1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
সব পরিস্থিতিতে শান্ত থাকার ৩ উপায় - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৭:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম বদলে মায়ের নামে করার আবেদন বিএনপি এমপির কলাপাড়ায় খালে অবৈধ বাঁধের অভিযোগ, জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে ঘরবাড়ি ও সড়ক কলাপাড়ায় ১১৯১ মৃত ব্যক্তির নামে ভাতা গ্রহণ, ইউএনও’র তৎপরতায় চিহ্নিত জাতীয় পর্যায়ে ৫ম স্থান অর্জন করলো- চরফ্যাশন রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের উজিরপুর পৌরসভায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন ভোলা সরকারি স্কুলের উন্নয়ন কাজে নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ: কর্তৃপক্ষের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ব বরিশালে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত কলকাতায় মোশাররফ করিমকে হেনস্তার, যা বললেন অভিনেতা মূলধারার বাইরে এখন সিটিজেন জার্নালিজম তৈরি হয়েছে : তথ্যমন্ত্রী কলাপাড়ায় দুদক, দুপ্রক ও গণমাধ্যম কর্মীদের মধ্যে মতবিনিময় সভা

সব পরিস্থিতিতে শান্ত থাকার ৩ উপায়

  • আপডেট সময় : শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

লাইফস্টাইল ডেস্ক : আপনার পরিচিত সফল কারও দিকে খেয়াল করে দেখবেন, খুব কম সময়েই বিচলিত মনে হয়। তাদের খুব কমই উচ্চস্বরে কথা বলতে বা আবেগপ্রবণ প্রতিক্রিয়া দেখাতে দেখা যায়। অবশ্যই শান্ত থাকতে বলা যতটা সহজ, করা ততটা সহজ নয়। আমরা সবাই কোনো না কোনো সময় চাপপূর্ণ পরিস্থিতির সম্মুখীন হই। ক্রুদ্ধ গ্রাহক, রাগী বস, পারিবারিক দ্বন্দ্ব, আর্থিক দুশ্চিন্তা অথবা এমন একটি দিন যখন মনে হয় সবকিছু একসঙ্গে ভুল হচ্ছে। তবে সুখবর হলো, স্থির থাকতে জানাটা জন্মগত কোনো গুণ নয়। এটি একটি দক্ষতা।

১. সঙ্গে সঙ্গে প্রতিক্রিয়া দেখাবেন না
সবার আগে আপনাকে একজন ভালো শ্রোতা। কথাটা শুনতে সহজ মনে হলেও আশ্চর্যজনকভাবে এটি বিরল। বেশিরভাগ মানুষই মানসিক চাপে থাকলে আসলে শোনে না। অন্য ব্যক্তি কথা বলতে থাকার সময়েই তারা নিজেদের উত্তর প্রস্তুত করে ফেলে। তারা অন্যের কথা শোনা বাদ দিয়ে নিজের পক্ষ সমর্থন করতে, পাল্টা জবাবের পরিকল্পনা করতে বা সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি কল্পনা করতে শুরু করে দেয়। আপনাকে ঠিক এর ঠিক উল্টোটা করতে হবে। প্রথমে তথ্য আত্মস্থ করুন এবং পরে উত্তর দিন।

 

দ্রুততম প্রতিক্রিয়া সবসময় সেরা প্রতিক্রিয়া নয়। ভেবে দেখুন, কোনো বার্তা, মন্তব্য বা সমালোচনার জবাবে কেউ সঙ্গে সঙ্গে প্রতিক্রিয়া দেখানোর কারণে কত তর্ক শুরু হয়। তাড়াহুড়া করে দেওয়া উত্তর বেশিরভাগ সময় মূল সমস্যার চেয়ে বড় সমস্যা তৈরি করে। পরেরবার যখন আপনি কোনো চাপের মুখোমুখি হবেন, আপনার প্রতিক্রিয়া বিলম্বিত করার চেষ্টা করবেন। এর মানে এই নয় যে কঠিন আলোচনা এড়িয়ে চলতে হবে। এর সহজ অর্থ হলো, আবেগ থেকে তথ্যকে আলাদা করার জন্য নিজেকে যথেষ্ট সময় দেওয়া। শান্ত স্বভাবের মানুষ মানেই যে কম আবেগপ্রবণ, তা নয়। বরং তারা সব সময় আবেগের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না।

 

২. সমস্যা সমাধানে মনোযোগ দিন
প্রতিটি আলোচনায় জেতার চেষ্টা না করে আলোচনাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দিকে মনোযোগ দিন। এই মানসিকতা কর্মক্ষেত্রের বাইরেও উপকারী। অনেক পরিস্থিতি চাপ সৃষ্টি করে কারণ এতে আমাদের অহং জড়িয়ে পড়ে। সহকর্মী আমাদের আইডিয়ার সমালোচনা করতে পারে। বন্ধু আমাদের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করতে পারে। কেউ হয়তো ভুল ধরিয়ে দেয়। তখন হঠাৎ করেই আমাদের অনেকের লক্ষ্য সমস্যা সমাধান থেকে সরে গিয়ে আত্মরক্ষায় পরিণত হয়। কিন্তু আসল কথা হলো, সঠিক হওয়া সবসময় জীবনকে সহজ করে না।

 

কল্পনা করুন, আপনি পরিবারের কোনো সদস্যের সঙ্গে তর্কে আটকে আছেন। আপনি হয়তো তর্কে জিততে পারেন, কিন্তু তারপরেও সম্পর্কটা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কখনও কখনও একটি সহজ প্রশ্ন করার মাধ্যমেই স্থিরতা আসে- আমি আসলে এখানে কী ফলাফল চাই? আপনি কি শান্তি চান? অগ্রগতি? কোনো সমাধান? নাকি আপনি শুধু নিজের বক্তব্য প্রমাণ করতে চান? এগুলো খুব ভিন্ন লক্ষ্য। যারা শান্ত থাকেন, তারা জয়ের চেয়ে ফলাফলের ওপর বেশি মনোযোগ দেন।

৩. দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি রাখুন
দিনের পরিবর্তে বছরের হিসাবে চিন্তা করুন। অনেক মানুষ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে কারণ তারা প্রতিটি ব্যর্থতাকে একটি বিপর্যয় হিসাবে দেখে। একটি খারাপ মিটিংকে ক্যারিয়ারের ব্যর্থতা বলে মনে হয়। একটি ভুলকে স্থায়ী বলে মনে হয়। একটি প্রত্যাখ্যানকে পথের শেষ বলে মনে হয়। কিন্তু বেশিরভাগ সমস্যাই সেই মুহূর্তে যতটা বড় মনে হয়, তার চেয়ে ছোট। কোনো কিছুই রাতারাতি ঘটে না। সাফল্য আকস্মিক উল্লম্ফনের মাধ্যমে নয়, বরং ধারাবাহিক অগ্রগতির মাধ্যমে অর্জিত হয়। এই একই নীতি দৈনন্দিন চ্যালেঞ্জের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

যখন কোনো চাপপূর্ণ ঘটনা ঘটে, তখন নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন- এক বছর পর কি এটা কোনো ব্যাপার হবে? অনেক সময়, উত্তরটি হয়- না। এর মানে এই নয় যে আপনার বর্তমান সমস্যাটি বাস্তব নয়। এটি কেবল বিষয়গুলোকে সঠিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে সাহায্য করে। আজকের হতাশা সাধারণত একটি অনেক বড় গল্পের একটি ছোট অধ্যায় মাত্র। এভাবে চিন্তা করলে শান্ত থাকা সহজ হবে। যারা সব পরিস্থিতিতে শান্ত থাকেন, তারাও চাপ অনুভব করেন। তবে সেটি তারা নিজেরাই বুদ্ধি, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা দিয়ে সামলে নিতে পারেন।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network