চরফ্যাশন(ভোলা)প্রতিনিধি: চরফ্যাশনের সামরাজ ঘাটে "এফবি হাওলাদার" নামের ফিসিং বোটে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনায় মেহেদী হাসান নামের এক আসামি গ্রেফতার করেছে চরফ্যাশন থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত মেহেদী হাসানকে থানা পুলিশ চরফ্যাশন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করলে বিজ্ঞ আদাল তাকে দু'দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। পুলিশ রিমান্ডে শেষে ব্যাটারি উদ্ধার করেছেন বলে জানিয়েছে চরফ্যাশন থানা পুলিশের এসআই মিল্টন। মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, সারা দেশের মতো চরফ্যাসনেও ২২ দিনের ইলিশ শিকার নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। তখন ফিশিং বোটের মালিক হেলাল হাওলাদার সামরাজ মৎস্য ঘাটে অন্যান্য দিনের মতো ফিসিং বোটটি নোঙ্গর করে বেঁধে রাখে। নোঙ্গর করা বোটটি পাহাড়া দেয়ার জন্য চরফ্যাশন পৌরসভা ২ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ফারুকের...
চরফ্যাশন(ভোলা)প্রতিনিধি: চরফ্যাশনের সামরাজ ঘাটে “এফবি হাওলাদার” নামের ফিসিং বোটে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনায় মেহেদী হাসান নামের এক আসামি গ্রেফতার করেছে চরফ্যাশন থানা পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত মেহেদী হাসানকে থানা পুলিশ চরফ্যাশন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করলে বিজ্ঞ আদাল তাকে দু’দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। পুলিশ রিমান্ডে শেষে ব্যাটারি উদ্ধার করেছেন বলে জানিয়েছে চরফ্যাশন থানা পুলিশের এসআই মিল্টন।
মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, সারা দেশের মতো চরফ্যাসনেও ২২ দিনের ইলিশ শিকার নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। তখন ফিশিং বোটের মালিক হেলাল হাওলাদার সামরাজ মৎস্য ঘাটে অন্যান্য দিনের মতো ফিসিং বোটটি নোঙ্গর করে বেঁধে রাখে।
নোঙ্গর করা বোটটি পাহাড়া দেয়ার জন্য চরফ্যাশন পৌরসভা ২ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ফারুকের ছেলে মেহেদী হাসানকে মাসিক ৭ হাজার টাকা বেতন নির্ধারণ করে শ্রমিক হিসেবে নিয়োগ দেয়।
মামলার বাদি বোট মালিক হেলাল হাওলাদার জানান, ২৩ অক্টোবর সকাল ১০টায় মামলার ১ নং সাক্ষী সুলতান এর মাধ্যমে জানতে পারে বোটে কোন পাহাড়াদার নাই। তখন পাহাদারের সাথে ফোনে যোগাযোগ করতে চেষ্টা করলে তাকে পাওয়া যায়নি।
ব্যর্থ হয়ে বোটে গিয়ে দেখি ১৭শ’ লিটার ডিজেল, ১০ পিস মাছ ধরার জাল, একটি ১২ ভোল্টের ভলবো ব্যাটারি সহ বিভিন্ন ধরনের মালামাল বোট থেকে নিয়ে পালিয়ে যায় পাহারাদার।
তখনই আমার ধারণা হয় ৭ অক্টোবর থেকে ২৩ অক্টোবরের মধ্যে যেকোনো তারিখে গভীর রাতে মামলার এজাহার ভূক্ত ১ নং বিবাদী বোটের পাহারাদার মেহেদী হাসান(২১), তার সহযোগি আ: রহিম (৪৫),আলমগীর মাঝি (৩৫) ও সাইফুল ঢালি (৪৫) সহ অজ্ঞাত চোরাইকারিরা সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে নৌকায় থাকা মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায়। যার আনুমানিক মূল্য ধরা হয় ৫ লাখ ২৩ হাজার ৫ শত টাকা।
এসব মালামাল না পেয়ে পাহারাদারকে খুঁজতে থাকি। খুঁজে পেয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এসব মালামাল সে নিয়ে গেছে বলে অকপটে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির দেয়। চোরাইকারীরা তেল,জাল ও ব্যাটারি চুরি করে নিয়ে যায় স্কীকার হলেও এসব মালামাল ফেরত দিতে ব্যর্থ হয়।
উপায় না পেয়ে গত ৩০ অক্টোবর পাহারাদার মেহেদি হাসান সহ অজ্ঞাত নামা আরো ৩ জনকে বিবাদী করে চরফ্যাশন থানায় মামলা দায়ের করা হয়। যার থানা মামলা নং২৪।
মামলা আজহারভূক্ত হওয়ার পর ১ নং আসামিকে থানা পুলিশ গ্রেফতার করে চরফ্যাশন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাকে সোপর্দ করলে আদালত তাকে দু’দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।
রিমান্ডে গ্রেফতারকৃত আসামির স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি ও দেখানো মতে চোরাইকৃত ব্যাটারি উদ্ধার করলো থানা পুলিশ। এখনো অধরাই রয়ে গেলো চুরির সাথে জড়িতরা।