1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
জেল-জামিনের খেলায় বেপরোয়া মাদক সিন্ডিকেট, নেতৃত্বে মনসুর - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভরাডুবির পর আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারেন ট্রাম্প বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ৩ হাজার রোগীর খাবার বন্ধের শঙ্কা দীর্ঘ রাজনৈতিক ত্যাগের পরও অপপ্রচারের শিকার আলবার্ট রিপন বল্লভ এবার তালাক নোটিশ ও কথিত কাবিননামা প্রকাশ করলেন গোলাম মাওলা রনি পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে গোলাগুলি, সেনাসদস্য গুলিবিদ্ধ জামায়াতের সঙ্গে জোটে আপত্তি, এনসিপি ছাড়ছেন নেত্রীরা স্কুলে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি পোশাকশ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণে দ্বিতীয় বৈঠক সোমবার এইচএসসিতে শূন্য পাস, পাঁচ বছরের নথিসহ ২৬ অধ্যক্ষকে তলব বালু অপসারণের নামে কেটে নেওয়া হচ্ছে ফসলি জমি

জেল-জামিনের খেলায় বেপরোয়া মাদক সিন্ডিকেট, নেতৃত্বে মনসুর

  • আপডেট সময় : রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬

 

স্টাফ রিপোর্টার: বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নের রূপারজোর গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ মাদক সিন্ডিকেট পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে মোহাম্মদ মনসুর আলম নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

 

স্থানীয় বাসিন্দা ও একাধিক সূত্রের দাবি, তিনি এলাকায় ইয়াবা, হেরোইন, গাঁজা ও ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন মাদকের অবৈধ বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করে আসছেন। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, মনসুর আলমের মাদক সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের সূত্রপাত পারিবারিকভাবেই। তার পিতার সময় থেকেই এলাকায় মাদক কারবারের অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করেন তারা।

 

এলাকাবাসীর অভিযোগ, মনসুর আলম ছোটবেলা থেকেই মাদক অপরাধে জড়িত এবং একাধিক মাদক মামলায় বিভিন্ন সময় কারাভোগ করেছেন।

 

সূত্র জানায়, মাদক মামলায় সাজা ভোগের পরও তিনি বারবার জামিনে মুক্ত হয়ে একই কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। এতে করে পুরো বাকেরগঞ্জ উপজেলায় একটি প্রভাবশালী মাদক বলয় গড়ে উঠেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

 

স্থানীয়দের দাবি, তার পরিবারের একাধিক সদস্যও এই সিন্ডিকেটের সঙ্গে যুক্ত। তার ছোট ছেলে রাজু মাদক মামলায় কারা ভোগ করেছে বলে জানা গেছে। বড় দুই ছেলে ইসমাইল ও হানিফ তাকে জেল থেকে বের হতে সহায়তা করে। ২০২৫ সালের জুন মাসে কুমিল্লা এলাকায় প্রায় ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক হওয়ার একটি ঘটনা নিয়েও এলাকায় ব্যাপক আলোচনা রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে তিনি জামিনে মুক্তি পান, যা স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের জন্ম দেয়।

 

এলাকাবাসীর অভিযোগ অনুযায়ী, মনসুর আলম নিজেকে ধর্মভীরু ও সাধারণ মানুষ হিসেবে উপস্থাপন করলেও আড়ালে পরিচালনা করছেন সংঘবদ্ধ মাদক ও সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক। তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মাদক বহন ও বিক্রি, জমি দখল, মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রয়েছে। রূপারজোর গ্রামে তার বসতবাড়ির সামনে একটি আস্তানা রয়েছে, যেখানে মাদক সংরক্ষণের গোপন ব্যবস্থা ও গোডাউন থাকার কথাও স্থানীয়রা জানান।

 

 

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বাকেরগঞ্জ থানার একাধিক মামলা সংক্রান্ত নথি ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অতীতে একাধিক মামলা হয়েছে বলে দাবি করা হলেও তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সচেতন মহল।

 

 

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সবকিছু জানার পরও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় মাদক ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দিন দিন বাড়ছে। মনসুর আলমের বিরুদ্ধে একাধিক মামলার কিছু নথি আমাদের হাতে এসেছে। সেগুলো হলো- মোকাম বরিশাল নির্বাহী এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ২১/১২/২০২৫ তারিখে ফৌজদারি আইনের ১০৭/১১৭(গ) ধারায় মোঃ মামুন চৌধুরী একটি মামলা দায়ের করেন। বাকেরগঞ্জ থানায় চার মার্চ ২০২৫ তারিখে মাকসুদা বেগম বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন যার জিয়ার নং ৯৫/২৫। ২০/১২/২৫ তারিখে বাকেরগঞ্জ থানায় আল মামুন নামে এক ব্যক্তি সাধারণ ডায়েরি করেন তার সাধারণ ডায়রি নং ১০২৪। গত ৩১/৮/২০২৫ তারিখে পুলিশ সুপার বরিশালের কাছে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বাকেরগঞ্জ মোঃ মাসুম বিল্লাহ ২৮৫৬ স্মারকে একটি তদন্ত রিপোর্ট জমা দেন। সেখানে মনসুর আলমের দেওয়া অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়।

 

 

কাজী মোজাফফর হোসেন, রূপারজোর বায়তুল মামুর জামে মসজিদের ইমাম মো: মিজানুর রহমান, প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক সহ একাধিক ব্যাক্তি মনসুর আলমের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।

 

এ বিষয়ে বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সফিকুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি মনসুর আলমকে চিনিনা। তার সম্পর্কে কিছুই জানিনা বলে ফোন কেটে দেন। “তার এমন আচরনে প্রশ্ন রয়ে গেলো? অফিসার ইনচার্জ সফিকুল ইসলাম বাকেরগঞ্জ থানায় কমরর্ত থাকার সময়েই মনসুর আলমের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা, অভিযোগ, সাধারন ডায়রি ও পুলিশ সুপারের করা তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পরেও কিভাবে তিনি এরিয়ে গেলেন।” মনসুর আলমের ০১৯৩৬…. এই নাম্বারে দুই সপ্তাহ ফোনকল করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

 

 

এলাকাবাসী দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত ও কঠোর আইনগত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network