নিজস্ব প্রতিবেদক : বাকেরগঞ্জের কারখানা নদীতে প্রস্তাবিত সেতু নির্মাণের স্থান সরেজমিনে পরিদর্শন করছেন চীনা প্রতিনিধিদল ও প্রকৌশলীরা।
বরিশালের বাকেরগঞ্জের ডিসি রোড সংলগ্ন কবাই ও ফরিদপুর ইউনিয়নের মধ্যবর্তী কারখানা নদীর ওপর প্রস্তাবিত সেতু নির্মাণের লক্ষ্যে নদীর নাব্যতা ও প্রয়োজনীয় উচ্চতা সরেজমিনে পরীক্ষা করেছেন চীনা একটি প্রতিনিধিদল।
গতকাল বুধবার (২২ আগস্ট) বিকেলে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও চীনা কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কারখানা নদীর পূর্ব ও পশ্চিম পাড়ে প্রস্তাবিত সেতুটির নির্মাণস্থল ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনকালে প্রতিনিধিদলটি নদীর পানির গভীরতা, নৌযান চলাচলের সুবিধা এবং সেতুর কাঠামোগত উচ্চতার বিষয়টি বিস্তারিত পর্যালোচনা করেন।
এ বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মিয়া এমদাদ আলী জানান, প্রায় তিন-চার বছর আগেই কারখানা নদীর ওপর এই সেতু নির্মাণের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। বর্তমান সরকার প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দিলে চীনা প্রযুক্তি ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যত দ্রুত সম্ভব মূল নির্মাণকাজ শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
স্থানীয় অধিবাসীদের মতে, কারখানা নদীর ওপর সেতুটি নির্মিত হলে বাকেরগঞ্জের পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। এর ফলে বিভাগীয় শহর বরিশাল ও রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দুর্গম দুর্গাপাশা ও ফরিদপুর ইউনিয়নের সরাসরি সংযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী বাউফল, পটুয়াখালী, দশমিনা ও ভোলা জেলার বাসিন্দাদের যাতায়াত আরও সহজ হবে, যা স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
এলাকাবাসী প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে সেতুটির দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান।
পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে উপজেলা প্রকৌশলী হাসনাইন আহমেদ, ৬ নম্বর ফরিদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম খান, সহসভাপতি আলহাজ গোলাম মোস্তফা সিকদার, সিনিয়র সহসভাপতি মোহাম্মদ কবির সন্ন্যামত, সাধারণ সম্পাদক মীর মনির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম টিটু মল্লিক, সহ-সাধারণ সম্পাদক তাহের খান ও যুবদল নেতা মুশফিকুর রহমানসহ কবাই ইউনিয়ন বিএনপি ও স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।