1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
তালতলীর টেংরাগিরি কুমির প্রজনন কেন্দ্র: একটিও বেঁচে নেই - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বাকেরগঞ্জে বিভিন্ন দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন এমপি আবুল হোসেন খান শার্শায় প্রকাশ্যে পিস্তল প্রদর্শন করে হত্যার হুমকির অভিযোগ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে উত্তাল ইন্দোনেশিয়া, সামাল দিতে পুলিশ মোতায়েন ঝালকাঠিতে পেঁপের বাম্পার ফলন, কম দামে লোকসানে কৃষক মঠবাড়িয়ার ঐতিহ্যবাহী রাজ মন্দিরে অভিনেত্রী পূজা চেরী সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গড়তে চাই : প্রধানমন্ত্রী ভাণ্ডারিয়ায় দুর্গাপূজার মণ্ডপ ও সম্প্রীতি উন্নয়নকাজ পরিদর্শন করলেন গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী বাকেরগঞ্জে দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু দেবালয় পূজামণ্ডপ কাউখালীতে টেইলার্স ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার আখচাষীদের ১২ কোটি টাকা প্রণোদনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

তালতলীর টেংরাগিরি কুমির প্রজনন কেন্দ্র: একটিও বেঁচে নেই

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : বরগুনার তালতলী টেংরাগিরি ইকোপার্কের কুমির প্রজনন কেন্দ্র দীর্ঘ এক যুগ পেরিয়েও সফলতার মুখ দেখেনি। ‘টেংরা’ ও ‘ছখিনা’ নামের কুমির দুটি নিয়মিত ডিম দিলেও জন্ম নেওয়া কোনো শাবকই টিকে থাকছে না। অভিযোগ রয়েছে, বনবিভাগের চরম দায়িত্বহীনতা আর দক্ষ জনবলের অভাবে একের পর এক কুমির শাবকের মৃত্যু হচ্ছে।

জানা গেছে, টেংরাগিরি ইকোপার্কের প্রধান আকর্ষণ হিসেবে ২০১১-১২ অর্থবছরে বন বিভাগের উদ্যোগে মিঠাপানির কুমির সংরক্ষণ ও বংশবিস্তারের লক্ষ্য নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছিল কুমির প্রজনন কেন্দ্রটি। শুরুতে একটি পুরুষ ও একটি স্ত্রী কুমির দিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর  মা কুমির ‘ছখিনা’ প্রতি বছর গড়ে ৮ থেকে ১০ টি ডিম দিয়ে ১৩ বছরে শতাধিক শাবক জন্ম নিলেও কোন শাবককে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

প্রজনন নীতিমালা অনুযায়ী, ডিম ফুটে শাবক বের হওয়ার পরপরই সেগুলোকে বড় কুমির থেকে আলাদা করে নিরাপদ পরিবেশে লালন-পালনের কথা থাকলেও বাস্তবে তার সঠিক প্রতিফলন ঘটছে না। অভিযোগ উঠেছে, এই অব্যবস্থাপনার কারণে প্রতিনিয়ত বড় কুমিরের আক্রমণে প্রাণ হারাচ্ছে নবজাতক শাবকগুলো। এতে ব্যাহত হচ্ছে কুমির প্রজনন কেন্দ্রের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

কুমির প্রজনন কেন্দ্রটি ঘুরে দেখা যায়, কুমিরের একটি শাবক নতুন পৃথিবীর আলো দেখামাত্রই শুরু হয়েছে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। পানিতে ঘুরে বেড়াচ্ছে সদ্যজাত শাবকটি। তার এই অস্থির ছোটাছুটি দেখে দর্শনার্থীদের মনে আনন্দ নয়, বরং বেড়েছে আশঙ্কা। আগের শাবকগুলোও একইভাবে জন্ম নিয়েছিল, কিন্তু বড় কুমিরের আক্রমণে কেউ টিকে থাকতে পারেনি। এমতাবস্থায় সংশয় জেগেছে, এই নতুন শাবকটি টিকে থাকবে নাকি আগের গুলোর মত অকালে ঝরে যাবে।

স্থানীয় বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম অমি বলেন,  ‘মা কুমিরটি প্রতিবছর বাচ্চা জন্ম দেয় কিন্তু সেগুলোকে বাঁচানোর কার্যকর কোন উদ্যোগ নেই। তাই আমরা দক্ষ জনবল নিয়োগ ও কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করার দাবি জানাই।’

পরিবেশকর্মী মোঃ শহিদুল ইসলাম মিলন বলেন, ‘দেশের অন্যান্য প্রজনন কেন্দ্রে কুমিরের সংখ্যা বাড়লেও টেংরাগিরিতে তার উল্টো চিত্র দেখা গেছে। যার কারণে, প্রজনন কেন্দ্রটি তার উদ্দেশ্য হারিয়েছে এবং ব্যর্থ হয়েছে সম্ভাবনাময় সংরক্ষণ উদ্যোগ ও পর্যটন সম্ভাবনা।’

বন বিভাগের সখিনা বিট কর্মকর্তা রাহিমুল ইসলাম জুয়েল বলেন, ‘শাবক জন্মের পর সেগুলোকে আলাদা করে লালন-পালনের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল নেই। ফলে বড় কুমিরের আক্রমণ থেকে শাবকগুলোকে রক্ষা করা যাচ্ছে না।’

তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘টেংরাগিরি কুমির প্রজনন কেন্দ্রের বিষয়টি ইতোমধ্যে বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল নিয়োগ এবং আধুনিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। শীঘ্রই এর সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network