1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
পটুয়াখালীতে আমন ধানের বাম্পার ফলনেও লাভের মুখ দেখছেন না চাষিরা - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পোশাক শিল্পে মূল্য সংযোজন বাড়াতে বাংলাদেশে বড় সম্ভাবনা দেখছে দক্ষিণ কোরিয়া গণমাধ্যম শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে : মির্জা ফখরুল পিরোজপুরের ফেরিতে উঠতে গিয়ে গরু নিয়ে নদীতে পিকআপ! ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ লাইন মেরামতের দাবিতে নলছিটিতে ওজোপাডিকো ঘেরাও বরিশাল মহানগর পুলিশের ২২তম কমিশনার হিসেবে যোগ দিলেন আবু রায়হান মুহম্মদ সালেহ বরিশালে ১১ দলীয় ঐক্যের অবস্থান কর্মসূচি বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি পেশ টানা বৃষ্টিতে কলাপাড়া বিপর্যস্ত, বাড়ছে জলাবদ্ধতা ওসিকে এনসিপি নেতা : আপনারা কি তখন দেখেন নাই, এই পুলিশকে আমরা পিটিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছিলাম ঝালকাঠি এনএস কামিল মাদরাসায় মাদক বিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত তালতলী উপজেলা শিক্ষক সমিতির কমিটি গঠন

পটুয়াখালীতে আমন ধানের বাম্পার ফলনেও লাভের মুখ দেখছেন না চাষিরা

  • আপডেট সময় : বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : দীর্ঘ দুই যুগ ধরে দক্ষিণাঞ্চলের জেলা পটুয়াখালীতে নিয়মিতভাবে আমন ধানের বাম্পার ফলন হলেও কৃষি উপকরণ ও শ্রমিকের খরচ বেড়ে যাওয়ায় আর্থিকভাবে তেমন কোনো পরিবর্তন আসছে না প্রান্তিক কৃষকদের জীবনে। উৎপাদন ভালো হলেও সার, বীজ, কীটনাশক ও শ্রমিক মজুরির উচ্চমূল্যের কারণে ধান চাষ করে লাভের মুখ দেখছেন না তারা।

 

পটুয়াখালী সদর উপজেলাসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় চলতি মৌসুমে অনুকূল আবহাওয়ার কারণে আমন ধানের ফলন হয়েছে চোখে পড়ার মতো।

 

 

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবি, এ বছর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রাও ছাড়িয়েছে। তবে মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের বাস্তব চিত্র ভিন্ন।

 

 

কৃষকদের অভিযোগ, গত ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ইউরিয়া সারের মূল্য যেখানে ছিল প্রতি বস্তা ১ হাজার ১০০ টাকা, সেখানে চলতি মৌসুমে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৫০ টাকায়। পাশাপাশি বীজ ও কীটনাশকের দামও দিন দিন বাড়ছে। অথচ ধানের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

 

বর্তমানে এক মণ ধান কৃষকদের বিক্রি করতে হচ্ছে মাত্র ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫০ টাকায়। কৃষকদের অভিযোগ, পাইকারদের কারসাজির কারণে বাজারে ধানের দাম স্থিতিশীল থাকছে না। ফলে সারা বছরের সংসার চালানো ও সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ মেটানো কঠিন হয়ে পড়ছে।

 

 

কৃষকরা জানান, হাড়ভাঙা খাটুনি করেও তাদের ভাগ্যে জোটে না একবেলা ভালো খাবার। আলাদা আলাদা কৃষক হলেও সবার বক্তব্য একই— এই পেশায় টিকে থাকতে হলে কৃষি উপকরণের দাম কমানো জরুরি।

 

 

এ বিষয়ে জেলার একাধিক সার ডিলার জানান, ইউরিয়া সারের দাম বাড়লেও অন্যান্য সার ও কীটনাশকের দাম স্বাভাবিক রয়েছে।

 

 

পটুয়াখালী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ড. মোহাম্মদ আমানুল ইসলাম বলেন, “চলতি মৌসুমে মাঠ পর্যায়ে ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

 

 

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে পটুয়াখালী জেলায় মোট ১ লাখ ৮৯ হাজার ৮৩৮ হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৮৪ হাজার মেট্রিক টন, যার আনুমানিক বাজার মূল্য ২ হাজার ৫৯৯ কোটি টাকা।

 

 

তবে কৃষকদের দাবি, উৎপাদন বাড়লেই হবে না—ন্যায্যমূল্য ও উৎপাদন খরচ কমানো না গেলে তাদের ভাগ্যের চাকা ঘোরানো সম্ভব নয়।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network