1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
ঝালকাঠিতে অবাধে নিধন হচ্ছে মাছের পোনা - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণ জানতে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন অসময়ে হঠাৎ নদীভাঙন, এক মাসে বিলীন ১৫ বসতবাড়ি ন‌ভেম্ব‌রের ম‌ধ্যেই সব জেলা ক্রীড়া সংস্থার ক‌মি‌টি বরগুনায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত ভাণ্ডারিয়াকে মাদকমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন উপজেলা গড়ে তোলার আহ্বান জেলা প্রশাসকের লালমোহনে কিশোরের বিরুদ্ধে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ ‘বিএনপি সরকারকে ভোট দিয়া আজকে ভুক্তভোগী’ বলা নারী কারাগারে পিরোজপুরের আইপি মিত্রা নজরুলসংগীতে বিভাগীয় পর্যায়ে প্রথম, জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণের সুযোগ ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ এর আগাম খবরে সতর্ক গলাচিপা কৃষি বিভাগ ভারতে ৪ বছর কারাভোগ শেষে সন্তানসহ দেশে ফিরল দম্পতি

ঝালকাঠিতে অবাধে নিধন হচ্ছে মাছের পোনা

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঝালকাঠিতে অবাধে ধরা হচ্ছে পোয়া, বেলে, চিংড়িসহ নানা প্রকার দেশীয় প্রজাতির মাছের পোনা। বাদ যাচ্ছে না রূপালি ইলিশও। একশ্রেণির অসাধু জেলে চরগড়া ও কারেন্ট জাল ব্যবহার করে এসব মাছের বংশ নিধন করছেন।

 

সুগন্ধা, বিষখালী, ধানসিঁড়ি ও বাসন্ডাসহ ঝালকাঠিতে ১৬টি নদী ও অসংখ্য খাল-বিল রয়েছে। মিঠাপানির ইলিশ ও দেশীয় প্রজাতির নানা প্রকার মাছের জন্য এই জেলা প্রসিদ্ধ। কিন্তু দিন দিন অবাধে শিকার হচ্ছে এসব প্রাকৃতিক জলাশয়ের মাছের পোনা। জেলার বিভিন্ন নদী-খালে একশ্রেণির অসাধু জেলে কারেন্ট জাল, চরগড়াসহ সূক্ষ্ম জালের ফাঁদে নিধন করছেন দেশীয় মাছের পোনা।

প্রশাসনের নজর এড়াতে রাতের বেলা গ্রাম এবং শহরের অলিগলিতে এসব পোনা বিক্রি হচ্ছে কয়েক হাত ঘুরে। এমনকি দরিদ্র পরিবারের শিশুদের দিয়েও ‘চাবলি’ কিংবা ‘গুঁড়া মাছ’-এর নামে বিক্রি করতে দেখা যাচ্ছে এসব মাছের পোনা।

শহরের নতুন চর এলাকার সুজন বেপারী বলেন, ‘ইলিশের পোনা চাবলি মাছ বলে রাতের বেলায় গ্রাম ও চরাঞ্চলে বিক্রি করছেন মৌসুমী মাছ বিক্রেতারা। সন্ধ্যার পর নৌকা করে জেলেরা তাদের কাছে কম দামে বিক্রি করেন। তারপর সেগুলো শহর ও গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে।

শহরের কামারপট্টি এলাকার মনির হোসেন বলেন, ‘গুঁড়া মাছের নামে চিংড়ি, বেলেসহ দেশীয় প্রজাতির মাছের পোনা কারেন্ট জালে প্রতিদিন ধরছেন একশ্রেণির জেলেরা। রাতের বেলায় তা বিক্রি হয়। কিন্তু এভাবে নির্বিচারে পোনা মাছ ধরলে একসময় নদী-খালের দেশীয় মাছ হারিয়ে যাবে।

জেলা মৎস্য বিভাগের তথ্যমতে, ঝালকাঠি জেলায় মাছের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ১৩ হাজার ৩৩২ মেট্রিক টন। যার সিংহভাগই এ জেলার প্রাকৃতিক জলাশয় ও চাষে উৎপাদিত মাছের মাধ্যমে পূরণ হয়। পোনা নিধনের কারণে এই উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এনামুল হক বলেন, ‘জনবল থাকা সত্ত্বেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পোনা মাছ নিধন বন্ধ করতে অসাধু জেলেদের বিরুদ্ধে আরও কঠোরভাবে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

 

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network