1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
সাগরে ইলিশের আকাল, বরগুনার হতাশ জেলেরা - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বিএনপি থেকে পদত্যাগ করলেন মির্জা ফখরুল জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের স্থাবর নিদর্শনের ক্ষতি করলে ১০ বছরের কারাদণ্ড বাকেরগঞ্জে মৃত্যুর কাছে হেরে গেলেন বোমা বিস্ফোরণে গুরুত্বর দগ্ধ হনুফা আগৈলঝাড়ায় ওসির নেতৃত্বে ইয়াবাসহ ছয় জন ব্যবসায়ী গ্রেফতার গৌরনদীতে নয়জন কর্মকর্তাকে বিদায়ী সংবর্ধনা লালমোহনে প্রধান শিক্ষকের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন উজিরপুরে কলেজ মাঠ দখলমুক্ত রাখার দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সমাবেশ নিষিদ্ধ পলিথিন বন্ধে ঝালকাঠিতে সচেতনতামূলক সভা বানারীপাড়ার সেই অদম্য মেধাবী তাওহীদের লেখাপড়ার দায়িত্ব নিলেন অ্যাডভোকেট পলাশ বাবুগঞ্জে বিকেলে উপজেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ, রাতেই আবার দখল!

সাগরে ইলিশের আকাল, বরগুনার হতাশ জেলেরা

  • আপডেট সময় : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : দীর্ঘ ৬৫ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষে নতুন আশায় সাগরে ফিরেছিলেন বরগুনার জেলেরা। আশা ছিল, ভরা মৌসুমে জালে উঠবে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে ফিরেও আশানুরূপ মাছ না পাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছেন জেলে ও মাছ ব্যবসায়ীরা। সরবরাহ কম থাকায় বরগুনায় বাজারে ইলিশের দামও বেড়েছে।

সরজমিনে পাথরঘাটা ফিশারি ঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার মাছের আনাগোনা অনেক কম। আড়তগুলোতে নেই স্বাভাবিক ব্যস্ততা। জেলেদের কেউ জাল গুটিয়ে বসে আছেন, আবার কেউ জাল-দড়ি পরিষ্কার করছেন।

জেলেরা জানান, নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে যাওয়ার আগে অনেকে ধারদেনা করে জাল, দড়ি, জ্বালানি ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কিনেছিলেন। মাছ বিক্রি করে সেই টাকা পরিশোধের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু সাগরে মাছ না পাওয়ায় এখন অনেকের মূল খরচই উঠছে না।

জেলে রফিক বলেন, নিষেধাজ্ঞা শেষে অনেক আশা নিয়ে সাগরে গিয়েছিলাম। কিন্তু জালে তেমন ইলিশ উঠছে না। নৌকার তেল, বরফ ও শ্রমিকের খরচই ঠিকমতো উঠছে না। এভাবে চললে ঋণের টাকা কীভাবে পরিশোধ করব, বুঝতে পারছি না।

আরেক জেলে হোসেন মিয়া বলেন, আগের বছর এই সময়ে সাগরে ভালো ইলিশ পাওয়া গেছে। এবার কয়েকবার সাগরে গিয়েও তেমন মাছ পাইনি। সারাদিন জাল ফেলে সামান্য মাছ নিয়ে ফিরতে হচ্ছে। এতে আমাদের লোকসান হচ্ছে।

জেলে মো. কামাল বলেন, ধারদেনা করে জাল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত করেছিলাম। ভেবেছিলাম ইলিশ বিক্রি করে খরচ তুলে ঋণ পরিশোধ করব। কিন্তু মাছের দেখা না পাওয়ায় এখন পরিবার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে।

জেলেদের ভাষ্য, কোথাও দুই-এক কেজি, আবার কোথাও পাঁচ-ছয় কেজি ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু এ পরিমাণ মাছ দিয়ে নৌকার জ্বালানি, বরফ, শ্রমিকের মজুরি ও অন্যান্য খরচ মেটানো কঠিন। তাদের হিসাবে, অন্য বছরের তুলনায় এবার ইলিশের পরিমাণ প্রায় ১০ শতাংশে নেমে এসেছে।

বরগুনার পোটকাখালি টিপু জানান, তার ৬টি মাছ ধরার ট্রলার রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা শেষে তিনি আশা করেছিলেন আগের বছরের মতো প্রচুর ইলিশ ধরা পড়বে। কিন্তু এবার তার উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে।

তিনি বলেন, অন্যান্য বছর অভিযান শেষে অনেক মাছ ধরা পড়েছে এবং আড়তে এসেছে। কিন্তু এবার তার দশ ভাগের এক ভাগও উঠছে না। পরিবার-পরিজন নিয়ে কষ্টে আছি। কীভাবে পরিবার চালাব, মহাজনের দাদনের টাকাই বা শোধ করব কীভাবে?

বরগুনার মাছ ব্যবসায়ীরা বলছেন, ইলিশের সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাজারে দাম বেড়েছে। অল্প যে ইলিশ আসছে, তা কিনতেও ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে বেশি টাকা। ফলে সাধারণ ক্রেতাদের অনেকেই ইলিশ কেনার সামর্থ্য হারাচ্ছেন।

 

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network