1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
দুই সন্তানের বাবাকে শিশু সাজিয়ে জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি! - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পোশাক শিল্পে মূল্য সংযোজন বাড়াতে বাংলাদেশে বড় সম্ভাবনা দেখছে দক্ষিণ কোরিয়া গণমাধ্যম শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে : মির্জা ফখরুল পিরোজপুরের ফেরিতে উঠতে গিয়ে গরু নিয়ে নদীতে পিকআপ! ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ লাইন মেরামতের দাবিতে নলছিটিতে ওজোপাডিকো ঘেরাও বরিশাল মহানগর পুলিশের ২২তম কমিশনার হিসেবে যোগ দিলেন আবু রায়হান মুহম্মদ সালেহ বরিশালে ১১ দলীয় ঐক্যের অবস্থান কর্মসূচি বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি পেশ টানা বৃষ্টিতে কলাপাড়া বিপর্যস্ত, বাড়ছে জলাবদ্ধতা ওসিকে এনসিপি নেতা : আপনারা কি তখন দেখেন নাই, এই পুলিশকে আমরা পিটিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছিলাম ঝালকাঠি এনএস কামিল মাদরাসায় মাদক বিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত তালতলী উপজেলা শিক্ষক সমিতির কমিটি গঠন

দুই সন্তানের বাবাকে শিশু সাজিয়ে জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি!

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: গাইবান্ধা আদালতে ২৫ বছরের এক যুবককে শিশু পরিচয়ে ভুয়া জন্মসনদ দেখিয়ে জামিনে মুক্ত করার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আদালতের নথি জালিয়াতি, আসামির পরিচয় পরিবর্তন এবং শিশু আদালতকে ভুল পথে পরিচালিত করার অভিযোগ রয়েছে।

মামলার নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ১৫ জুলাই সেনাবাহিনীর অভিযানে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুক কানুপুরে শ্বশুরবাড়ি থেকে পলাশ রানাসহ চারজনকে সরকারি ভাতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আটক করা হয়। পরে আদালত তাদের কারাগারে পাঠান। এজাহারে পলাশ রানার বয়স ২৫ বছর উল্লেখ করা হয়।

এদিকে ফৌজদারি মিস মামলা নং ৯৩৫/২৫ গাইবান্ধা দায়রা জজ আদালতে জামিন শুনানির জন্য পেন্ডিং ছিল। ওই মামলায় এলসিআর (Lower Court Record, নিম্ন আদালতের রেকর্ড) সংযুক্ত ছিল। কিন্তু ৩ আগস্ট ২০২৫ তারিখে একই আইনজীবী ও ল-ক্লার্কের সহায়তায় পলাশ রানা নাম পরিবর্তন করে ‘পলাশ মিয়া’ বানিয়ে নতুন জন্মসনদ তৈরি করা হয় এবং তাকে শিশু দেখিয়ে গাইবান্ধা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এ জামিন আবেদন করা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, শিশু আদালতে ওই মামলার এলসিআর না থাকলেও বিচারক মামলাটিকে ‘পেটি কেস’(সাধারণত ছোটখাটো, তুলনামূলকভাবে গুরুত্বহীন বা হালকা ধরনের অপরাধমূলক মামলা) ভেবে এবং আইনজীবীর কথায় বিশ্বাস রেখে ‘গুড ফেইথে’ জামিন মঞ্জুর করেন।

১২ আগস্ট ধার্য তারিখে যখন পলাশ রানার হাজিরা দেওয়ার কথা, তখন আদালতে জানা যায়—তিনি শিশু আদালত থেকে জামিন নিয়ে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। খবরটি ছড়িয়ে পড়তেই আদালত পাড়ায় তোলপাড় শুরু হয়।

অভিযুক্ত আইনজীবী শেফাউল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, এই প্রতারণার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। নিয়ম মেনেই তিনি জামিন আবেদন করেছেন। এ ঘটনায় গাইবান্ধা সদর উপজেলার দক্ষিণ ধানঘড়া গ্রামের মো. রহমত আলী নামে এক ব্যক্তি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে নারী ও শিশু আদালতের পিপি আবু বকর সিদ্দিক ছানা এবং অ্যাডভোকেট শেফাউল ইসলামের বিরুদ্ধে গুরুতর পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগ এনে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

আইনজীবী মহল মনে করছেন, আদালতে এমন জালিয়াতি হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দীর্ঘ প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। তারা বলছেন, সুষ্ঠু তদন্ত হলে গাইবান্ধা আদালতের বহু অনিয়ম বেরিয়ে আসবে। এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network