1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
ঝালকাঠিতে ব্যবসায়ীকে অপহরণ, মারধর, চাঁদা দাবী এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সাংবাদিক সম্মেলন - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০১:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বরিশালে এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় আটক ছাত্রদল নেতা, অতঃপর… চরফ্যাশনে মিয়ানমারে পাচারকালে ২৯৩ বস্তা সার জব্দ, আটক-৪ বাউফলে ছাত্রদল নেতার ওপর হামলার ঘটনায় জামায়াত নেতাসহ গ্রেপ্তার-৩ কলাপাড়ায় গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের মামলায় এজেন্ট ব্যাংকের ক্যাশিয়ার গ্রেপ্তার কলাপাড়ায় সংবাদ সম্মেলনে ইমরানের অভিযোগ: বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে ‘অপপ্রচার’ বন্ধের দাবি ঝালকাঠিতে ব্যবসায়ীকে অপহরণ, মারধর, চাঁদা দাবী এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সাংবাদিক সম্মেলন ভান্ডারিয়ায় নিখোঁজ গৃহবধুর চারদিনেও সন্ধান মেলেনি সিলেটে আ.লীগ নেতা, তার স্ত্রী ও গৃহপরিচারিকার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার সাগরে ইলিশের আকাল, বরগুনার হতাশ জেলেরা নেত্রী তোমার ওপর বিরক্ত হইছে, বলার পর কাদেরকে যা বলেছিলেন হারুন

ঝালকাঠিতে ব্যবসায়ীকে অপহরণ, মারধর, চাঁদা দাবী এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সাংবাদিক সম্মেলন

  • আপডেট সময় : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬

ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠিতে অপহরণ, মারধর, চাঁদা দাবী এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে বরন সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন এক ব্যবসায়ী। ১২ আগষ্ট বুধবার বিকাল ৪টায় ঝালকাঠি রিপোর্টার্স ক্লাব কার্যালয়ে বিনয়কাঠি ইউনিয়নের সিবাইকাঠির মোহাম্মদ জাফর মীরের পুত্র ব্যবসায়ী মোহাম্মদ নুরুজ্জামান লিখিত সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেন,“ আমি দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর ধরে স্বরূপকাঠি থেকে বরিশাল পর্যন্ত ব্যবসা করে আসছি। কাপড়ের ব্যবসা, ভাঙারি ব্যবসা এবং অটোরিকশা ও বিভিন্ন যানবাহনের যন্ত্রাংশের ব্যবসার সঙ্গে আমি দীর্ঘদিন ধরে জড়িত। আমি অত্যন্ত অসহায় ও নিরাপত্তাহীন অবস্থায় আছি। একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে আমাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে, জোরপূর্বক টাকা আদায়ের চেষ্টা করে এবং আমার ব্যবসা ও সম্পদ দখলের উদ্দেশ্যে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছে। সেই চক্রটি হলো মৃত মানিক রাঢ়ীর পুত্র রাতুল ইসলাম মুন্না, সুকুমার হাওলাদার পুত্র সজল হাওলাদার, সেকেন্দার আলী তালুকদারের পুত্র শাহ আলম হাফিজ, মোঃ ফারুক হোসেনের পুত্র মোঃ সাদ্দাম হোসেন, রাজু হাওলাদারের পুত্র রিয়াজ হাওলাদার কর্মচারীকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হয়।

 

আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে রিয়াজ নামে একজন কর্মচারী দীর্ঘ প্রায় ৫ থেকে ৭ বছর ধরে আমার প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। আমি তার কাছে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা পাওনা আছে। যার ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তিপত্র আছে। পরবর্তীতে ওই কর্মচারীকে নিয়ে মাদক সেবন ও মাদক রাখার অভিযোগ ওঠলে ওই কর্মচারীর সঙ্গে আমার কথা কাটাকাটি হয় এবং তাকে আমার প্রতিষ্ঠান থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। ফলে ওই কর্মচারী ও তার সঙ্গে থাকা কয়েকজনের মাধ্যমে আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া শুরু হয়। সে স্থানীয় কিছু লোকজনকে ব্যবহার করে আমাকে শায়েস্তা করা হবে এবং আমি কীভাবে ব্যবসা করি তা দেখিয়ে দিবে বলে হুমকি দেয়।

 

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ আনুমানিক বেলা ১১টার দিকে, আমি বরিশাল থেকে অটোরিকশার যন্ত্রাংশসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে আসি। ওই সময় রাতুল ইসলাম মুন্না, সজল হাওলাদার আমার কাছে এসে বলে, আমার গাড়ি দুর্ঘটনা করেছে এবং একজনের হাত ভেঙে গেছে এমনকি গাড়িতে লাশ রয়েছে বলেও আমাকে ভয় দেখানো হয় এবং একপর্যায় তারা আমাকে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে আমাকে বিনায়কাঠি চৌমাথা এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে একজন অপরিচিত নারী আমার কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন।

 

আমি টাকা দিতে অস্বীকার করলে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে রাতুল ইসলাম মুন্না আমাকে মারধর করেন ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়।এরপর শাহ আলম হাফিজ ও মোঃ সাদ্দাম হোসেন আমাকে জোর করে একটি ঘরের ভেতরে নিয়ে যান। সেখানে আমার কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করে এবং আমাকে মারধর করতে থাকে ।

আমাকে লাঠি ও লোহার রড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়। আমি প্রাণ বাঁচানোর জন্য তাদের হাত পা ধরি আমাকে না মারার জন্য অনুরোধ করি। পরবর্তীতে তারা নন জুডিশিয়াল ব্লাঙ্ক ষ্ট্যাম্পে আমার জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেয়। আমাকে জিম্মি করে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন মালামাল, কাগজপত্র এবং আমার মালিকানাধীন একাধিক অটোগাড়ী, অটোরিকশা, মোটরসাইকেল, অটোভ্যান, ম্যাজিক ও পিকআপসহ বিভিন্ন যানবাহন তারা জবর দখল করে নিয়ে যায়। এছাড়াও আমার গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক কাগজপত্র, গাড়ীর কাগজ পত্রসহ একটি ব্যাগ তারা নিয়ে যায়। ওই ব্যাগে বিভিন্ন দরকারি কাগজপত্র এবং কয়েকটি ডিড/চুক্তিপত্র ছিল। ঘটনার পর আমি থানায় গিয়ে জিডি করি। এ বিষয়ে উল্লেখিত চক্রের বিরদ্ধেগত ৭ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ ঝালকাঠি সদর থানায় এজাহার দায়ের করলে আসামী রাতুর ইসলাম মুন্নাকে দোষী সাব্যস্ত করে চার্জশীট দেয়া হয়েছে। এচাড়াও ঝালকাঠি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ফৌজদারী কার্য্যবিধির ৯৮ধারায় মামলা নং ২৫৪/২০২৬ এবং চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল, ঝালকাটিতে আইন শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইনে মামলা করি যার নং: ০৩/২০২৬ (ঝাল) যা চলমান আছে।

 

তিনি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানান, একজন ব্যবসায়ী হিসেবে নিরাপদে বাঁচতে চান, ব্যবসা করতে চান এবং ন্যায্য বিচার চান। তার ছিনাইয়া নেয়া সম্পদ ও মালামাল ফেরত চান এবং তার জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তিনি আসামীদের াত্যাচার নির্যাতনের ফলে বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network