1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
ভাণ্ডারিয়ায় অতিবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় পচে গেছে বীজতলা, দুশ্চিন্তায় কৃষক - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
অসুস্থ ছাত্রদল নেতা সাদ্দাম খান রনিকে দেখতে হাসপাতালে যান অ্যাডঃ আবুল কালাম শাহীন ৩য় শ্রেণির শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার মামলায় আটক বৃদ্ধ হামলার ঘটনায় মামলা, মুক্তিযোদ্ধা ও পুত্রবধূকে কুপিয়ে জখম বরিশালে এসআরবির অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামী আটক উজিরপুরে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল জব্দ  বরিশাল জেলার শ্রেষ্ঠ ওয়াচ প্রতিবেদন হওয়ায় এএসআই ডিএসবি শামীম হোসেনকে সম্মাননা প্রদান বানারীপাড়ায় সাবেক কাউন্সিলরের ভাইয়ের মৃত্যু নিয়ে “রহস্য” ভাণ্ডারিয়ায় তাঁতীদলের উদ্যোগে দশআনি পুকুর পরিষ্কার, বৃক্ষরোপণ ও বাজার পরিচ্ছন্নতা বিরোধীদলের লংমার্চ নিয়ে ফেসবুক পোস্ট, জিএমপির কর্মকর্তা প্রত্যাহার হাম উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৩৬

ভাণ্ডারিয়ায় অতিবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় পচে গেছে বীজতলা, দুশ্চিন্তায় কৃষক

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬

তরিকুল ইসলাম , ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি: টানা বর্ষণ ও জলাবদ্ধতায় পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আমন ধানের বীজতলা পচে নষ্ট হয়ে গেছে। একই সঙ্গে পানির নিচে তলিয়ে আছে বিস্তীর্ণ আমন ধানের মাঠ। দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতা নিরসনের স্থায়ী ব্যবস্থা না থাকায় পানিতে ডুবে থাকা বীজতলার চারা পচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে আমন চাষ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তা ও হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন উপজেলার অনেক কৃষক।

স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ, খাল ও নালা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৃষ্টির পানি দ্রুত নামতে পারছে না। ফলে দীর্ঘদিন পানির নিচে থাকায় আমনের বীজতলায় পচন ধরেছে। কৃষকরা এখন নতুন করে বীজ ও চারা সংগ্রহের সামর্থ্য হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। উপজেলার ভিটাবাড়িয়া, গৌরীপুর, ধাওয়া ও ইকড়িসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে খোঁজ নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের এমন দুর্ভোগের চিত্র পাওয়া গেছে।

গৌরীপুর ইউনিয়নের কৃষক লাবলু বলেন, আমরা প্রকৃতির ওপর নির্ভর করেই চাষাবাদ করি। কিন্তু টানা বৃষ্টির পর খাল দিয়ে পানি নামার কোনো পথ নেই। খালের মুখগুলো বন্ধ হয়ে আছে। এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে পানির নিচে থাকায় বীজতলার সব চারা পচে কালো হয়ে গেছে। এখন নতুন করে বীজ কেনার টাকাও হাতে নেই। কী করব, বুঝতে পারছি না।

ইকড়ি ইউনিয়নের আতরখালী গ্রামের কৃষক মনির হোসেন আকন ও আব্দুল খালেক মুন্সি বলেন, “ধানের মাঠ আর বীজতলা এখন একাকার হয়ে গেছে। পানির নিচ থেকে পচা গন্ধ বের হচ্ছে। নতুন করে চারা সংগ্রহ করা আমাদের সামর্থ্যের বাইরে। জরুরি ভিত্তিতে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা না হলে শুধু বীজতলা নয়, পুরো আমন মৌসুমই আমাদের নষ্ট হয়ে যাবে।”

একই ইউনিয়নের শিংখালী গ্রামের কৃষক মোজাম্মেল খান বলেন, আগে বৃষ্টি হলেও পানি দ্রুত নেমে যেত। এখন বিভিন্ন জায়গায় খাল ও পানি চলাচলের পথ বন্ধ থাকায় এই দুর্ভোগ তৈরি হয়েছে। নতুন করে বীজতলা করতে গেলে অতিরিক্ত খরচ হবে, যা এখন আমাদের পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়। সরকারের কাছে আমাদের দাবি, আগে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হোক। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করে সহায়তার আওতায় আনা হোক।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, অতিরিক্ত জলাবদ্ধতা এবং স্থানীয়ভাবে পানি চলাচলের বিভিন্ন চ্যানেল বা পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কোথাও কোথাও আমনের বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করলে পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হবে। নতুন করে বীজতলা তৈরি ও উপযুক্ত বীজ সংগ্রহের ক্ষেত্রেও কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে কৃষকদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে। দ্রুত জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দাবি, দ্রুত সরকারি উদ্যোগে পানি নিষ্কাশনের পথগুলো সচল করে জলাবদ্ধতা নিরসন করতে হবে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করে জরুরি ভিত্তিতে বীজ, সার ও পুনর্বাসন সহায়তা দিতে হবে।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network