1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
জ্বালানি সংকটে পিরোজপুরের মৎস্য বন্দর অচল, ঘাটে আটকা শত শত ট্রলার - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম

জ্বালানি সংকটে পিরোজপুরের মৎস্য বন্দর অচল, ঘাটে আটকা শত শত ট্রলার

  • আপডেট সময় : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক  :  পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার পাড়েরহাট মৎস্য বন্দরে ইঞ্জিন জ্বালানির চরম সংকটে সমুদ্রগামী মাছধরা ট্রলারের চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।

 

ঘাটজুড়ে শত শত ট্রলার নোঙর করে থাকলেও জ্বালানির অভাবে সাগরে যেতে পারছেন না জেলেরা। সরেজমিনে দেখা গেছে, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে ট্রলারগুলো সমুদ্রে যাওয়ার প্রস্তুতিতে থাকলেও টানা কয়েকদিন ধরে সংকটের কারণে কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে।

 

মৎস্যজীবীদের অভিযোগ, গত ৮-৯ দিন ধরে ইঞ্জিন জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা করেও কোনো সমাধান মিলছে না। তাদের দাবি, পাড়েরহাট বন্দরের কিছু বড় ব্যবসায়ী অতিরিক্ত লাভের আশায় বিভিন্ন স্থানে জ্বালানি মজুদ করে রেখেছেন। নিজস্ব ট্রলার থাকায় তারা নিজেদের কাজে জ্বালানি ব্যবহার করলেও অন্যদের কাছে সরবরাহ করছেন না।

 

মৎস্য ব্যবসায়ী ফারুক আমার দেশকে জানান, পাড়েরহাট দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ মৎস্য আড়ৎ, যেখানে প্রতিদিন শত শত ট্রলার যাতায়াত করে। সাধারণ জেলে ও ট্রলার মালিকরা জানান, দবির হাওলাদার ও রাখাল মালাকারসহ বড় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকেই তারা জ্বালানি সংগ্রহ করে থাকেন। কিন্তু বর্তমানে তারা জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ রেখেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মৎস্যজীবী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, বাজারে প্রকৃত জ্বালানি সংকট নেই বরং গোপনে বিভিন্ন গুদাম, বাসাবাড়ির ছাদঘরসহ নানা স্থানে জ্বালানি মজুদ করে রাখা হয়েছে। প্রশাসন কঠোর অভিযান চালালে এসব জ্বালানির সন্ধান পাওয়া সম্ভব বলেও তারা মনে করেন। মৎস্য আড়তের সহ-সভাপতি মো. ইকবাল আমার দেশকে বলেন, সমুদ্রে মাছের প্রাচুর্য থাকলেও জ্বালানির অভাবে অনেক ট্রলার ঘাটে বসে আছে। এতে জেলে পরিবারগুলো চরম সংকটে পড়ছে। অনেক শ্রমিক পেশা ছেড়ে শহরে বিকল্প কাজের সন্ধানে চলে যাচ্ছেন, ফলে শ্রমিক সংকটও দেখা দিচ্ছে। এদিকে একই সংকটের প্রভাব পড়েছে স্থানীয় পরিবহন খাতেও। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মোটরসাইকেল চালকরা পেট্রোল ও অকটেন না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন। কোথাও কোথাও লিটারপ্রতি ১৮০-২০০ টাকায় জ্বালানি বিক্রি হচ্ছে, যা স্বাভাবিক মূল্যের তুলনায় অনেক বেশি। অধিকাংশ খুচরা বিক্রেতার এসব জ্বালানি বিক্রির বৈধ অনুমতিও নেই।

 

খুচরা বিক্রেতারা জানান, চরখালী ফেরিঘাট এলাকার একটি ডিপো থেকে বেশি দামে জ্বালানি কিনতে হওয়ায় তারাও বাধ্য হয়ে উচ্চমূল্যে বিক্রি করছেন।

 

জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান জানান, সংকট শুরুর পর থেকেই অতিরিক্ত দামে বিক্রি ও জ্বালানি মজুদকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network