নিজস্ব প্রতিবেদক : চরফ্যাশন উপজেলা ওসমান গঞ্জ ইউনিয়ন ৫ নং ওয়ার্ড খোকন ওসমানীর বাড়ির দরজা থেকে ৬নং ওয়ার্ড হারুন সিকদার বাড়ি পর্যন্ত প্রায় দুই কিলো মিটার অলি মিয়া সড়ক টি বেহাল দশা। দীর্ঘদিন ধরেই রাস্তাটির বেহাল অবস্থা, যা চলাচলে মানুষের দুর্ভোগের সৃষ্টি হছে। রাস্তাটি সংস্কারের জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন এলাকা বাসী। এলাকাবাসী জানায় প্রায দুই আগে এ রাস্তাটি মাটির সংস্কার করা হয়েছিল। তারপর থেকে আজ পর্যন্ত এই রাস্তাটিতে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি । তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে উন্নয়নের দিক দিয়ে বরিশাল বিভাগের মধ্যে চরফ্যাসন উন্নয়নের রোল মডেল থাকা সর্ত্যেও উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি এই রাস্তাটি সহ আরো ৫/৭ টি রাস্তা।...
নিজস্ব প্রতিবেদক : চরফ্যাশন উপজেলা ওসমান গঞ্জ ইউনিয়ন ৫ নং ওয়ার্ড খোকন ওসমানীর বাড়ির দরজা থেকে ৬নং ওয়ার্ড হারুন সিকদার বাড়ি পর্যন্ত প্রায় দুই কিলো মিটার অলি মিয়া সড়ক টি বেহাল দশা।
দীর্ঘদিন ধরেই রাস্তাটির বেহাল অবস্থা, যা চলাচলে মানুষের দুর্ভোগের সৃষ্টি হছে। রাস্তাটি সংস্কারের জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন এলাকা বাসী।
এলাকাবাসী জানায় প্রায দুই আগে এ রাস্তাটি মাটির সংস্কার করা হয়েছিল। তারপর থেকে আজ পর্যন্ত এই রাস্তাটিতে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি । তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে উন্নয়নের দিক দিয়ে বরিশাল বিভাগের মধ্যে চরফ্যাসন উন্নয়নের রোল মডেল থাকা সর্ত্যেও উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি এই রাস্তাটি সহ আরো ৫/৭ টি রাস্তা।
কাঁচা রাস্তাটি সংস্কার না হওয়ায় বর্ষাকালে কাদা-পানিতে একাকার হয়ে যায়, যা দিয়ে চলাচল করা খুবই কষ্টকর। এই রাস্তায রয়েছে তিনিটি স্কুল একটি মাদ্রাসা ও চারটি মসজিদ, এ রাস্তা দিয়ে পার্শ্ববতি উপজেলার বৃহ গজারিয়া বাজার মুখী এলাকার হাজার মানুষের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হচ্ছে। এমনকি বৃষ্টির মৌসুম ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার কোমলমতি শিক্ষার্থীদের। রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, রাস্তাটি দিয়ে প্রতিনিয়িত ওই গ্রামের স্কুল-কলেজ- মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, সরকারি ও বেসরকারি চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ সকল পেশাজীবী লোকজন যাতায়াত করেন।
বর্ষা ও বৃষ্টির মৌসুমে কাঁচা রাস্তায় অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
যানবাহন তো দূরের কথা, পায়ে হেঁটে চলাচলও কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে স্কুল-মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রী এবং অসুস্থ রোগীদের চলাচলে চরম সমস্যা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি সংস্কারের জন্য জনপ্রতিনিধিদের জানানো হলেও কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।
বিগত সরকারের আমলে রাস্তাটি সংস্কারের কথা থাকলেও বাস্তবে রূপ নেয়নি। ঘাগড়াছড়ি ভিটার বাসিন্দা ব্যবসায়ী বেলায়েত হোসেন বলেন আমরা ৫/৬ নং ওয়ার্ডে জনগণ বঞ্চিত ও অবহেলিত দীর্ঘদিন আমাদের এই রাস্তাটি কোন সংস্কার করা হয়নি মানুষের চলাফেরা ভোগান্তির শেষ নেই একটু বৃষ্টি হলে মানুষ রাস্তায় চলাফেরা করতে পারে না হাটু পরিমাণ কাঁদা ও বড় বড় গর্ত থাকার কারণে রাস্তাটি দিয়ে চলাফেরা করতে অসুবিধা হয়।
এ রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ চলাফেরা করে। রাস্তাটি সংস্কার না হওয়ার কারণে প্রতিনিয়ত যানবাহন দুর্ঘটনার কবলে পরে। তিনি আরো জানান এ রাস্তাটির সাথে সংশ্লিষ্ট আছে তিনটি প্রাইমারি স্কুল একটি মাদ্রাসা ও চারটি মসজিদ। কোমলমতি শিশুদের স্কুলে পড়ালেখা করতে খুবই কষ্ট হয়। স্কুল কর্তৃপক্ষ অনেক চেষ্টা করো রাস্তাটি সংস্কার করতে পারেনি। রাস্তাটি সংস্কারের জন্য জোর দাবি এলাকাবাসীর।