1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
কোনো ষড়যন্ত্রই দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমাতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পটুয়াখালীতে বিপ্লব ও সংহতি দিবসের শোভাযাত্রায় হাতাহাতি বিএনপির কর্মসূচির মাইকে বাজলো শেখ হাসিনার গান লালমোহনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত চরফ্যাশনে সামরাজ মৎস্য ঘাটে ফিশিং বোটে দুর্ধর্ষ চুরি, গ্রেফতার-১ পূর্বপুরুষের স্মরণে আলোর উৎসব, শতবর্ষে বরিশালের ‘শ্মশান দীপালি’ কোনো ষড়যন্ত্রই দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমাতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রী ও পিএসকে নিয়ে ফেসবুক পোস্ট, ব্যবসায়ী গ্রেফতার উজিরপুরে জমি বিরোধে হামলা,অগ্নিসংযোগ নারীসহ আহত-৪  কলকাতায় তৃণমূল নেতা অভিষেকের বাড়িতে হামলা ফ্যাসিস্টদের দিবাস্বপ্ন বাস্তব হতে দেব না : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

কোনো ষড়যন্ত্রই দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমাতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট সময় : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: দেশে আবারও ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, কোনো ষড়যন্ত্রই দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। অতীতের মতো এবারও ষড়যন্ত্রকারীদের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘সার্বভৌমত্ব’ র‌্যালির আগে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান বলেন, ‘দেশে আবারও ষড়যন্ত্র হচ্ছে। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের মতো দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে। দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে নিয়ে আমরা সব ষড়যন্ত্রের জবাব দেব।’

তিনি বলেন, ‘একাত্তরের মতো, নব্বইয়ের মতো, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের মতো আবারও দাঁতভাঙা জবাব আমরা দিতে চাই। আজকে ৭ নভেম্বরের সার্বভৌমত্ব র‌্যালি হোক আমাদের সেই প্রত্যাশা পূরণের দিন। আজকের এই র‌্যালি হোক বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করার দিন।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ জীবন দিয়ে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট যে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করেছে, সেটি হোক গণতন্ত্র রক্ষার দিন।’

নয়াপল্টনে সমবেত হাজার হাজার নেতাকর্মীর উদ্দেশে সমর্থন চেয়ে তিনি প্রশ্ন করেন, ‘আপনারা কি আমাদের সঙ্গে আছেন?’ এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মী-সমর্থকেরা করতালি দিয়ে তাঁকে সমর্থন জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের ভেতর ও বাইরে ষড়যন্ত্র চলছে। দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে নিয়ে আমরা সব ষড়যন্ত্রের জবাব দেব।’ ৭ নভেম্বরের তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘৭ নভেম্বর হচ্ছে জাতীয় ঐক্যের দিন, ৭ নভেম্বর হচ্ছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষার দিন, ৭ নভেম্বর হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের দিন।’

এ সময় নিজেই স্লোগান ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘দিল্লি নয়, পিণ্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ। সবার আগে বাংলাদেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ।’ তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা শুধু স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ফিরিয়ে আনেনি, স্বৈরাচার ও ষড়যন্ত্রকারীদেরও দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের মানুষের অংশগ্রহণ ও আন্দোলনের মধ্য দিয়ে একইভাবে অপশক্তি পরাজিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

অতীতের মতো এখনো একটি পক্ষ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আবারও তারা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে ক্ষুণ্ন করতে চায়, আবার তারা আমি-ডামি নির্বাচনের ব্যবস্থা চালু করতে চায়। এ সুযোগ আর দেওয়া হবে না।’

তিনি বলেন, ‘যে দেশের মানুষ ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ করতে পারে, যে দেশের মানুষ ১৯৭৫ সালের সিপাহি-জনতার বিপ্লব ঘটাতে পারে, যে দেশের মানুষ ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান ঘটাতে পারে, সে দেশের মানুষকে ষড়যন্ত্র করে দাবিয়ে রাখা যাবে না।’

এর আগে বিকেল ৩টার দিকে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত অস্থায়ী মঞ্চে ওঠেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা।

দুপুর ১২টা থেকেই ছোট ছোট মিছিল নিয়ে নয়াপল্টনে জড়ো হতে শুরু করেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থকের উপস্থিতিতে কাকরাইল মোড় থেকে ফকিরাপুল মোড় পর্যন্ত এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। তাদের হাতে ছিল বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা এবং শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড। বিভিন্ন রঙের ক্যাপ ও গেঞ্জি পরেও র‍্যালিতে অংশ নেন তারা।

বক্তব্য শেষে পায়ে হেঁটে র‌্যালিতে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষের সঙ্গে হাত উঁচিয়ে কুশল বিনিময় করেন তিনি। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে পৌঁছে সমাপনী বক্তব্য দেন তারেক রহমান। মন্ত্রিসভার সদস্যসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা তার সঙ্গে র‌্যালিতে অংশ নেন।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network