সঞ্জিব দাস, গলাচিপা, পটুয়াখালী, প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি ইউনিয়নের নাজমা বেগম (৪৫) নামের এক গৃহবধূকে মারধর করে। স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ঘটনাটি ঘটেছে পানপট্টি মিনিকুয়াকাটা লঞ্চঘাটের ফরিদা গ্রামের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের হাওলাদার বাড়িতে। আহত নাজমা বেগম হচ্ছেন সুকুর হাওলাদারের স্ত্রী । সুকুর হাওলাদার জানান, রবিবার দুপুরের দিকে আমার ক্রয় করা জমির সামনে অবদার জায়গায় পূর্ব শত্রুতার জেরে জমি জমাকে নিয়ে আমাদের একই গ্রামের রাহাত প্যাদা,আল আমিন প্যাদা,হাফিজুর প্যাদা,মিরাজ প্যাদাসহ আরও নাম না জানা অনেকে আমার অবদার জায়গায় দোকান ঘর তুলতে গেলে আমার স্ত্রী নাজমা বেগম বাধাদিলে এলোপাথারি ভাবে মারতে থাকে এতে আমার স্ত্রী গুরতর আহত হয়।
পরে এলাকাবাসী উদ্ধার করে গলাচিপার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। গলাচিপা হাসপাতালের কর্তবরত ডাক্তার নোমান পারভেজ বলেন, নাজমা বেগম আমার চিকিৎসাধীনে ২য় তলায় ২১ নং বেডে ভর্তি আছে।
তার শরীরের বিভিন্ন অংশে ফুলাজখম ও কালো কালো দাগ আছে ও মাথায় চোট লেগেছে। আহত নাজমা বেগম বলেন, আমাদের জায়গার মুখসায় ওয়াবদার জায়গায় জোরপূর্বক দোকান ঘর নির্মাণ করার চেষ্টা করলে আমি বাধা দিলে আমাকে এলোপাথাড়ি ভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে আমার ডাক চিৎকার এলাকাবাসী এসে পড়লে মারধর কারিরা পালিয়ে যায়।
পরে এলাকাবাসী আমাকে উদ্ধার করে গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ বিষয়ে রাহাত প্যাদা কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
ইউপি সদস্য স্বপন মেম্বার বলেন, ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন,অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।