1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
কলাপাড়ায় সিজার অপারেশন নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ, তদন্তের দাবি - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
জলাবদ্ধতা নিরসন, রাস্তা সংস্কার, দান-অনুদানে প্রশংসায় ভাসছে যুবনেতা আতিক ওসমানী  লালমোহনে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা বানারীপাড়ায় পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার সাইবার মামলায় র‍্যাবের হাতে অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হালিম গ্রেপ্তার  গলাচিপায় ৩ দিন ধরে নিখোঁজ শিশু, উৎকণ্ঠায় পরিবার  মনপুরায় একই দিনে নিখোঁজ ৩ শিশু, উদ্বিগ্ন স্বজনরা বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপির কমিটি বাতিলের দাবিতে গুলশানে অবস্থান কর্মসূচি বরিশালে ইয়াবার বড় চালানসহ ডিবির জালে যুবক ভান্ডারিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুল শিক্ষিকার বি.এড পরীক্ষার ভাইভা দেওয়া হলেনা দুমকিতে যুবদলের নতুন কমিটি বাতিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

কলাপাড়ায় সিজার অপারেশন নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ, তদন্তের দাবি

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬
Oplus_131072

কলাপাড়া প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা থেকে চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ রোগীরা কিছু ল্যাব ও ক্লিনিকের চিকিৎসকের কাছে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনই একটি অভিযোগ করেছেন উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের গামইরতলা গ্রামের বাসিন্দা মোঃ লোকমান হাওলাদার।

লোকমান হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, তার স্ত্রী আকলিমা বেগমকে কলাপাড়ার মেডিসিন স্কয়ার হাসপাতালে সিজার অপারেশনের জন্য নেওয়া হলে ডাঃ অনুপ কুমার সরকারের ভুল চিকিৎসা ও প্রতারণার শিকার হন তারা। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

তিনি আরও জানান, গত বৃহস্পতিবার স্ত্রীকে নিয়ে ডাঃ অর্পিতা রায়ের কাছে গেলে তিনি রোগীর অবস্থা ভালো নয় বলে দ্রুত সিজার অপারেশন করানোর পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, বরিশাল থেকে বড় ডাক্তার এনে অপারেশন করাতে পারবেন। পরে টাকার অভাবে সেদিন চলে গেলেও পরবর্তীতে ফোন করে আবার ক্লিনিকে আসতে বলা হয় এবং পরে টাকা দিলেও হবে বলে জানানো হয়।

লোকমানের দাবি, সিজার অপারেশনের সময় ভুল চিকিৎসার কারণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরে ডাক্তার জসিম উদ্দিনকে এনে রক্তক্ষরণ বন্ধ করা হয়।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ডাঃ অর্পিতা রায়। তিনি বলেন, রোগী ও তার স্বজনরা চিকিৎসক সম্পর্কে জেনেই ক্লিনিকে ভর্তি হয়েছেন। অপারেশনের পর মা ও নবজাতক দুজনেই সুস্থভাবে বাড়ি ফিরেছেন।

তিনি আরও বলেন, রোগীর স্বজনদের সঙ্গে ১৩ হাজার ৫০০ টাকায় সিজারের চুক্তি হয়েছিল। তবে তারা ১১ হাজার টাকা দিয়েছেন। ওষুধ ও বেড ভাড়াসহ এত কম টাকায় সিজার করা সম্ভব নয়। টাকা না দেওয়ার উদ্দেশ্যেই তারা মিথ্যা অভিযোগ করছেন বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার সঠিক তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network