সংবাদের পর নড়েচড়ে বসল প্রশাসন, আশ্রয়ণ প্রকল্পের সাঁকো পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ
আপডেট সময় :
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদের পর নড়েচড়ে বসল প্রশাসন, আশ্রয়ণ প্রকল্পের সাঁকো পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ
সাইফুল ইসলাম, বাবুগঞ্জ : বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের উত্তর রহমতপুর গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩২ পরিবারের যাতায়াতের একমাত্র বাঁশ-কাঠের সাঁকো ভেঙে যাওয়ার ঘটনায় সংবাদ প্রকাশের পর তা পুনর্নির্মাণে উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। ইতোমধ্যে সাঁকো নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে রাজারবের খালের ওপর নির্মাণাধীন সাঁকোর কাজ পরিদর্শন করেন বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমা উল হুসনা। এ সময় বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলীর অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা মো. কামাল হোসেন বাবুল উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজারবের খালের ওপর নির্মিত বাঁশ-কাঠের সাঁকোটি দীর্ঘদিন ধরে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩২ পরিবারসহ আশপাশের এলাকার মানুষের চলাচলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম ছিল। সম্প্রতি সাঁকোটি...
সাইফুল ইসলাম, বাবুগঞ্জ : বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের উত্তর রহমতপুর গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩২ পরিবারের যাতায়াতের একমাত্র বাঁশ-কাঠের সাঁকো ভেঙে যাওয়ার ঘটনায় সংবাদ প্রকাশের পর তা পুনর্নির্মাণে উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। ইতোমধ্যে সাঁকো নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে রাজারবের খালের ওপর নির্মাণাধীন সাঁকোর কাজ পরিদর্শন করেন বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমা উল হুসনা। এ সময় বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলীর অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা মো. কামাল হোসেন বাবুল উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজারবের খালের ওপর নির্মিত বাঁশ-কাঠের সাঁকোটি দীর্ঘদিন ধরে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩২ পরিবারসহ আশপাশের এলাকার মানুষের চলাচলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম ছিল।
সম্প্রতি সাঁকোটি ভেঙে পড়ায় প্রকল্পের বাসিন্দাদের উপজেলা সদর, হাট-বাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসাসহ জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতে দুর্ভোগ দেখা দেয়।
সাঁকোটির পাশে রয়েছে বিচারপতি আব্দুল জব্বার খান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদেরও বিদ্যালয়ে যাতায়াতে সমস্যা তৈরি হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা বাধ্য হয়ে কলাগাছের ভেলা ব্যবহার করে খাল পারাপারের চেষ্টা করলেও পরে সেটিও ভেঙে যায়। এতে শিশু, নারী, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।
এ পরিস্থিতি নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় বাঁশ-কাঠ দিয়ে সাঁকোটি পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
পরিদর্শনকালে ইউএনও আসমা উল হুসনা বলেন, সাঁকোটি আশ্রয়ণ প্রকল্পের বরাদ্দকৃত ঘরের বাসিন্দাদের পাশাপাশি এলাকার বিপুলসংখ্যক মানুষের দৈনন্দিন চলাচলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
শিক্ষার্থীরাও নিয়মিত এ পথ ব্যবহার করে। সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনা করে দ্রুত পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, দুই-এক দিনের মধ্যেই সাঁকোটির নির্মাণকাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। কাজ শেষ হলে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাসহ এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াতের দুর্ভোগ অনেকটাই লাঘব হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে দ্রুত সাঁকোটির নির্মাণকাজ শেষ করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে রাজারবের খালের ওপর একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।