1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
বরিশালে নদীতে গোসলে নেমে শিশুর মৃত্যু - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
আওয়ামী লীগের মিছিল ঘিরে সংঘর্ষ, ওসিসহ ৬ পুলিশ সদস্য আহত বরগুনার ছাত্রলীগ নেতা মাহবুবুল ইসলাম গ্রে’প্তা’র আলট্রাসনোগ্রামে যমজ সন্তান, সিজারের পর একজন দেওয়ার ঘটনায় ওয়ার্ডবয় গ্রেপ্তার বাউফলে তেঁতুলিয়া নদীতে ধরা ১৮ কেজির পাঙ্গাস, বিক্রি ১৯ হাজার জুলাই গ্রাফিতি মুছে ফেলায় ঢাকা কলেজ প্রশাসনকে ধন্যবাদ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পটুয়াখালীতে বিপ্লব ও সংহতি দিবসের শোভাযাত্রায় হাতাহাতি বিএনপির কর্মসূচির মাইকে বাজলো শেখ হাসিনার গান লালমোহনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত চরফ্যাশনে সামরাজ মৎস্য ঘাটে ফিশিং বোটে দুর্ধর্ষ চুরি, গ্রেফতার-১ পূর্বপুরুষের স্মরণে আলোর উৎসব, শতবর্ষে বরিশালের ‘শ্মশান দীপালি’

বরিশালে নদীতে গোসলে নেমে শিশুর মৃত্যু

  • আপডেট সময় : বুধবার, ৬ আগস্ট, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলায় মেঘনা ও গজারিয়া নদীতে গোসল করতে নেমে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিখোঁজ অন্য দুই শিশুর সন্ধানে আজ বুধবার ভোর থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে।

গতকাল দুপুরে উপজেলার চরএককরিয়া ইউনিয়নের দুটি পৃথক স্থানে ওই তিন শিশু পানিতে ডুবে যায়। তাদের মধ্যে আবিদা ইসলাম (৬) নামে এক শিশুর লাশ গতকাল বেলা তিনটার দিকে উদ্ধার করেন স্থানীয় লোকজন। সে চরএককরিয়া ইউনিয়নের কোলচর এলাকার বাদশা দেওয়ানের মেয়ে এবং স্থানীয় শান্তিরহাট ফোরকানিয়া মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণির ছাত্রী।

আবিদার বড় বোন আয়েশা বেগম বলেন, ‘আবিদা সব সময় আমাদের সঙ্গে গজারিয়া নদীতে গোসল করত। কিন্তু মঙ্গলবার সবার অগোচরে একা একা গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করে খবর দেন। ততক্ষণে ও আর বেঁচে ছিল না।’

নিখোঁজ অপর দুই শিশু হলো উত্তর দাদপুরচর এলাকার আবদুর রশীদ দেওয়ানের ছেলে তাহসিন দেওয়ান (৬) ও শহিদ বিশ্বাসের ছেলে রেজাউল করিম (৭)। তারা স্থানীয় কেরাতুল কোরআন মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণির ছাত্র।

রেজাউলের মা রুমানা বেগম বলেন, ‘পরীক্ষা শেষে মঙ্গলবার দুপুরে বাড়ি আসে রেজাউল। এরপর নদীতে গোসল করতে গিয়েছিল। আমি থালায় ভাত নিয়ে অপেক্ষায় ছিলাম। অনেকক্ষণ পরও না আসায় খুঁজতে বের হই। তখন শুনি নদীতে ডুবে গেছে আমার সোনা।’

মেহেন্দীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ইনচার্জ আলী আশরাফ জানান, গতকাল বেলা ৩টা ২০ মিনিটে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলে যান এবং বরিশাল থেকে ডুবুরি দলকে তলব করেন। তাঁর ধারণা, শিশুরা সাঁতার না জানায় নদীর পাড়ে খেলতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে যায় এবং প্রবল স্রোতের কারণে পানিতে তলিয়ে যায়।

মেহেন্দীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফখরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। নিখোঁজ শিশুদের উদ্ধারে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network