বরিশালে পান চাষীদের কাঁচ কলা দেখিয়ে মুনাফা লুটে নিচ্ছে মধ্যে ভোগী মোকাম!

Barisal Crime Trace
প্রকাশিত এপ্রিল ২১ বুধবার, ২০২১, ১২:২১ পূর্বাহ্ণ
বরিশালে পান চাষীদের কাঁচ কলা দেখিয়ে মুনাফা লুটে নিচ্ছে মধ্যে ভোগী মোকাম!

তালহা জাহিদঃ বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে গ্রামজুড়ে এখন হাজার হাজার পানের বরজ । বরজগুলোর মধ্যে উকি দিলেই চোখে জুড়ানো সবুজের সমহার। লতার সাথে এ যেন টাকার গাছ দাড়িয়ে রয়েছে । লাভজনক ফসল হওয়ায় উজিরপুরের ৯ টি ইউনিয়নের মানুষের মধ্যে দিনেদিনে পানের বরজের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। বরিশালের পান বেশ সুস্বাদু হওয়ার কারনে দেশ বিদেশে তার বেশ চাহিদাও রয়েছে জেলার উজিরপুরের মানুষ এখন পান চাষের দিকে ঝুকেছেন।

 

এক সময় যে সব জমিতে ধান, পাট, গম সহ নানা ধরনের ফসল চাষাবাদ হতো এখন সেই জমিতে গড়ে উঠেছে বড় বড় পানের বরজ, সচারাচর এমন সংবাদ পত্র পত্রিকায় শুনে থাকলেও বর্তমান অবস্থা করুন। আজ ২০ এপ্রিল মঙ্গলবার সরোজমিনে উপস্থিত হয়ে জানা যায়, উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও একজন সফল পান চাষী মোঃ নান্না হাওলাদার বলেন, ” আমার ৬শত পানের বরজ আছে, কিন্তু করোনা চলাকালীন প্রায় ১ বছর যাবত পান চাষীদের অবস্থা খুবই করুন।

 

জেলার উপজেলার পানের আরদ মোকামে পানে দাম খুবই কম পাই, এ দামে খরচ পুশিয়ে ওঠাই মুশকিল। তাই এই ক্ষতি সমালদিয়ে পান চাষ চলমান রাখতে অচিরেই প্রয়োজন সরকারি প্রণোদনা। অন্যথা পান চাষীদের টিকে থাকা অসম্ভব।” অন্যদিকে ভোক্তা হিসেবে পান কিনতে গেলে দেখা যায় দাম ব্যপক চড়া।

 

উপজেলা ওটরা ইউনিয়নে হাবিবপুর বাজারের খুচরা পান বিক্রেতা উত্তম শিকারী জানান, ” আমরা করমু কি? পাইকারি মোকামে চড়া দাম দিয়া কেনা লাগে, পরিবহন খরচ দিয়া এর চাইতে কম বেচঁলে খামু কি??” সার্বিক ভাবে পর্যালোচনা করে দেখা যায়, পানের বাজর চড়া হলেও এতে কিছুই হচ্ছে না উৎপাদনকারী চাষী অথবা খুচরা ব্যাবসায়ীদের, তাদের কাঁচ কলা দেখিয়ে সব মুনাফা লুটে নিচ্ছে মধ্যে ভোগী মোকাম মালিক পাইকারি ব্যবসায়িরা। এমন কোনো ঘর খুঁজে পাওয়া মুশকিল যেখানে কেউ পান খান না।

 

দাদি-নানি, বাবা-মা, মাসি-পিসি, মামা-কাকা কেউ না কেউ পান খানই। আবার কেউ শখ করে হলেও খান পান। পান খাওয়ার অভ্যাস নেই যাদের তারাও কোনো অনুষ্ঠানে ভোজের শেষে এক খিলি পান মুখে পুরতে ভালোবাসেন। কিন্তু এবার পানের দাম রেকর্ড পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় এসব ভোক্তারা পড়েছেন বিপাকে। শখের খিলি পানের দোকানে এক খিলি পান বিক্রি হচ্ছে ৫-১০ টাকায়। শখের এ খাবারের দাম লাগামছাড়া হয়ে পড়ায় বিপাকে পড়েছেন ভোক্তারা। বেশকয়েকজন পান ক্রেতা বলেন, পান-সুপারির যেভাবে দাম বাড়ছে তাতে মধ্যবিত্তের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে।’




আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি বরিশাল ক্রাইম ট্রেস”কে জানাতে।
ই-মেইল করুনঃ[email protected]