1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
বরগুনায় স্বামীর বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতি মামলা করে নিজেই কারাগারে স্ত্রী - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
৩টি নির্বাচন এদেশের জনগণের কাছ থেকে কেরে নেয়া হয়েছিল : হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপি বাবুগঞ্জে নির্মাণাধীন বাড়িতে ডাকাতি, অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা-স্বর্ণালংকার লুট ভোলায় ভুয়া দলিল দিয়ে কোটি টাকার জমি দখলের অভিযোগ পটুয়াখালীতে নৌযান শুমারি-২০২৬ প্রকল্পের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীতে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস বরগুনায় প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে জেলা প্রশাসনের মতবিনিময় সভা পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়ক : সংস্কারের ১৫ দিনের মাথায় খানাখন্দে ভরপুর, অনিয়মের অভিযোগ মশা নিধনে দেশীয় প্রযুক্তির রাসায়নিক ব্যবহার সম্ভাবনাময় হতে পারে : মির্জা ফখরুল বাবুগঞ্জে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক বাকেরগঞ্জে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের আনন্দ শোভাযাত্রা

বরগুনায় স্বামীর বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতি মামলা করে নিজেই কারাগারে স্ত্রী

  • আপডেট সময় : সোমবার, ১১ মে, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : বরগুনার বামনা উপজেলায় স্বামীর বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় স্ত্রী শারমিন আক্তার রুমা নিজেই ফেঁসে গেলেন। রুমাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে মামলায় অভিযুক্ত স্বামী জসীম উদ্দীন হাওলাদারসহ অন্য আসামিদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

 

গত বুধবার (৬ মে) বিচারক কাজী আশরাফুজ্জামান (যুগ্ম দায়রা জজ-১) এ আদেশ দেন।

 

মামলা সূত্রে জানা যায়, বেতাগী উপজেলার ছোপখালী ইউনিয়নের হোসনাবাদ এলাকার বাসিন্দা শারমিন আক্তার তার প্রথম স্বামীকে তালাক দেওয়ার পর ২০২৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর বামনা উপজেলার ডৌয়াতলা কাজী অফিসে মো. জসীম উদ্দীন হাওলাদারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। পরে জসীম উদ্দীন ব্যবসায়িক কাজে বিদেশে চলে যান।

 

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বিয়ের পর নিরাপত্তার জন্য জসীম উদ্দীন তার স্ত্রীকে ৩০ লাখ টাকার একটি চেক ও স্ট্যাম্পে লিখিত অঙ্গীকারনামা দেন। তবে পরবর্তীতে ওই চেক ব্যবহার করে জসীমের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও চেক ডিজঅনারের একটি মামলা দায়ের করেন।

 

মামলার নথিপত্র পর্যালোচনায় আদালত দেখতে পান, মামলার আরজিতে উল্লেখিত চেক নম্বর এবং আদালতে দাখিল করা চেকের নম্বরের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে। এছাড়া আদালতের অনুমতি ছাড়া মামলার নথিতে কলম দিয়ে সংশোধনের অভিযোগও উঠে।

 

আদালতে শুনানিকালে শারমিন আক্তার তার দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি অস্বীকার করেন বলে জানা যায়। এছাড়া ফ্ল্যাট ক্রয় সংক্রান্ত অভিযোগের কোনো বৈধ চুক্তিপত্রও উপস্থাপন করতে পারেননি। শুনানি শেষে আদালত মামলাটি অসত্য ও বিভ্রান্তিকর বিবেচনা করে বাদীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন এবং অভিযুক্ত জসীমসহ অন্য আসামিদের খালাস দেন।

 

আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন বলেন, কাবিনমূলে শারমিন এবং জসীম তারা স্বামী-স্ত্রী। পরে শারমিন তার স্বামী জসীমকে তালাকও দেন। কিন্তু কোর্টে বসে শারমিন বলেন, আমাদের কোনো বিয়েই হয়নি।

 

এ বিষয়ে জসীম উদ্দিন বলেন, ৬ মে আমাদের মামলার শুনানি ছিল। সেদিন ম্যাজিস্ট্রেট আমাদের বিয়ের কাবিননামা সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, এটা জাল কাবিননামা। তালাকের বিষয় জিজ্ঞেস করলে বলেন, সেটাও নাকি জাল, এমনকি তার ভোটার আইডিতে আমার নাম সেটাও নাকি জাল। তখন ম্যাজিস্ট্রেট তার উকিলকে জিজ্ঞেস করে বলেন, আপনার মক্কেল এসব কি বলে? তখন তার উকিল বলেন, আমার মক্কেল মিথ্যা বলছেন। পরে আদালত তাকে গারদে আটকে রাখার নির্দেশ দেন এবং আমাদের বেকসুর খালাস দেন।

 

তিনি বলেন, ইতোপূর্বে শারমিন আক্তারের চার বিয়ে হয়েছে। আমার বিয়ের আগেও তার দুইবার বিয়ে হয়েছিল, আমি তা জানতাম না। বিয়ের তিনমাস পরে আমি বিদেশ যাই। সেই সুযোগে আমাকে তালাক দিয়ে আগের স্বামীর সঙ্গে আবার সংসার শুরু করে।

 

আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. তপু রায়হান জানান, শুনানির সময় কোর্টের কাছে মনে হয়েছে এই মেয়ে মিথ্যাবাদী। সে মিথ্যা কথা বলতেছে। আমরা আইনজীবীরা যখন কোর্টের সামনে সব তুলে ধরি, তখন বাদীর কাছে জিজ্ঞেস করা হয়েছে আইনজীবীরা যা বলছে তা মিথ্যা কিনা তখন তিনি আমাদের চোখের সামনে মিথ্যা বলছেন। এমনকি কাগজে লেখা একটি কিন্তু তিনি বলেন অন্যটি। পরে আদালত বলেন একে আটকে রাখেন।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network