গাজীপুর প্রতিনিধি : আওয়ামী লীগের সাথে গোপনে যোগাযোগ রেখে প্রকাশ্যে বিএনপির দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে রকমারি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও ‘ফিটিং’ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে নাহিদ নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
স্থানীয় অধিবাসীদের অভিযোগ, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পদ্মা হাউজিং এলাকায় দলীয় কার্যালয়ের নাম দিয়ে মূলত একটি ‘টর্চার সেল’ পরিচালনা করা হতো, যেখান থেকে মাদক ব্যবসা, ছিনতাই এবং ব্ল্যাকমেইলিংয়ের মতো নানা অপকর্ম পরিচালনা করা হতো।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ জুলাই (২০২৬) পদ্মা হাউজিং এলাকায় নাহিদ ও তার সহযোগীরা এক তরুণ-তরুণীকে জিম্মি করে তাদের স্বজনদের কাছে টাকা দাবি করে (যা স্থানীয়ভাবে ‘ফিটিং’ নামে পরিচিত)। দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের ফিটিং ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়া এলাকার বাসিন্দারা খবর পেয়ে একজোট হন। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর তোপের মুখে ও ধাওয়ায় নাহিদ এবং তার সঙ্গীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।
এলাকাবাসীর দাবি, ঘটনা ঢাকা দিতে এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার উদ্দেশ্যে পরবর্তীতে নাহিদ ও তার সহযোগীরা নির্দোষ স্থানীয়দের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে উল্টো বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।
১ নম্বর ওয়ার্ডের পদ্মা ও পলাশ হাউজিং এলাকার বাসিন্দারা জানান, বিএনপির নাম ব্যবহার করলেও নাহিদ বাস্তবে তলে তলে আওয়ামী লীগের স্বার্থ রক্ষা করে চলত। বিএনপির অফিস পরিচয়ে পরিচালিত ওই আস্তানায় সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে টাকা আদায় করা নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
এলাকাবাসী অবিলম্বে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহারকারী এই ‘ফিটিংবাজ’ ও অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।