চরফ্যাশনে নোনা পানি কেড়ে নিয়েছে তরমুজ চাষির হাসি

Barisal Crime Trace
প্রকাশিত এপ্রিল ৮ বৃহস্পতিবার, ২০২১, ০৬:৫১ পূর্বাহ্ণ
চরফ্যাশনে নোনা পানি কেড়ে নিয়েছে তরমুজ চাষির হাসি

আদিত্য জাহিদ, চরফ্যাশন :: নদীর নোনা পানি তরমুজ ক্ষেত প্লাবিত হওয়ার কারনে তরমুজ গাছে পচন ধরে মরে যাচ্ছে।

গাছে থাকা তরমুজ গুলো বিক্রির যোগ্য হওয়ার আগেই গাছ মরার কারনে ফসলও নষ্ট হয়ে কৃষকের হাসি দিনদিন ম্লান হয়ে যাচ্ছে। ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার চর কলমি ইউনিয়নে ইউনিয়নের ৫ নংওয়ার্ডের কৃষক মো. খোকন মাঝি (৫০) চলতি মৌসুমে ১৬ একর জমিতে ১৮ লক্ষ টাকা ব্যয় করে তরমুজ চাষ করেছেন। গত পূর্ণিমার অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে নোনা পানিতে তলিয়ে গেছে তার ফসল।

কৃষক মো. খোকন মাঝি জানান, যে সময় ফসল বিক্রি করার কথা ঠিক তার পূর্ব মুহূর্তে জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে ।

পআনতে অতিরিক্ত পরিমান নোনা থাক্রা কারনে সব তরমুজ গাছ গুলোর পচন ধরে মরে গেছে।১৬ একর জমির মধ্যে সামান্য কিছু তরমুজ বিক্রি করতে পারলেও বাকি তরমুজ জমিতে রয়েছে।তিনি আরও জানান হটাৎ জোয়ারের অতিরিক্ত পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে ও লকডাউনের কারণে বিক্রি করা সম্ভব হয় নাই এবং জোয়ারের পানি আর না আসলেও লবণাক্ততা থাকায় পানি চলে যাওয়ার পরও তরমুজ গাছ মরে যাবে বলে তিনি জানান। ১ এপ্রিল থেকে চরফ্যাশন উপজেলায় পূর্ণিমার প্রভাবে জোয়ারে পানির উচ্চতা বেড়েছে। প্রতিবার জোয়ারে কমপক্ষে ৮-১০ ঘণ্টা নিম্নাঞ্চল ছিল । ফলে চরফ্যাশন উপজেলার শশিভূষণ থানার চর কলমি ইউনিয়নের কিছু জায়গায় বেড়িবাঁধ না থাকায় তরমুজ চাসীদের খামার গাছ সহ তিন-চার ফুট পানির নিচে তলিয়ে গেছে। তরমুজের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। জোয়ারের পানি লবণাক্ত হওয়ায় ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি হয়েছে।

চর কলমি ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের এক ব্যবসায়ী মো. তোফাজ্জল বলেন, জোয়ারে পানিতে প্লাবিত এসব এলাকার বহু কৃষক আদৌ কোনো ফসল ঘরে তুলতে পারবে কিনা, এ নিয়ে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ৯০ ভাগ কৃষকের মরিচ এখনো জমিতেই রয়েছে। এরমধ্যে তরমুজের ক্ষতি হয়েছে সবচেয়ে বেশি। অনেক জায়গায় তরমুজ চাষিদের ডুবে যাওয়া খেত থেকে ফসল বাঁচানোর ব্যর্থ চেষ্টা করতে দেখা গেছে। আবার অনেক কৃষকদের লোকসান গুণে চোখে মুখে হতাশার ছাপ পড়েছে।

এ বিষয়ে চরফ্যাশন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.আবু হাছনাইন জানান, জোয়ারের পানিতে তরমুজের ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের আর্থিকসহ অন্যান্য সহায়তা দেয়ার জন্য তালিকা তৈরি করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানো হবে। এছাড়াও কয়েকদিনের মধ্যে জোয়ারে পানির চাপ কমে আসবে বলেও জানান তিনি।জোয়ারের পানিতে অতিরিক্ত লবনাক্ততা সর্ম্পকে জানতে চাইলে তিনি কোন কারন জানাতে পারেননি।




আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি বরিশাল ক্রাইম ট্রেস”কে জানাতে।
ই-মেইল করুনঃ[email protected]