1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
নেপালে ১০ বাংলাদেশি গ্রেফতার - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বাকেরগঞ্জে সোশ্যাল মিডিয়ায় অপ্রচারে বিএনপি নেত্রীর সংবাদ সম্মেলন সাংবাদিক পুলকের মৃত্যুর তিনদিন পর বকেয়া মেটাল সমকাল কর্তৃপক্ষ বরিশালের ইন্দো বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস কারখানা বন্ধ ঘোষণা ব্রিকসে বাংলাদেশকে যথাযথ মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানানো হয়নি: স্পিকার মোদির কাছে জমি দখলে বিচার চাইলেন মুসলিম বাল্যবন্ধু শিল্পে কাল থেকে গ্যাসের সরবরাহ আগের অবস্থায় ফিরবে: প্রধানমন্ত্রী মাদরাসায় যৌন নির্যাতন প্রতিরোধে সেল ও কমিটি গঠনে আইনি নোটিশ জামায়াত নেতার কয়লার ভাটা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন কোলে স্ত্রী, চোখে পানি— দারিদ্র্যের সংসারে ৭০ বছরের ভালোবাসা বাকেরগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের পুরোনো দলিল পুড়িয়ে ধ্বংস

নেপালে ১০ বাংলাদেশি গ্রেফতার

  • আপডেট সময় : রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল :: নেপালে সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড ও ভিসা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১০ বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানী কাঠমান্ডুর পর্যটন এলাকা থামেলের তিনটি হোটেলে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে পুলিশ। পরে তাদের নেপালের অভিবাসন দফতরে হস্তান্তর করা হয়।

নেপালি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে থামেলের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হোটেল ঢাকা এক্সপ্রেস, হোটেল দি ভেদা ও হোটেল আল-রহমানে অভিযান চালানো হয়। পুলিশের ভাষ্য, এলাকায় কয়েকজন বাংলাদেশির বিশৃঙ্খলা ও সন্দেহজনক তৎপরতার খবর পাওয়ার পর এ অভিযান চালানো হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন ফাহিমা আক্তার হাসান (৪৬), মাহমুদ (৪৮), মাহবুব হাসান (৪৫), রিপন মাহমুদ (৪৯), মো. কারামত আলী খান (৩০), সাইদুর রহমান (৩০), মো. খলিলুর রহমান (৫০), আরিফুর রহমান (২৮), মো. মারুফ মৃধা (৪২) ও মোহাম্মদ হানিফ মিয়া (৬৪)। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের সঙ্গে থাকা খাতুনে জান্নাত নামের এক নারী পালিয়ে গেছেন। তাকে ধরতে অভিযান চলছে।

নেপালের অভিবাসন দফতরের পরিচালক তিকারাম ঢাকাল বলেন, ‘আটককৃতদের বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তত একজন নিজ ভিসার মেয়াদের চেয়ে অতিরিক্ত সময় ধরে (ওভার-স্টে) অবৈধভাবে অবস্থান করছিলেন। অন্য আসামিরা কী উদ্দেশ্যে অবস্থান করছিলেন এবং কী কাজে জড়িত ছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

তদন্তকারীরা মানব পাচার, চাকরির প্রলোভন কিংবা অবৈধ অর্থ লেনদেনের কোনো চক্রের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা আছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখছেন। তদন্ত শেষে জরিমানা, কারাদণ্ড বা দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত হতে পারে।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network