নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ব্রিকসকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। শনিবার নয়াদিল্লিতে আয়োজিত ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, চলমান যুদ্ধ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অভিন্ন স্বার্থের পরিপন্থী।
একই সময় তিনি জানান, আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৭ ব্রিকসের সভাপতিত্ব গ্রহণ করবে চীন। একই সঙ্গে দেশটিতেই অনুষ্ঠিত হবে জোটটির ১৯তম সম্মেলন। শনিবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভির বরাতে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
ব্রিকসকে গ্লোবাল সাউথের একটি ‘প্রধান জোট’ হিসেবে উল্লেখ করেন শি জিনপিং।
উদীয়মান ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে স্বনির্ভরতার মডেল হিসেবে ব্রিকসকে উদ্ভাবননির্ভর উন্নয়নকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
একই সঙ্গে ২০২৭ সালে ব্রিকসের সভাপতিত্ব চীন গ্রহণ করবে এবং আগামী বছর ১৯তম ব্রিকস সম্মেলন চীনেই অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন শি।
প্রসঙ্গত, ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, মিশর, ইথিওপিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত নিয়ে ব্রিকস গঠিত। ২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা মিত্রদের প্রভাবাধীন বিশ্বব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করার লক্ষ্য নিয়ে জোটটির যাত্রা শুরু হয়।
বর্তমানে ব্রিকসের সদস্য দেশগুলো বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশের বেশি এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির প্রায় এক-চতুর্থাংশের প্রতিনিধিত্ব করে।
শি জিনপিং ব্রিকসকে গ্লোবাল সাউথের একটি ‘প্রধান জোট’ হিসেবে উল্লেখ করেন। উদীয়মান ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে স্বনির্ভরতার মডেল হিসেবে ব্রিকসকে উদ্ভাবননির্ভর উন্নয়নকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে ২০২৭ সালে ব্রিকসের সভাপতিত্ব চীন গ্রহণ করবে এবং আগামী বছর ১৯তম ব্রিকস সম্মেলন চীনেই অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন শি।
প্রসঙ্গত, ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, মিশর, ইথিওপিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত নিয়ে ব্রিকস গঠিত।
২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা মিত্রদের প্রভাবাধীন বিশ্বব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করার লক্ষ্য নিয়ে জোটটির যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে ব্রিকসের সদস্য দেশগুলো বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশের বেশি এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির প্রায় এক-চতুর্থাংশের প্রতিনিধিত্ব করে।