চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি: নির্বাচনকে সামনে রেখে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে সড়ক ও জনপদ সংস্কার কাজে ব্যস্ত রয়েছেন আসন্ন ইউনিয়নের সম্ভাব্য প্রার্থীরা। তারই ধারাবাহিকতায় দির্ঘ বছর ধরে আটকে থাকা জলাবদ্ধতায় শতশত হেক্টর জমির ফসলের ক্ষতির মুখে পড়ে স্থানীয়রা। দীর্ঘদিনের ক্ষতির আশংকা থেকে মুক্ত করে দিলেন যুবদলের সাবেক সভাপতি আতিক ওসমানি। অসহায় জনগনের পাশে তিনি নিজকে নিয়োজিত করতে পারলেই মহা খুশি। এলাকায় গরিব দুঃখী মানুষের বিয়ে, জন্ম, মৃত্যুতে কোনমতে সংবাদ পেলেই নিজের অর্থায়নে নিজকে বিলিয়ে দেন এ নেতা। শুধু তা'ই নয়, এলাকার গরিব দুখী ছিন্নমূল মানুষের একমাত্র ভরসা আবাসস্থল আতিক ওসমানী। এলাকার সাবেক জন প্রতিনিধিদের অবহেলায় পড়ে থাকা বেহাল অবস্থা থাকা রাস্তা গুলো সংস্কার...
চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি: নির্বাচনকে সামনে রেখে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে সড়ক ও জনপদ সংস্কার কাজে ব্যস্ত রয়েছেন আসন্ন ইউনিয়নের সম্ভাব্য প্রার্থীরা। তারই ধারাবাহিকতায় দির্ঘ বছর ধরে আটকে থাকা জলাবদ্ধতায় শতশত হেক্টর জমির ফসলের ক্ষতির মুখে পড়ে স্থানীয়রা। দীর্ঘদিনের ক্ষতির আশংকা থেকে মুক্ত করে দিলেন যুবদলের সাবেক সভাপতি আতিক ওসমানি। অসহায় জনগনের পাশে তিনি নিজকে নিয়োজিত করতে পারলেই মহা খুশি। এলাকায় গরিব দুঃখী মানুষের বিয়ে, জন্ম, মৃত্যুতে কোনমতে সংবাদ পেলেই নিজের অর্থায়নে নিজকে বিলিয়ে দেন এ নেতা।
শুধু তা’ই নয়, এলাকার গরিব দুখী ছিন্নমূল মানুষের একমাত্র ভরসা আবাসস্থল আতিক ওসমানী। এলাকার সাবেক জন প্রতিনিধিদের অবহেলায় পড়ে থাকা বেহাল অবস্থা থাকা রাস্তা গুলো সংস্কার কাজে ব্যস্ত রয়েছেন তিনি। লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করে রাস্তার সংস্কার কাজে যখন হাতছানি ঠিক তখনি এলাকাবাসীর মধ্যে রয়েছে তারই নামের জলপনা- কল্পনা। বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে তিনি প্রশংসায় ভাসছেন স্থানীয়দের মাঝে।
ওসমানগঞ্জ বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচা পাকা সড়কের মধ্যে রয়েছে বড় বড় খানাখন্দ। এসব খানাখন্দে কোথাও ফেলা হচ্ছে ইট কোথাও বালি। মাছ চাষের উপযোগী কিছু কাঁচা রাস্তায় ফালানো হয় কাঁচা মাটি। তাই এলাকার উন্নয়নের ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে যুবদল নেতা আতিক ওসমানি। এ যেনো দীর্ঘদিনের শ্বাস ও স্বস্তিতে ফিরেছ অবহেলিত গ্রামবাসী।
গ্রামবাসীর মধ্যে অনেকে জানায়, দীর্ঘদিনের দীর্ঘ শ্বাসে নিজের অর্থায়নে ড্রেনেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে গভীর পাইপ স্থাপন করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করেন এই নেতা। ওসমানগঞ্জ ইউনিয়নের রাস্তাঘাট সংস্কারের পাশাপাশি ইতোমধ্যে মাদক ইভটিজিং ও সন্ত্রাস চাঁদাবাজ মুক্ত মডেল ইউনিয়ন গঠনে সামাজিকভাবে প্রচারনাও চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। কৃষক শ্রমিক জেলে ও মাঝি মাল্লাসহ খেটে খাওয়া মেহনতী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন নিয়ে ইতিমধ্যে তিনি কাজ করে চলেছেন।
চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করে স্কুল কলেজ মসজিদ মাদ্রাসা এবং রাস্তাঘাটের উন্নয়নের প্রচারণায় মানুষের দ্বারে দ্বারে ছুটছেন। তিনি দীর্ঘদিন ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি ছিলেন। এই সুবাদে রাস্তার মোড়ে মোড়ে সকাল ও সন্ধ্যায় ছোট ছোট চায়ের দোকানে এলাকাবাসীর আড্ডায় জমে ওঠে তারই উন্নয়নের কথা।
এলাকার এক চায়ের দোকানি রতন মিয়া জানান, সকাল সন্ধ্যা সব সময় আমি চা বিক্রি করি। আতিক ওসমানির উন্নয়নের ফসল হিসাবে তাকে আসন্ন ইউনিয়ন নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত করাই হলো এলাকা বাসীর এখন নৈতিক দায়িত্ব। তা না হলে এলাকাবাসী ও সাধারণ মানুষ এই যুবনেতা আতিক ওসমানির কাছে চির ঋণী হয়ে থাকবে। আমরা চাই এই ভোটের মাধ্যমে তার এই উন্নয়নের ঋণের বোঝা পরিশোধ করতে।
যুবনেতা আতিক ওসমানি বলেন, রাজনীতি মানে জনকল্যাণের রাজনীতি। কিন্তু আমরা দেখেছি, অনেকে স্বপ্নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে। নির্বাচনে এলেই তারা শুধু প্রতিশ্রুতি দিয়েই ভোটাধিকার কেড়ে নেয়। এরপর কোন বিষয় তাদেরকে আর পাওয়া যায় না। ক্ষমতায় গিয়ে নিজের পকেট, নিজের পরিবার আর নিজের আত্মীয়-স্বজন নিয়েই ব্যস্ত থাকেন ঐসব প্রার্থীরা। আমি তাদের এই মিথ্যা ছলনাকে ঘৃণা করে কোমর বেধে জনকল্যাণকর কাজে নিজকে নিয়োজিত করে মানুষের মাঝে মানুষ হয়ে বাঁচতে চাই। আমি চাইনা মিথ্যা ছলনায় মানুষের ভোট কেড়ে নিতে। সাবেক জনপ্রতিনিধিরা গরিবের কষ্টের কথা তারা ভুলে গেছে। তাই নিজ উদ্যোগে আমি এলাকার কৃষকের পাশে থাকার চেষ্টা করছি। তিনি দৃঢ় কণ্ঠে আরও বলেন, আমার মুখে যা বলি, বুকে তা লালন করি। আমার প্রতিটি কথা, প্রতিটি স্বপ্ন শুধু আমার এলাকার মাটি ও মানুষের জন্য। আমি সম্পদ গড়তে আসিনি, মানুষের আস্থা অর্জন করতে এসেছি। আল্লাহ পাক আমাকে বাপ-দাদার অনেক সম্পদ দিয়েছে। জনগণের ভালোবাসা, জনগণের দোয়া আর জনগণের অস্তিত্বকে সমুন্নত রাখাই আমার রাজনীতির মূল মন্ত্র। ভোটারদের ভালোবাসা ও আল্লাহর রহমতে আমি কথা দিচ্ছি ওসমানগঞ্জ ইউনিয়নকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, রাস্তাঘাট ও কর্মসংস্থানে উপজেলার অন্যতম একটি আদর্শ মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়বো।
আমি অত্র ওসমানগঞ্জ এলাকার ঐতিহ্যবাহী দাওরা মৌলভী বাড়ির পরিবারের সন্তান। আমার নানা বৃহত্তম ওসমানগঞ্জ ইউনিয়নের একজন সফল চেয়ারম্যান ছিলেন। তাকে এলাকাবাসী এখনো ভুলেনি। তিনি হলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক আ: লতিফ চেয়ারম্যান। তার বাড়ির সামনে তারই নামে একটি হাট বাজার গড়ে ওঠে। বাজারটির নাম লতিফ মিয়ার হাট। এখানে গড়ে ওঠে সেই চর আমলের দীর্ঘ বছরের একটি পোস্ট অফিস। বাজার সংলগ্ন একটি জামে মসজিদ, একটি আলিম মাদ্রাসা গড়ে ওঠে। যার নাম ওসমানগঞ্জ ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা। এলাকাবাসীর জানে আমি নির্বাচন করতে এসেছি। তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই। আমি আপনাদের সন্তানের মতো।আপনাদের ভাইয়ের মতো। তাই একটিবার আমাকে নির্বাচন করতে সুযোগ দিলে এই এলাকার মানুষের চাহিদা মত কাজ করার নিরলস চেষ্টা করব।