উজিরপুর হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে রোগীর মৃত্যু
আপডেট সময় :
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
উজিরপুর হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে রোগীর মৃত্যু
উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চালক সংকটে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স সেবা। জরুরি মুহূর্তে উন্নত চিকিৎসার জন্য রোগী স্থানান্তরে ভোগান্তিতে পড়ছেন স্বজনরা। এরই মধ্যে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স না পাওয়ার পর এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। স্থানীয় ও পরিবার সুত্রে জানাযায়, বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে উজিরপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. হানিফ হাওলাদারের স্ত্রী আলেয়া বেগমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার প্রয়োজন হলেও চালক না থাকায় সরকারি অ্যাম্বুলেন্স পাওয়া যায়নি। পরে তাঁর মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ৫০ শয্যাবিশিষ্ট এ...
উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চালক সংকটে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স সেবা। জরুরি মুহূর্তে উন্নত চিকিৎসার জন্য রোগী স্থানান্তরে ভোগান্তিতে পড়ছেন স্বজনরা। এরই মধ্যে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স না পাওয়ার পর এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।
স্থানীয় ও পরিবার সুত্রে জানাযায়, বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে উজিরপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. হানিফ হাওলাদারের স্ত্রী আলেয়া বেগমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার প্রয়োজন হলেও চালক না থাকায় সরকারি অ্যাম্বুলেন্স পাওয়া যায়নি। পরে তাঁর মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ৫০ শয্যাবিশিষ্ট এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র অ্যাম্বুলেন্সচালক গত ১ সেপ্টেম্বর অবসরে যাওয়ার পর থেকে সেবাটি বন্ধ রয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালের নতুন ভবনের গ্যারেজে পড়ে রয়েছে অ্যাম্বুলেন্সটি। ফলে জরুরি রোগী পরিবহনে স্বজনদের বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে এবং গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা।
উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. নাজমুস সাকিব বলেন, “অ্যাম্বুলেন্সচালক গত ১ সেপ্টেম্বর অবসরে যাওয়ায় সেবা বন্ধ রয়েছে। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার লিখিত আবেদন করেও ফলপ্রসূ কোনো ব্যবস্থা পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া হাসপাতালের আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য রয়েছে।”
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজা জানান,” দ্রুত একজন চালকের জন্য সিভিল সার্জনকে অবহিত করা হয়েছে।”