নিজস্ব প্রতিবেদক : ছাত্রের মাকে কুপ্রস্তাবের অভিযোগে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার রানাপাশা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির হাফেজ নুরুল্লাহকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
সম্প্রতি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা জামায়াতের আমির হাফিজুর রহমান।
নুরুল্লাহ উপজেলার তেঁতুলবাড়িয়া গ্রামের মাওলানা আমজাদ হোসেনের ছেলে। তিনি ঝালকাঠি সদর উপজেলার কৃষ্ণকাঠি এলাকার একটি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষক।
জানা গেছে, কিছুদিন আগে নুরুল্লাহ তার এক ছাত্রের মায়ের মোবাইলে আপত্তিকর মেসেজ পাঠান। এ নিয়ে ওই ছাত্রের স্বজনরা তাকে মারধর করেন। সেখানে জবানবন্দির কিছু অংশ একটি ফেসবুক আইডি থেকে ভিডিও আকারে প্রকাশ হলে তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। পরে ভিডিওটি ডিলিট করে দেওয়া হয়।
প্রকাশিত ভিডিওতে জামায়াত নেতা হাফেজ নুরুল্লাহকে বিব্রত ও মর্মাহত অবস্থায় একটি ঘরের মধ্যে খাটের ওপরে বসে থাকতে দেখা যায়। বিষয়টি উপজেলা জামায়াতের দায়িত্বশীলদের নজরে এলে তারা দ্রুত তদন্ত করে তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা নুরুল্লাহ বলেন, মাদরাসাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিরোধের জেরে আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। গত ২৮ নভেম্বর রাতে কয়েকজন ব্যক্তি আমাকে জোর করে একটি ঘরে আটকে মারধর করে টাকা দাবি করেন।
পরে ঘটনা ধামাচাপা দিতে ষড়যন্ত্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার করছে।
উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সৈয়দ মোহাম্মদ আব্দুস সালাম বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ায় অভিযুক্ত নুরুল্লাহকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
আব্দুস সালাম অভিযোগ করে বলেন, আমরা জানতে পারি, ওই মাদ্রাসাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এসব ঘটনা রটিয়েছেন এবং তাকে মারধর করেছেন।