ভোলা সরকারি স্কুলের উন্নয়ন কাজে নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ: কর্তৃপক্ষের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ব
আপডেট সময় :
মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬
ভোলা সরকারি স্কুলের উন্নয়ন কাজে নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ: কর্তৃপক্ষের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ব
মোঃমনছুর আলম, জেলা প্রতিনিধি ভোলা: ভোলা সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় চলমান উন্নয়নমূলক বিশলাক্ষ টাকা বরাদ্দের কাজে নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসী, অভিভাবক ও সচেতন মহলের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্কুলের অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে চলমান নির্মাণকাজে ব্যবহৃত ইটের মান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, নির্মাণকাজে ব্যবহৃত অনেক ইট সহজেই ভেঙে যাচ্ছে এবং নির্ধারিত মানদণ্ড অনুসরণ করা হচ্ছে না। এতে ভবিষ্যতে নির্মাণের স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। একাধিক অভিভাবকরা জানান, অভিভাবকরা নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ...
মোঃমনছুর আলম, জেলা প্রতিনিধি ভোলা: ভোলা সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় চলমান উন্নয়নমূলক বিশলাক্ষ টাকা বরাদ্দের কাজে নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসী, অভিভাবক ও সচেতন মহলের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্কুলের অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে চলমান নির্মাণকাজে ব্যবহৃত ইটের মান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, নির্মাণকাজে ব্যবহৃত অনেক ইট সহজেই ভেঙে যাচ্ছে এবং নির্ধারিত মানদণ্ড অনুসরণ করা হচ্ছে না। এতে ভবিষ্যতে নির্মাণের স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
একাধিক অভিভাবকরা জানান, অভিভাবকরা নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন হওয়া জরুরি। কিন্তু নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হলে সরকারি অর্থের অপচয়ের পাশাপাশি গার্ডিয়ানদের নিরাপত্তাও ঝুঁকির মুখে পড়বে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করলে এ ধরনের অভিযোগের সুযোগ থাকত না।
অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে ০১৭১৭২৫২৪০০ নাম্বার থেকে ফোন করে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেয়া হয় এই কাজে যাতে কোন ধরনের মাথা না ঘামানোর জন্য। এব্যাপারে ভোলা জেলা শিক্ষা প্রকৌশলী মোঃ মফিকুল ইসলাম জানান, কাজের এখনো রেজুলেশনই হয়নি সে কিভাবে এই কাজ করে, কাজ করার তথ্য পেয়ে এসে কাজ বন্ধ করে দিয়েছি, তার পড়েও যদি কোন ঠিকাদার কাজ করে এটা তার ব্যক্তিগত ব্যপার এই কাজের কোন বিল পাশ করা হবেনা।
এদিকে এলাকাবাসী উন্নয়নমূলক কাজের মান যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।