1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
বানারীপাড়ার সেই অদম্য মেধাবী তাওহীদের লেখাপড়ার দায়িত্ব নিলেন অ্যাডভোকেট পলাশ - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী বরিশালে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি, নদী বন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত সকলের মতামত নিয়েই সংবিধান সংশোধন করা হবে : চিফ হুইপ তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জাতিসংঘে বাংলাদেশের মনোনীত স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খানের সাক্ষাৎ বিএনপি থেকে পদত্যাগ করলেন মির্জা ফখরুল জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের স্থাবর নিদর্শনের ক্ষতি করলে ১০ বছরের কারাদণ্ড বাকেরগঞ্জে মৃত্যুর কাছে হেরে গেলেন বোমা বিস্ফোরণে গুরুত্বর দগ্ধ হনুফা আগৈলঝাড়ায় ওসির নেতৃত্বে ইয়াবাসহ ছয় জন ব্যবসায়ী গ্রেফতার গৌরনদীতে নয়জন কর্মকর্তাকে বিদায়ী সংবর্ধনা লালমোহনে প্রধান শিক্ষকের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

বানারীপাড়ার সেই অদম্য মেধাবী তাওহীদের লেখাপড়ার দায়িত্ব নিলেন অ্যাডভোকেট পলাশ

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬

রাহাদ সুমন,বিশেষ প্রতিনিধি: বরিশালের বানারীপাড়ায় দারিদ্রতাকে জয় করে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া সেই অদম্য মেধাবী তাওহীদ ইসলামের লেখাপড়ার দায়িত্ব নিয়ে সুপ্রিমকোর্টের তরুণ ও মেধাবী আইনজীবী মো: রাজু হাওলাদার পলাশ মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। সরকারি বানারীপাড়া মডেল ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন (পাইলট)-এর বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করার পরেও ভালো কলেজে ভর্তি ও উচ্চ শিক্ষা অর্জনের স্বপ্ন পূরণ নিয়ে দু:শ্চিন্তায় পড়েন তাওহীদ ইসলাম ও তার হতদরিদ্র বাবা-মা।

 

বৃহস্পতিবার সমকালে ও বুধবার বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টালে “জিপিএ-৫ পেয়েও ভালো কলেজে ভর্তি নিয়ে দু:শ্চিন্তায় তাওহীদ” শিরোণামে একটি মানবিক সংবাদ প্রকাশিত হয়। বিষয়টি জেনে মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দেন অ্যাডভোকেট রাজু হাওলাদার পলাশ। তিনি ভালো কলেজে ভর্তিসহ তাওহীদের লেখাপড়ার সার্বিক দায়িত্ব নেন। ইতোমধ্যে তিনি তাওহীদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তাওহীদ ইসলাম দু:শ্চিন্তা দূর করে তার স্বপ্ন পূরণে অ্যাডভোকেট রাজু আহমেদ পলাশের এ মহানুভবতায় অনি:শেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

 

এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়ার কৃতি সন্তান অ্যাডভোকেট রাজু হাওলাদার পলাশ বলেন, অর্থাভাবে আমার জন্মভিটার কোন মেধাবী ছেলে/মেয়ে লেখাপড়া করে উচ্চ শিক্ষা অর্জন করতে পারবে না এটা আমার জন্য মেনে নেয়া খুব কষ্টের। একজন মেধাবী শিক্ষার্থী দেশের সম্পদ। আজকের মেধাবীরাই দেশের আগামীর অগ্রযাত্রার প্রতীক।

সবার সহযোগিতায় তাওহীদ ভাল কিছু করতে পারলে আমাদের সমাজটাই বিকশিত হবে। অন্যরাও অনুপ্রাণিত হবে। প্রসঙ্গত, বানারীপাড়া সদর ইউনিয়নের জবেদপুর গ্রামের বাসিন্দা তাওহীদের বাবা মো. ফারুক হোসেন একজন দিনমজুর এবং মা রিমা খানম গৃহিণী। জীর্নশীর্ণ ঘরে তাদের বসবাস। সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরােয় অবস্থা। তাওহীদ ঠিকমত তিনবেলা খেতে,ভালো পোষাক পড়তে কিংবা টাকা খরচ করে প্রাইভেট পড়তে পারেনি।
কিন্তু অভাবের কাছে হার মানেনি সে। বুকভরা স্বপ্ন আর অদম্য ইচ্ছাশক্তি নিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে গেছে । তাওহীদের আজকের এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে একজন শিক্ষকের মানবিক উদ্যোগের গল্প।

সরকারি বানারীপাড়া মডেল ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন (পাইলট) স্কুলের সহকারি শিক্ষক নিয়াজ মাহমুদ পলাশ তাকে স্কুলে ৯ম শ্রেণীতে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তিসহ লেখাপড়ায় সহায়তা করেন। অদম্য ইচ্ছে শক্তি ও নিরলস অধ্যবসায় দারিদ্রতাকে হার মানিয়ে তাওহীদের সেই স্বপ্নের প্রথম সাফল্যও এসেছে। এবারের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫. পেয়েছে হতদরিদ্র পরিবারের মেধাবী সন্তান তাওহীদ।

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর তাওহীদের পরিবারে নেমে আসে আনন্দের মুহূর্ত। কিন্তু সেই আনন্দের মাঝেও যেন কোথাও একটা চাপা কষ্ট ছিল। কারণ, জিপিএ-৫ পাওয়ার পরও তাওহীদের সামনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন দেখা দেয় সে কি ভালো একটি কলেজে ভর্তি হয়ে তার উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণ করতে পারবে? ডাক্তার কিংবা ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন কি পূরণ হবে তার….

 

এ নিয়ে দু:শ্চিন্তায় পড়েন তাওহীদ ও তার হতদরিদ্র বাবা মা। পত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিষয়টি জেনে অভাবের সংসারে বেড়ে ওঠা তাওহীদের মেধা ও স্বপ্নের পাশে দাঁড়ান অ্যাডভোকেট রাজু হাওলাদার পলাশ। তাওহীদের পাশে দাঁড়িযে তিনি যে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় ও অনুকরণীয়।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network