ভোলায় এসআইয়ের বিরুদ্ধে টাকা আদায় ও অনৈতিক প্রস্তাবের অভিযোগ
আপডেট সময় :
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ভোলায় এসআইয়ের বিরুদ্ধে টাকা আদায় ও অনৈতিক প্রস্তাবের অভিযোগ
মোঃমনছুর আলম জেলা প্রতিনিধি ভোলা : ভোলার দৌলতখানে লিটন হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন ব্যাক্তি শাহবুূ্দ্দিনকে ফাঁসানো ও রিমান্ডের ভয় দেখিয়ে এবং তার বড়ো ভাই প্রবাসী নুরুদ্দীনের স্ত্রীকে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দৌলতখান থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক এস আই জাফরের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, মামলা থেকে শাহাবুদ্দিনকে রেহাই দেওয়ার কথা বলে তাদের কাছ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা দাবি করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই জাফর। এছাড়া শাহাবুদ্দিনের বড়ো ভাই প্রবাসী নুরুদ্দীনকে ফোন দিয়ে তার স্ত্রীকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো সহ নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করার অভিযোগও রয়েছে এস আই জাফরের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি...
মোঃমনছুর আলম জেলা প্রতিনিধি ভোলা : ভোলার দৌলতখানে লিটন হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন ব্যাক্তি শাহবুূ্দ্দিনকে ফাঁসানো ও রিমান্ডের ভয় দেখিয়ে এবং তার বড়ো ভাই প্রবাসী নুরুদ্দীনের স্ত্রীকে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দৌলতখান থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক এস আই জাফরের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, মামলা থেকে শাহাবুদ্দিনকে রেহাই দেওয়ার কথা বলে তাদের কাছ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা দাবি করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই জাফর।
এছাড়া শাহাবুদ্দিনের বড়ো ভাই প্রবাসী নুরুদ্দীনকে ফোন দিয়ে তার স্ত্রীকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো সহ নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করার অভিযোগও রয়েছে এস আই জাফরের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
ভোলার দৌলতখানে লিটন হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে পুলিশের এসআই জাফরের বিরুদ্ধে উঠেছে গুরুতর অভিযোগ। ভুক্তভোগী এক প্রবাসীর স্ত্রীর দাবি, হত্যা মামলায় জড়ানো এবং রিমান্ডে নেওয়ার ভয় দেখিয়ে তার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব দেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।
অভিযোগকারীর ভাষ্য, মামলার তদন্তের বিষয়টি সামনে রেখে তাকে বারবার চাপ দেওয়া হয়। একপর্যায়ে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করার জন্যও চাপ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তার। এতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান ওই নারী।
তবে পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের বিষয়ে এসআই জাফরের বক্তব্য নেয়ার জন্য দৌলতখান থানায় তার কাছে এই পর্যন্ত ৬ বার যাওয়া হয়েছে, তবে সাংবাদিকদের উপস্থিতির টের পেলে সরে যান এসআই জাফর, অভিযুক্ত এস আই জাফরকে থানায় গিয়ে না পেয়ে তার ব্যবহ্নত ০১৭১৬৬৩০৪০৭ এই নাম্বারে একাধিকবার ফোনে এবং হোয়াটসঅ্যাপে কল দিলেও সে ফোন রিসিভ করেনি বরং সাংবাদিকের হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারটি ব্লক করে দেয়, তাই অভিযুক্ত এসআই জাফরের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফকরুল ইসলামের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী। একই সঙ্গে হয়রানি ও ভয়ভীতি থেকে সুরক্ষারও দাবি তার।
মামলার বাদী হারুন ও নিহত লিটনের স্ত্রী জানান,তাদের কাছ থেকেও এসআই জাফর মামলার খরচ বাবদ টাকা নেন —এই পর্যন্ত প্রায় দুই লাখ টাকা খরচ করলেও কিভাবে হত্যা করা হয়েছে তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে তা জানতে পারেনি, নিহত লিটনের স্ত্রী আরো জানান,মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জাফর আসামীদের ঘরে আসে তাদের সাথে কথা বলে চলে যায়,তবে সুষ্ঠ তদন্তের সার্থে এই তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জাফরকে পরিবর্তন করে নতুন কোন কর্মকর্তাকে দিয়ে তদন্ত করলে সঠিক বিচার পাবে বলে আশা করছেন মামলার বাদির পরিবার।
স্থানীয়দের অভিযোগ এই মামলার তদন্ত কারী কর্মকর্তা যারা আসামি না তাদেরকে ধরে নিয়ে ২দিন আটকিয়ে রেখে তার চাহিদা অনুযায়ী টাকা দিতে পারলে ছেড়ে দেয়। দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ফকরুল ইসলাম বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।