত্র লুট করে নিয়ে গেলেও তারা কেউ কিছু টের পাননি।
পরিবারের সদস্যরা জানান, সোমবার (৮ জুন) রাতের খাবার শেষে আব্দুস সালেক মিয়া, তাঁর স্ত্রী শামসুন্নাহার এবং দুই ছেলে ও পুত্রবধূ নিজ নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। ভোরে ঘুম ভাঙলে বড় ছেলের স্ত্রী দেখতে পান, তাঁদের কক্ষের দরজা বাইরে থেকে আটকানো। পরে ডাকাডাকির একপর্যায়ে বাড়ির অন্যরা দরজা খুলে দেন।
এরপর বাড়ির বাইরে রান্নাঘরের পাশে বিভিন্ন কাগজপত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায়। সেখানে আব্দুস সালেক মিয়া ও তাঁর স্ত্রীর পাসপোর্ট পড়ে থাকতে দেখে পরিবারের সদস্যরা নিশ্চিত হন, এসব কাগজপত্র ঘর থেকে বাইরে আনা হয়েছে। পরে ছোট ছেলের কক্ষে থাকা স্টিলের আলমারি ভাঙা অবস্থায় এবং বিভিন্ন জিনিসপত্র এলোমেলোভাবে ছড়িয়ে থাকতে দেখে তারা ডাকাতির বিষয়টি নিশ্চিত হন।
আব্দুস সালেক মিয়ার বড় ছেলে মাহমুদুল হাসান শোভন বলেন, “ডাকাতরা সম্ভবত ছাদের দরজা দিয়ে ঘরে প্রবেশ করেছে। ছাদের দরজার পাশে একটি বড় আকারের শাবল পাওয়া গেছে। এছাড়া ঘরের ভেতরে কেমিক্যালের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল। আমাদের ধারণা, ডাকাতরা ক্লোরোফর্ম বা অজ্ঞান করার কোনো রাসায়নিক ব্যবহার করেছে। তা না হলে ছোট ভাইয়ের বিছানার একেবারে পাশেই স্টিলের আলমারি ভাঙা হলেও কেউ কিছু টের পায়নি।
খবর পেয়ে মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ( ওসি) মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, বিষয়টি রহস্যজনক। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।