উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার পশ্চিম সাতলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুবদল কর্মী কাওসার হাওলাদার(৩৭)কে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও বিচার দাবিতে ঝড় উঠেছে। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল এবং সাধারণ এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে ২৫ অক্টোবর বিকেল ৪ রায় সাতলা একতা বাজার প্রধান সড়কে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশিষ্ট সমাজসেবক আঃ হক হাওলাদার এর সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা জাকির হোসেন হাওলাদার,যুবদল নেতা মোঃ রাশেদ আমিন হাওলাদার,নিহতের মেজো ভাই মোস্তফা হাওলাদার,সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ শাহিন হাওলাদার,সাতলা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আব্দুল্লাহ,সাবেক ইউপি সদস্য এনামুল হাওলাদার।উপস্থিত ছিলেন সাতলা...
উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার পশ্চিম সাতলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুবদল কর্মী কাওসার হাওলাদার(৩৭)কে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও বিচার দাবিতে ঝড় উঠেছে।
এই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল এবং সাধারণ এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে ২৫ অক্টোবর বিকেল ৪ রায় সাতলা একতা বাজার প্রধান সড়কে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিশিষ্ট সমাজসেবক আঃ হক হাওলাদার এর সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা জাকির হোসেন হাওলাদার,যুবদল নেতা মোঃ রাশেদ আমিন হাওলাদার,নিহতের মেজো ভাই মোস্তফা হাওলাদার,সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ শাহিন হাওলাদার,সাতলা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আব্দুল্লাহ,সাবেক ইউপি সদস্য এনামুল হাওলাদার।উপস্থিত ছিলেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ইলিয়াস হাওলাদার, নিহতের স্ত্রী সাগরি বেগম(৩০),অবুঝ সন্তান ফাতেমা(১৪), নুসরাত(১০), তায়েবা(৭) ছেলে আবু হুরায়রা(৪)।
এছাড়াও মানববন্ধনে নারী-পুরুষ হাজারো মানুষ মানববন্ধনে অংশগ্রহন করেন। উল্লেখ্য ২৩ অক্টোবর শুক্রবার রাত ১০টার দিকে উজিরপুর কোটালীপাড়া সীমান্তবর্তী পশ্চিম সাতলা এলাকায় একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলে এসে কাওসার হাওলাদার এবং রাশেদ আমিনের ওপর হামলা চালায়।
জীবন বাঁচাতে তারা পাশের একটি ঘরে আশ্রয় নিলে সন্ত্রাসীরা দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে কাওসারকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে। এদিকে হত্যাকাণ্ডের পর একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের লোগো ব্যবহার করা মাইক্রোবাসে করে পালিয়ে যাওয়ার সময় পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার টোল প্লাজা এলাকা থেকে ৯ জন আসামিকে ধারালো অস্ত্রসহ গ্রেফতার করে পুলিশ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন,হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী এবং হত্যাকান্ডে জড়িত সব সন্ত্রাসীকে অবিলম্বে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং জড়িতদের ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন।
পুলিশ যদি দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঘটনার পেছনের মূল রহস্য উদঘাটন এবং এজাহারভুক্ত বাকি আসামিদের গ্রেফতার না করে,তবে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে মানববন্ধনে হুঁশিয়ারি দেন।উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বাকি জড়িতদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। হত্যার ঘটনায় নিহতের মেজো ভাই মোঃ মোস্তফা হাওলাদার বাদী হয়ে ২৪ অক্টোবর উজিরপুর মডেল থানায় ১৭ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।