1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
নেছারাবাদে জমি নিয়ে বিরোধ : দাও উঁচিয়ে প্রতিপক্ষকে তাড়া করলেন সাবেক পুলিশ সদস্য - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৭:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম বদলে মায়ের নামে করার আবেদন বিএনপি এমপির কলাপাড়ায় খালে অবৈধ বাঁধের অভিযোগ, জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে ঘরবাড়ি ও সড়ক কলাপাড়ায় ১১৯১ মৃত ব্যক্তির নামে ভাতা গ্রহণ, ইউএনও’র তৎপরতায় চিহ্নিত জাতীয় পর্যায়ে ৫ম স্থান অর্জন করলো- চরফ্যাশন রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের উজিরপুর পৌরসভায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন ভোলা সরকারি স্কুলের উন্নয়ন কাজে নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ: কর্তৃপক্ষের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ব বরিশালে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত কলকাতায় মোশাররফ করিমকে হেনস্তার, যা বললেন অভিনেতা মূলধারার বাইরে এখন সিটিজেন জার্নালিজম তৈরি হয়েছে : তথ্যমন্ত্রী কলাপাড়ায় দুদক, দুপ্রক ও গণমাধ্যম কর্মীদের মধ্যে মতবিনিময় সভা

নেছারাবাদে জমি নিয়ে বিরোধ : দাও উঁচিয়ে প্রতিপক্ষকে তাড়া করলেন সাবেক পুলিশ সদস্য

  • আপডেট সময় : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সমুদয়কাঠি ইউনিয়নের শেহাংগল গ্রামে পূর্ব জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মোঃ ফিরোজ হোসেন নামে এক অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন, হাতে দাও নিয়ে তেড়ে আসা এবং অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করার অভিযোগ উঠেছে। তার এমন কর্মকাণ্ডে বিশেষ করে বাড়িতে একা থাকা নারী ও বৃদ্ধরা আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। ফিরোজ হোসেন ওই গ্রামের মৃত আজাহার হোসেন এর ছেলে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শেহাংগল গ্রামের গৃহবধূ তাসলিমা বেগম ও ৭০ বছর বয়সী মোসা. ফজিলা বেগমের পরিবারের সঙ্গে ফিরোজ হোসেনের পূর্বে জমি সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। স্থানীয়ভাবে বিষয়টির নিষ্পত্তি হলেও সেই বিরোধের জের ধরে এখনও তাদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

ADVERTISEMENT

 

গৃহবধূ তাসলিমা বেগম বলেন, “ফিরোজ হোসেন আমাদের আত্মীয় বাবলু মিয়ার কাছ থেকে একটি জমি কিনেছিলেন। ওই জমিতে আমাদেরও ওয়ারিশি অংশ ছিল। বিষয়টি নিয়ে কিছুদিন বিরোধ থাকলেও পরে তিনি জমি বুঝে নিয়ে ভোগদখলে আছেন। কিন্তু সেই পুরোনো বিরোধের জের ধরে এখনও তিনি আমাদের বিভিন্ন সময় অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। প্রতিবাদ করলেই হাতে দাও নিয়ে তেড়ে আসেন।” তিনি আরও বলেন, “আমার স্বামী ঝালকাঠিতে চাকরি করেন। আমি মেয়েকে নিয়ে বাড়িতে থাকি। ফিরোজ হোসেনের এমন আচরণের কারণে সবসময় আতঙ্কে থাকতে হয়। নিরাপত্তার জন্য ঘরের কেচিগেট বন্ধ করে থাকতে হয়।”

 

একই ধরনের অভিযোগ করেন বৃদ্ধা মোসা. ফজিলা বেগম। তিনি বলেন, “ফিরোজ আমাদের গোষ্ঠীর এক ব্যক্তির কাছ থেকে জমি কিনেছিলেন। কিন্তু তিনি মাঝে মধ্যে আমাদের বাড়ির পাশ থেকে নারিকেল ও সুপারি নিয়ে যান। ভয়ে বাধা দিতে পারি না। তিনি খুব খারাপ ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং হাতে দাও নিয়ে ঘুরে বেড়ান। কেউ প্রতিবাদ করলে তার দিকেই দাও নিয়ে তেড়ে যান।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, “আমার ছেলেরা বাইরে থাকে। তাই ভয়ে কিছু বলি না। তিনি সাবেক পুলিশ সদস্য হওয়ায় উল্টো আমাদের পুলিশি ঝামেলার ভয় দেখান।”

 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ফিরোজ হোসেন বলেন, “ওরা আমার জমি থেকে নারিকেল-সুপারি পেড়ে নিয়ে যায়। এজন্য মাঝে মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। আমি জমিতে কাজ করি, তাই হাতে একটি বাংলা দাও থাকে। আমি আইনের লোক, আইন সম্পর্কে জানি।”

 

এ বিষয়ে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শাহজাহান বেপারী বলেন, “ফিরোজ হোসেনের সঙ্গে তাসলিমা ও ফজিলাদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। পরে স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তি হয়েছে। আমিও সেই সালিশে উপস্থিত ছিলাম। কিন্তু বিরোধ মিটে যাওয়ার পরও তিনি প্রায়ই তাদের অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং হাতে দাও নিয়ে ঘোরাফেরা করেন। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকেও তেড়ে মারতে যান। আমিও প্রতিবাদ করায় গালিগালাজের শিকার হয়েছি।”

 

এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগীরা তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network