1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
অস্তিত্ব সংকটে কুয়াকাটার ‘মিনি সুইজারল্যান্ড’ - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বানারীপাড়ায় পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার সাইবার মামলায় র‍্যাবের হাতে অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হালিম গ্রেপ্তার  গলাচিপায় ৩ দিন ধরে নিখোঁজ শিশু, উৎকণ্ঠায় পরিবার  মনপুরায় একই দিনে নিখোঁজ ৩ শিশু, উদ্বিগ্ন স্বজনরা বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপির কমিটি বাতিলের দাবিতে গুলশানে অবস্থান কর্মসূচি বরিশালে ইয়াবার বড় চালানসহ ডিবির জালে যুবক ভান্ডারিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুল শিক্ষিকার বি.এড পরীক্ষার ভাইভা দেওয়া হলেনা দুমকিতে যুবদলের নতুন কমিটি বাতিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন বিশ্বজয়ী হাফেজ জাকারিয়াকে ড. মাসুদের সংবর্ধনা, অর্ধলাখ টাকা উপহার বাবুগঞ্জে অনুমতি ছাড়া বিএনপির সভা-সমাবেশ না করার নির্দেশ

অস্তিত্ব সংকটে কুয়াকাটার ‘মিনি সুইজারল্যান্ড’

  • আপডেট সময় : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যে ঘেরা ঝাউবন ও ম্যানগ্রোভ অরণ্যে সাজানো কুয়াকাটার চর গঙ্গামতি সমুদ্রসৈকত, যা একসময় পর্যটকদের কাছে ‘মিনি সুইজারল্যান্ড’ নামে পরিচিত ছিল। আজ স্থানীয় প্রভাবশালীদের দৌরাত্ম্যে ধীরে ধীরে হারাচ্ছে তার ঐশ্বর্য। অবাধে গাছ কাটা ও বন উজাড়ের ফলে শ্রীহীন হয়ে পড়ছে সৈকতের বিস্তীর্ণ এলাকা, কমছে জীববৈচিত্র্য, আর হতাশ হয়ে ফিরছেন ভ্রমণপিপাসুরা।

 

দেশের দক্ষিণ প্রান্তে বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে অবস্থিত পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার গঙ্গামতির চর প্রায় ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সমুদ্রসৈকত। এই সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলের সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এখানকার বিস্তীর্ণ বনাঞ্চল। ঝাউ ও বিভিন্ন ম্যানগ্রোভ প্রজাতির গাছপালার ছায়ায় পর্যটকরা খুঁজে পেতেন প্রশান্তি, আর লাল কাঁকড়া ও বন্যপাখির বিচরণে মুখর থাকত পুরো এলাকা।

কিন্তু বর্তমানে সেই দৃশ্য অনেকটাই অতীত। বন উজাড়ের ফলে সৈকতের বিভিন্ন অংশ এখন অনেকটাই বিরানভূমির মতো। তীব্র রোদে ছায়াহীন হয়ে পড়েছে পর্যটন এলাকা, ফলে ভোগান্তিতে পড়ছেন দর্শনার্থীরা।

নরসিংদী থেকে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা পর্যটক সুবর্ণা ঘোষ বলেন, ‘মিনি সুইজারল্যান্ডের কথা অনেক শুনেছিলাম। কিন্তু এখানে এসে দেখলাম গাছ নেই, ছায়া নেই— ছবি তুলতেও ভালো লাগে না। কাটা গাছের গুঁড়ি চোখে পড়ে। রোদে বসা যায় না।’

একই অভিজ্ঞতার কথা জানান খুলনা থেকে আসা পর্যটক সিয়াম আহমেদ। তিনি বলেন, ‘আগে এখানে অনেক গাছ ছিল, লাল কাঁকড়াও বেশি দেখা যেত। এখন গাছ কমে যাওয়ায় কাঁকড়ার সংখ্যাও কমে গেছে। আগের সেই সৌন্দর্য আর নেই।

 

স্থানীয় জেলে মামুন হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, ‘বন বিভাগের চোখ ফাঁকি দিয়ে দিন-রাত চলছে গাছ কাটা। প্রভাবশালীরা ট্রলার নিয়ে এসে গাছ কেটে নিয়ে যায়। অনেকেই জ্বালানি কাঠ বানিয়ে বিক্রি করে।’

 

এ বিষয়ে গঙ্গামতি ফরেস্ট ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক  জানান, স্থানীয় কমিউনিটির বাসিন্দারাই বনখেকো দলের হোতা, আর চিহ্নিত করে নিয়মিত মামলা দেওয়া হচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে। এখনো পর্যন্ত আটটি মামলা করা হয়েছে।

 

মহিপুর রেঞ্জের বন কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানান, বন বিভাগের পক্ষ থেকে টহল আরও জোরদার করা হয়েছে। বন রক্ষায় আমরা সোচ্চার রয়েছি। এছাড়া ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে সব বিষয়ে অবহিত করা হয়। আর চিহ্নিত করে বনখেকোদের বিরুদ্ধে মামলা রুজুর কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network