বাবুগঞ্জের মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ, মামলায় শিক্ষক পলাতক!
আপডেট সময় :
রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬
বাবুগঞ্জের মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ, মামলায় শিক্ষক পলাতক!
বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি : বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় ১২ বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে এক মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক পলাতক রয়েছেন। বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মোহাম্মদ এহতেশামুল ইসলাম জানান, শনিবার শিশুটির বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক মোঃ মাসুম বিল্লাহ বাবুগঞ্জ উপজেলার আল ইকরা দারুল উলুম নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন বলে জানা গেছে। তিনি নাটোরের সিংড়া উপজেলার চরহিয়াতপুর গ্রামের শাহাদাত হোসেনের ছেলে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের ওই ১২ বছর বয়সী...
বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি : বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় ১২ বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে এক মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক পলাতক রয়েছেন।
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মোহাম্মদ এহতেশামুল ইসলাম জানান, শনিবার শিশুটির বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও তদন্ত শুরু হয়েছে।
অভিযুক্ত শিক্ষক মোঃ মাসুম বিল্লাহ বাবুগঞ্জ উপজেলার আল ইকরা দারুল উলুম নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন বলে জানা গেছে। তিনি নাটোরের সিংড়া উপজেলার চরহিয়াতপুর গ্রামের শাহাদাত হোসেনের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের ওই ১২ বছর বয়সী আবাসিক শিক্ষার্থীকে গত ১৫ মার্চ রাত আনুমানিক ১টার দিকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে পাশের পর্দাঘেরা কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার সঙ্গে বলাৎকারের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়।
পরবর্তীতে ভুক্তভোগী শিশুটি বিষয়টি তার পরিবারকে জানালে তারা থানায় গিয়ে মামলা দায়ের করেন। পরে শিশুটিকে চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
ওসি শেখ মোহাম্মদ এহতেশামুল ইসলাম বলেন, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘটনার পর বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তাদের দাবি, মাদ্রাসার পরিচালক মুফতি আমিনুল ইসলাম বিভিন্ন রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করছেন এবং মামলার অগ্রগতি ঠেকানোর চেষ্টা করছেন।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, এর আগে একই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতনের ঘটনায় থানায় অভিযোগ উঠলেও পরে তা সমঝোতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়েছিল।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মাদ্রাসার পরিচালক মুফতি আমিনুল ইসলামের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।