1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
চিফ হুইপের তৎপরতা : পায়রা ও বিষখালী সেতু নির্মাণে নতুন আশার আলো - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২২ অপরাহ্ন

চিফ হুইপের তৎপরতা : পায়রা ও বিষখালী সেতু নির্মাণে নতুন আশার আলো

  • আপডেট সময় : শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬

বরগুনা-২ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি’র ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে পায়রা ও বিষখালী নদীর ওপর সেতু নির্মাণের কার্যক্রম দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের সুদীর্ঘ বছরের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে অগ্রসর হওয়ায় উপকূলীয় জনপদে ব্যাপক আশাবাদ সৃষ্টি হয়েছে।

 

স্থানীয় জনগণ মনে করছেন, পায়রা ও বিষখালী নদীর ওপর আধুনিক সেতু নির্মিত হলে বরগুনা, বেতাগী, পাথরঘাটা, আমতলী, পটুয়াখালীসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। দীর্ঘদিন ধরে ফেরিনির্ভর যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে এ অঞ্চলের মানুষকে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। বর্ষাকাল কিংবা দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় এ দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।

 

চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি বিভিন্ন সময়ে জাতীয় সংসদ, মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন। তিনি দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ, অর্থনীতি ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে দ্রুত সেতু নির্মাণের দাবি জানান। তার ধারাবাহিক প্রচেষ্টার ফলে প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রশাসনিক ও কারিগরি প্রক্রিয়া এখন দৃশ্যমান অগ্রগতি লাভ করেছে বলে জানা গেছে।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পায়রা নদীর ওপর সেতু নির্মাণ হলে আমতলী ও বরগুনা এবং পটুয়াখালীর বেশ কয়েকটি উপজেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগ আরও সহজ ও দ্রুত হবে। একইভাবে বিষখালী নদীতে সেতু নির্মাণ হলে বরগুনা, ঝালকাঠি ও আশপাশের জেলার মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থায় নতুন গতি আসবে। এতে ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষি, মৎস্য ও পর্যটন খাতের বিকাশ ঘটবে।

 

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, বর্তমানে কৃষিপণ্য, মাছ ও অন্যান্য পণ্য পরিবহনে অতিরিক্ত সময় ও ব্যয় হয়। সেতু নির্মিত হলে দ্রুত পণ্য পরিবহন সম্ভব হবে এবং উৎপাদকরা ন্যায্যমূল্য পাবেন। এতে দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।

 

শিক্ষার্থী ও চাকরিজীবীরাও এই উদ্যোগকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, সেতু নির্মিত হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও প্রশাসনিক কেন্দ্রে যাতায়াত সহজ হবে। বিশেষ করে জরুরি রোগী পরিবহন এবং দুর্যোগকালে উদ্ধার তৎপরতায় এ সেতু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

উপকূলীয় অঞ্চলের সাধারণ মানুষ জানান, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে এই সেতু দুটি ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে কাজ করবে। তারা আশা করছেন, চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি’র আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলে দ্রুতই প্রকল্পের দৃশ্যমান কাজ শুরু হবে।

 

এ বিষয়ে নূরুল ইসলাম মনি বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ লাঘব ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে পায়রা ও বিষখালী নদীতে সেতু নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন, ‘এ অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগ বৈষম্যের শিকার। আমি সবসময় চেষ্টা করেছি সরকারের উচ্চ পর্যায়ে বিষয়টি তুলে ধরতে। জনগণের স্বার্থে এ প্রকল্প বাস্তবায়নে আমি সর্বাত্মক সহযোগিতা করে যাব।’

 

তিনি আরও বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের মানুষকে মূলধারার উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে আধুনিক যোগাযোগ অবকাঠামোর বিকল্প নেই। সেতু নির্মিত হলে শুধু বরগুনা নয়, পুরো উপকূলীয় অঞ্চলের অর্থনীতি ও জীবনমানের উন্নয়ন ঘটবে।

 

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, পায়রা ও বিষখালী নদীতে সেতু নির্মাণ বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক নতুন যুগের সূচনা হবে এবং উপকূলীয় জনপদে শিল্প, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network