1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
তালাকের কাগজ ছিঁড়ে আদালতেই স্বামীকে জড়িয়ে ধরলেন স্ত্রী! - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
জামায়াতকে ‘ইসলামী’ দল বলা যায় না: চরমোনাই পীর ‘এমনিতেই ভিসা পাওয়া বাংলাদেশের মানুষের কঠিন হয়ে যাচ্ছে’, বাঁধন ইস্যুতে সাবরিন আজাদ যুক্তরাষ্ট্রের একটি সাবমারসিবল আটক করেছে ইরান: আইআরজিসি কনসার্টে শেখ হাসিনার পক্ষে স্লোগান, আয়োজক গ্রেপ্তার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে শপথ নিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেডিকেল ছুটি নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রধান শিক্ষক, জানেন না শিক্ষা কর্মকর্তা বরিশালে পলাতক ৪ মাদক কারবারির কারাদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন বাবুগঞ্জে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে প্রতারণা, এনসিপি নেত্রীকে পুলিশে দিলো জনতা পিরোজপুরে ফ্রিজের তারে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল নার্সিং শিক্ষার্থীর

তালাকের কাগজ ছিঁড়ে আদালতেই স্বামীকে জড়িয়ে ধরলেন স্ত্রী!

  • আপডেট সময় : সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: টানা ৫ বছরের আইনি লড়াই, একে অপরের প্রতি একবুক ক্ষোভ আর সম্পর্কের চরম তিক্ততা- সব যেন মিলিয়ে গেল মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ম্যাজিকে। যে আদালত চত্বরে রোজ বিচ্ছেদের আর কান্নার গল্প লেখা হয়, সেখানেই তৈরি হল এক সুন্দর মুহূর্ত। বিচারকের সামনেই ডিভোর্স নথিপত্র ছিঁড়ে ফেলে স্বামীকে জড়িয়ে ধরলেন স্ত্রী।

দিল্লির একটি পারিবারিক আদালতের এই নজিরবিহীন ঘটনা এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল, যা প্রমাণ করল আইনের হাজারো যুক্তি যেখানে হেরে যায়। সেখানে এক ফোঁটা মানবিকতা আর ভালবাসাই জিতে যায়।

২০২০ সালে ধুমধাম করে বিয়ে হয়েছিল শিখা ও সৌরভের। কিন্তু বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই সম্পর্কে ফাটল ধরে। বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই সম্পর্কে চিড় ধরে। ছোটখাটো অশান্তি থেকে শুরু করে বড় বড় অভিযোগে পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে যায় যে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। দু’জনেই ঠিক করেন তাঁরা আর একসঙ্গে থাকবেন না এবং ডিভোর্সের মামলা ফাইল করেন।

এরপর কেটে গেছে দীর্ঘ পাঁচ বছর। একের পর এক শুনানি, আইনজীবীদের সওয়াল-জবাব আর কোর্টের চক্কর কাটতে কাটতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল দুটি পরিবারই। বিশেষ করে মেয়েকে আইনি লড়াইয়ে জেতাতে এবং তাঁর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে শিখার বাবা নিজের জীবনের সিংহভাগ সঞ্চয় শেষ করে ফেলেছিলেন। এই দীর্ঘ টানাপড়েন শুধু আর্থিক ক্ষতিই করেনি, শিখার পরিবারের উপর চরম মানসিক চাপও তৈরি করেছিল।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network