1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
ইয়াবা আত্মসাতের অভিযোগে ওসি প্রত্যাহার - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঝালকাঠিতে আওয়ামী লীগ-যুবলীগ নেতাসহ ২৫ জনের ৩৩টি অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল বরিশালে পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অবসানে চুক্তি স্বাক্ষর করলেন ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট গণমাধ্যম সংস্কার প্রক্রিয়ায় সরকার কেবলই সহায়ক : তথ্যমন্ত্রী জনগণের ভালোবাসা বড় শক্তি, নিরাপত্তা কড়াকড়ি যেন দূরত্ব তৈরি না করে : প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা চুক্তি কার্যকর স্ত্রী ইকরার মৃত্যু, আত্মসমর্পণ করলেন অভিনেতা জাহের আলভী ঢাকায় আ.লীগের ঝটিকা মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ মোদিকে ‘ফেরেশতা’ ও ‘খুনি’ বলে প্রশংসা করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প ঝালকাঠিতে আশির দশকে নির্মিত বেইলি ব্রিজটি ৮ বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ

ইয়াবা আত্মসাতের অভিযোগে ওসি প্রত্যাহার

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: চট্টগ্রাম নগরীতে এক পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া এক লাখ ইয়াবা আত্মসাতের অভিযোগে কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফতাব উদ্দিনকে প্রত্যাহার করে ইন্সপেক্টর জাহেদ নুরকে কোতোয়ালী থানার নতুন ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন) রাত ৯টার দিকে তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) শীর্ষ একজন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওসি আফতাব উদ্দিনকে কোতোয়ালী থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে বুধবার সংবাদ প্রকাশ হয় যে, গত বছরের ৮ ডিসেম্বর কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামে আনা এক লাখ ইয়াবার চালান উদ্ধারের পর তা জব্দ দেখিয়ে মামলা না করে আত্মসাৎ করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনায় তৎকালীন বাকলিয়া থানার ওসি আফতাব উদ্দিনের জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে এসেছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, কক্সবাজার জেলা আদালতের এক বিচারকের গানম্যান কনস্টেবল ইমতিয়াজ হোসেন একটি লাগেজে করে এক লাখ ইয়াবা নিয়ে ঢাকাগামী বাসে চট্টগ্রামে আসছিলেন। কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতু অতিক্রম করার পর বাকলিয়া এলাকায় দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা তাকে আটক করেন।

তল্লাশিতে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার হলেও তা আইনি প্রক্রিয়ায় জব্দ না করে নিজেদের দখলে নেওয়া হয় এবং বহনকারীকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘটনার তদন্ত শেষে গত ২৯ এপ্রিল একটি প্রতিবেদন পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠানো হয়। প্রতিবেদনে তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) তানভীর আহমেদ, এসআই আল–আমিন সরকার, এসআই আমির হোসেন, এএসআই সাদ্দাম হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার প্রায় দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও ঘটনায় এখনও কোনো নিয়মিত মামলা হয়নি। আত্মসাৎ হওয়া ইয়াবার চালানও উদ্ধার করা যায়নি। তদন্ত প্রতিবেদনে ইয়াবা সরবরাহকারী হিসেবে চিহ্নিত মোশাররফকে গ্রেপ্তার, আত্মসাৎ হওয়া মাদক উদ্ধার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করার সুপারিশ করা হলেও সে বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।অভিযোগ প্রসঙ্গে ওসি আফতাব উদ্দিন দাবি করেন, তিনি ইয়াবা আত্মসাতের ঘটনায় জড়িত নন। ঘটনার সময় তিনি বাসায় ছিলেন।

 

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network